এই মুহূর্তে

গৌতম পালকে এখনই গ্রেফতার করা যাবে না, নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

Courtesy - Google

নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজ্যে স্কুল শিক্ষকদের নিয়োগ দুর্নীতির(School Teachers Recruitment Scam in Bengal) ঘটনায় আদালতের নির্দেশেই তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা CBI। সেই তদন্তেই সামনে এসেছে OMR Sheet দুর্নীতির ঘটনা। সেই OMR শিটে বিস্তর কারচুপি ঘটানোর বহু নিদর্শন CBI আধিকারিকদের হাতেও আসে। সেই ঘটনার জেরেই গত ১৮ অক্টোবর গুরুত্বপূর্ণ এক নির্দেশ দেন কলকাতা হাইকোর্টের(Calcutta High Court) বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়(Justice Abhijit Gangopadhay)। তিনি নির্দেশ দিয়েছিলেন, ওই মামলায় ওই দিনই রাজ্যের প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের(WBBPE) সভাপতি গৌতম পাল ও পর্ষদের সচিব পার্থ কর্মকারকে জেরা করতে হবে। সেই নির্দেশ তিনি দিয়েছিলেন CBI-কে। ওই দিন সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিট নাগাদ দু’জনকেই নিজাম প্যালেসে হাজিরার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি। এমনকী প্রয়োজন হলে CBI তাঁদের হেফাজতে নিয়ে জেরা করতে পারবে বলেও নির্দেশ দেয় আদালত। গ্রেফতারি এড়াতে সেদিন ২ জনেই CBI দফতরে হাজিরা দিলেও পরে ওই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যান গৌতমবাবু। এদিন অর্থাৎ শুক্রবার সেই সুপ্রিম কোর্টই জানিয়ে দিল, গৌতম পালকে এখনই গ্রেফতার করা যাবে না। সেই সঙ্গে আপাতত গ্রেফতার করা যাবে না পর্ষদের ডেপুটি সেক্রেটারি পার্থ কর্মকারকেও।

কলকাতা হাইকোর্টে গৌতমবাবুর বিরুদ্ধে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় তাঁর পর্যবেক্ষণে জানিয়েছিলেন, সম্পাদনাযোগ্য ডিজিটাল ডেটা শিটকে ১ বছর ধরে ডিজিটাইজড কপি বলে দাবি করে আসছে পর্ষদ। এটা কোনও ভাবেই ডিজিটাইড কপি হতে পারে না। কেন পর্ষদ মিথ্যা দাবি করে আসছিল তা জানতে সভাপতিকে জেরা করতে হবে। কিন্তু গৌতমবাবুর দায়ের করা মামলা চলতি সপ্তাহের সোমবার সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি অনিরুদ্ধ বসুর ডিভিশন বেঞ্চে যেখন শুনানির জন্য উঠেছিল তখন সেখানে গৌতমবাবুর আইনজীবী দাবি করেন, দুর্নীতি যখন হয়েছে তখন গৌতমবাবু পর্ষদের সঙ্গে যুক্তই ছিলেন না। ফলে তাঁকে জেরা করার প্রয়োজনীয়তা কী? কিন্তু তার পরও গৌতমবাবুকে সেদিন কোনও রক্ষাকবচ দেয়নি সুপ্রিম কোর্ট। এ ব্যাপারে CBI’র বক্তব্য জানতে চেয়েছিল শীর্ষ আদালত। এদিন অবশ্য শীর্ষ আদালতের নির্দেশ দিয়েছে, পরবর্তী শুনানির দিন পর্যন্ত গৌতমবাবুকে গ্রেফতার করা যাবে না। আপাতত গ্রেফতার করা যাবে না পর্ষদের ডেপুটি সেক্রেটারি পার্থ কর্মকারকেও। আগামী বৃহস্পতিবার এই মামলার পরবর্তী শুনানি।

যদিও এদিন এদিন সুপ্রিম কোর্ট এটাও জানিয়ে দিয়েছে যে, কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মতো গৌতমবাবু ও পার্থবাবু ২জনকেই তদন্তের বিষয়ে CBI’র সঙ্গে সবরকমের সহযোগিতা করতে হবে। একই সঙ্গে দেশের শীর্ষ আদালত এদিন এটাও স্পষ্ট করে দিয়েছে, CBI’র বিশেষ তদন্তকারী দল বা Special Investigation Team (SIT) এই ঘটনার তদন্ত চালিয়ে নিয়ে যাবে। সূত্রে জানা গিয়েছে, গত সোমবার গৌতমবাবুর আইনজীবী আদালতকে জানিয়েছিলেন যে, তাঁর মক্কেল ২৪ অগস্ট রাজ্যের প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের দায়িত্বগ্রহণ করেন। তার আগেই নিয়োগ দুর্নীতির ঘটনা ঘটেছিল। সেক্ষেত্রে তাঁকে কেন গ্রেফতারের পথে ঠেলে দিচ্ছে কলকাতা হাইকোর্ট? এদিন জানা গিয়েছে গৌতমবাবুর আইনজীবীর এই যুক্তি এদিন মেনে নিয়েই তাঁকে এখনই গ্রেফতার করা যাবে না বলেই শীর্ষ আদালত নির্দেশ দিয়েছে।

Published by:

Koushik Dey Sarkar

Share Link:

More Releted News:

দুর্নীতি-সই নকলের অভিযোগে অনির্দিষ্টকালের জন্য সাসপেন্ড অধ্যাপক

পরীক্ষা ভাল না হওয়ায় আত্মঘাতী উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থী

উচ্চ মাধ্যমিকের পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল নিয়ে ঢোকায় ছেলেদের টেক্কা মেয়েদের

মুখ্যমন্ত্রীর জেলা সফরের মুখে জগন্নাথ ধামের কাজের গতি বাড়ল দিঘায়

প্রেমিককে সঙ্গে নিয়ে সন্তানকে খুন, মাকে ফাঁসির সাজা আদালতের

বিয়ের কয়েকদিন আগে গুলি করে আত্মঘাতী কনস্টেবল

Advertisement

এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ

দার্জিলিং

কালিম্পং

জলপাইগুড়ি

আলিপুরদুয়ার

কোচবিহার

উত্তর দিনাজপুর

দক্ষিণ দিনাজপুর

মালদা

মুর্শিদাবাদ

নদিয়া

পূর্ব বর্ধমান

বীরভূম

পশ্চিম বর্ধমান

বাঁকুড়া

পুরুলিয়া

ঝাড়গ্রাম

পশ্চিম মেদিনীপুর

হুগলি

উত্তর চব্বিশ পরগনা

দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা

হাওড়া

পূর্ব মেদিনীপুর