এই মুহূর্তে

WEB Ad Valentine 3

WEB Ad_Valentine




যোগ্যশ্রীর দরজা খুলে যাচ্ছে সকলের জন্য, মিলবে একাদশ শ্রেনী থেকেই, ট্যুইট মুখ্যমন্ত্রীর

Courtesy - Facebook and Google




নিজস্ব প্রতিনিধি: বাংলার(Bengal) তপশিলি জাতি ও উপজাতি সম্প্রদায়ের গরিব ঘরের মেধাবী ছেলেমেয়েরা যাতে ভাল প্রশিক্ষণ পেয়ে দেশের ভাল ভাল সব মেডিকেল কলেজ ও ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে ভর্তি হতে পারে তার জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee) রাজ্যে চালু করেন যোগ্যশ্রী প্রকল্প(Jogosree Scheme)। সেই প্রকল্পের মাধ্যমে যথাযথ প্রশিক্ষণ পেয়ে বাংলার তপশিলি জাতি ও উপজাতির ছেলেমেয়েরা এখন রাজ্যে তো বটেই দেশের মধ্যেও নানা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বেশ ভাল ফলাফল করে সবাইকে চমকে দিচ্ছে। এদিন সেই সাফল্য ও আগামী দিনে এই প্রকল্পের বাড়তি কিছু সুবিধা নিয়ে একটি ট্যুইট করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই ট্যুইটেই তিনি জানান যে, এবার থেকে আর দ্বাদশ শ্রেনী পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে না যোগ্যশ্রী প্রকল্পের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ নেওয়ার জন্য। বরঞ্চ তা মিলবে একাদশ শ্রেনী থেকেই। শুধু তাই নয়, যোগ্যশ্রী প্রকল্পে এতদিন শুধুমাত্র তপশিলি জাতি ও উপজাতি সম্প্রদায়ের ছেলেমেয়েরাই প্রশিক্ষণ নিতে পারতো। কিন্তু এদিন মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, এবার থেকে বাংলার সংখ্যালঘু, অনগ্রসর ও সাধারণ ঘরের ছেলেমেয়েরাও যোগ্যশ্রী প্রকল্পের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ নিতে পারবে।  

এদিন মুখ্যমন্ত্রী ট্যুইট করেন যে, ‘জানাতে গর্ব হচ্ছে যে, আমাদের যোগ্যশ্রী স্কিম যাতে আমরা রাজ্যের SC/ST ছাত্র-ছাত্রীদের ইঞ্জিনিয়ারিং এবং মেডিকেল কোর্সে ভর্তির জন্য সম্পূর্ণ বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ দিচ্ছি, তা আমাদের SC/ST ছেলে-মেয়েদের জীবনে প্রতিষ্ঠিত হবার পথে খুবই কাজে লাগছে। এই স্কিমে আমরা এবার সংখ্যালঘু, ওবিসি এবং জেনারেল ক্যাটেগরি ছাত্রছাত্রীকেও যুক্ত করব। এই ২০২৪ সালের পরীক্ষাতেই আমাদের যোগ্যশ্রীর ছেলেমেয়েরা JEE (অ্যাডভান্সড) পরীক্ষায় ২৩টি র‍্যাঙ্ক (১৩টি IIT র‍্যাঙ্ক সহ), JEE (মেইন) এ ৭৫টি র‍্যাঙ্ক, WBJEE-এ ৪৩২টি র‍্যাঙ্ক এবং NEET-এ ১১০টি র‍্যাঙ্ক পেয়েছে। এইসব কঠিন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ফলাফল আগের বছরের ফলাফলের চেয়েও অনেক ভালো। যোগ্যশ্রীর এই বিপুল সাফল্যে উৎসাহিত হয়ে এটাকে আমরা আরো বড় আকারে করছি। রাজ্যজুড়ে মোট ৫০টি সেন্টার খোলা হয়েছে যেখানে আমার দুহাজার SC/ST ছেলেমেয়ে ট্রেনিং পাবে। এখন ক্লাস ১১ থেকেই প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু হবে। এতে ছেলেমেয়েরা আরো ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে পারবে। আমাদের পিছিয়ে পড়া শ্রেণীর ছেলে-মেয়েরা আরও অনেক বেশি সংখ্যায় ইঞ্জিনিয়ার-ডাক্তার হবে – এটাই আমি চাই। এবার যুক্ত হবে সংখ্যালঘু, ওবিসি এবং জেনারেল ক্যাটেগরির ছেলেমেয়েরাও। সবার জন্য রইল আমার অভিনন্দন।’




Published by:

Ei Muhurte

Share Link:

More Releted News:

পাটক্ষেতে অপহরণ করে নিয়ে গিয়ে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় চাঞ্চল্য

প্রকাশ্য দিবালোকে শান্তিপুর স্টেশন রোডে সোনার দোকানে লুঠের চেষ্টা, ধৃত ১

রোগী মৃত্যুর ঘটনায় উত্তেজনা ছড়াল পশ্চিম মেদিনীপুরের বেলদা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে

হাওড়ার ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে পানীয় জলে পোকা, এলাকায় ছড়াচ্ছে জন্ডিসের প্রকোপ

হাওড়ার হুগলি নদীতে কুমিরের আনাগোনায় বন্ধ একাধিক গঙ্গার ঘাট

কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের দুর্ঘটনার জের, বেশি কিছু ট্রেনের সময়সূচি বদল

Advertisement




এক ঝলকে
Advertisement




জেলা ভিত্তিক সংবাদ

দার্জিলিং

কালিম্পং

জলপাইগুড়ি

আলিপুরদুয়ার

কোচবিহার

উত্তর দিনাজপুর

দক্ষিণ দিনাজপুর

মালদা

মুর্শিদাবাদ

নদিয়া

পূর্ব বর্ধমান

বীরভূম

পশ্চিম বর্ধমান

বাঁকুড়া

পুরুলিয়া

ঝাড়গ্রাম

পশ্চিম মেদিনীপুর

হুগলি

উত্তর চব্বিশ পরগনা

দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা

হাওড়া

পূর্ব মেদিনীপুর