Comm Ad 2020-LDC epic

রেশন আর চা-সুন্দরীর সুবিধা না পেয়ে বিক্ষোভ চা-শ্রমিকদের

Share Link:

রেশন আর চা-সুন্দরীর সুবিধা না পেয়ে বিক্ষোভ চা-শ্রমিকদের

নিজস্ব প্রতিনিধি: বাম জমানা থেকেই উত্তরবঙ্গের পাহাড় ও ডুয়ার্সে থাকা চা বাগানগুলিতে রেশন নিয়ে সমস্যা ছিল। কার্যত চা বাগানের শ্রমিকেরা তাঁদের বরাদ্দ রেশন ঠিক ভাবে পেতেনই না। সব থেকে খারাও অবস্থা হত বন্ধ হয়ে যাওয়া চা বাগানের। কিন্তু ২০১১ সালের পর থেকে এই সমস্যা সমাধানের দিকে বিশেষ ভাবে নজর দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চা বাগান বন্ধ থাক কী খোলা তা না দেখে বাগানের সব শ্রমিক পরিবার যাতে রেশন পান নিয়মিত তার ব্যবস্থা করেন তিনি। এর ফলে পাহাড় হোক কী ডুয়ার্স চা বাগানের শ্রমিকদের মধ্যে অনাহারে মৃত্যুর ঘটনা পুরো বন্ধ হয়ে গিয়েছে যা বাম জমানার কার্যত নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এর পাশাপাশি চা বাগানের শ্রমিকদের জন্য পাকা বাড়ি বানিয়ে দিতেও উদ্যোগী হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই কারনেই চালু হয়েছে ‘চা-সুন্দরী’ প্রকল্প। কিন্তু এদিন জলপাইগুড়ি জেলার ৮টি চা বাগানের শ্রমিকেরা বিক্ষোভ দেখানোর পাশাপাশি আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিলেন নায্য রেশন আর চা-সুন্দরী প্রকল্পের সুযোগ না পাওয়ায়।
 
জলপাইগুড়ি জেলার সদর মহকুমার ভান্ডারপুর, জয়পুর, শিকারপুর, সরস্বতীপুর, নাগপুর, রায়পুর, ডেঙ্গুয়াঝার ও করলা ভ্যালি চা-বাগানের শ্রমিকরা এদিন সকালে করলাভ্যালি চা-বাগানে জড়ো হন। সেখানে পাতকাটা গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্যরাও হাজির ছিলেন। সেই বৈঠকেই ক্ষুব্ধ শ্রমিকেরা জানান, তালিকায় নাম না-থাকা সত্ত্বেও তাঁরা চা-সুন্দরীর প্রকল্প থেকে বঞ্চিত। আবার রেশনের ৩৫ কেজি চালও তাঁরা পাচ্ছেন না কয়েক মাস ধরে। এই অবস্থায় সমস্যার সমাধান না করা হলে তাঁরা বৃহত্তর আন্দোলনে নামবেন। ক্ষুব্ধ শ্রমিকেরা রীতিমত প্রশ্ন তুলেছেন এদিনের বৈঠকে যে কেন তাঁরা চা সুন্দরী প্রকল্প থেকেও বঞ্চিত? তাঁরা কী অন্যায় করেছেন যে ৩৫ কেজি করে চাল পাবেন না তাঁরা? জেলার সব চা বাগানের সব শ্রমিক পরিবার এই সুবিধা পেলে তাঁরা কেন এই দুই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন?
 
শ্রমিকদের বিক্ষোভের জেরে পাতকাটা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান, প্রধান হেমব্রম বলেন, ‘আজ এখানে আটটা চা বাগানের শ্রমিকেরা রয়েছেন। ভান্ডারপুর, জয়পুর, শিকারপুর, সরস্বতীপুর, নাগপুর, জয়পুর, রায়পুর, ডেঙ্গুয়াঝার, এই বাগানগুলিতে শ্রমিকেরা রেশন থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। জেলার ৮৪টা চা বাগানের মধ্যে এই ৮টি চা বাগানের শ্রমিকেরা ৩৫ কেজি করে চাল পাচ্ছেন না। এই আটটি চা বাগানের শ্রমিকদের কারোর নাম নেই চা সুন্দরী প্রকল্পে। এই গ্রাম পঞ্চায়েতে তৃণমূলের বোর্ড রয়েছে। আমি সেই পঞ্চায়েতের প্রধান। আমরা এই এলাকায় বিধানসভার নির্বাচনেও বিপুল ভোটে লিড দিয়েছি। আমাদের বিধায়ক আছেন, সভাধিপতিও আছেন। এনারা কোনও সময় বলছেন না এই সমস্যা গুলো মিটিয়ে দেবো। তাই সবাইকে নিয়ে আমরা আন্দোলন করতে বাধ্য হচ্ছি। প্রথমে আমরা জেলাশাসক, খাদ্য দফতরে চিঠি পাঠাবো। তারপর মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি লিখবো যাতে এই শ্রমিক পরিবারগুলি বাকিদের মতো সমস্ত সুবিধেগুলো পায়। যদি তার পরেও এনারা চা সুন্দরী প্রকল্পের সমস্ত সুবিধা না পান, তাহলে ওনারা রাস্তায় নেমে বাধ্য হবেন বলেই জানিয়েছেন।’
 
করলা ভ্যালি চা বাগানের তৃণমূল নেতা মহেশ রাউটিয়া এদিন জানান, ‘রাস্তা, জল সহ অন্যান্য সরকারি সুবিধা আমরা পাচ্ছি। কিন্তু আমরা ৩৫ কেজি রেশন পাচ্ছি না। চা সুন্দরী লিস্টে আমাদের নাম নেই। যা কিছু সুযোগ সুবিধা সব ডুয়ার্সে চলে যাচ্ছে। আমরাও গরীব মানুষ। চা শ্রমিক আমরা। তাই আমরা আমাদের জেলা সভাপতি কৃষ্ণ দাসের কথা অনুযায়ী আন্দোলনে নেমেছি। রেশন দেওয়া না হলে সকলের খাবার বন্ধ হয়ে যাবে। আমরা চাই সবাই সমান ভাগে রেশন পাক। না খেয়ে তো থাকতে পারবো না। তাহলে অন্য ব্যবস্থা নিতে হবে আমাদের। আমরা চাই বাগানে প্রশাসনের লোক এসে এটার সমাধান করুন যে কিভাবে আমরা থাকতে পারি। রেশন নিয়েও যদি দুর্নীতি হয়, তাহলে কি করে চলবে। আমরা সম্পূর্ণ রেশন পাচ্ছি না। রেশনের ওপরেই আমাদের ভরসা করতে হয়।’
 
এদিন চা শ্রমিক শান্তি ছেত্রী বলেন, ‘আমরা চা শ্রমিক। আমরা সবাই গরীব। তাই মাসে ৩৫ কেজি করে চাল পাওয়ার কথা। কিন্তু দেখা যাচ্ছে কেউ ১২ কেজি আর কেউ মাসে ২ কেজি চাল পাচ্ছে। এটা চলতে পারেনা। AY, BY রেশন কার্ড আমরা বুঝি না। আমরা চাই আগের মতো রেশনের মাধ্যমে মাসে সবাইকে বিনামূল্যে ৩৫ কিলো খাদ্যশস্য দেওয়া হোক।’ খাদ্য দফতর সূত্রে বলা হচ্ছে যে, ‘আমরা গোটা বিষয়টা জানতে চেয়েছি। কারা রেশন পাচ্ছে না তাঁদের লিস্টও চেয়ে পাঠানো হয়েছে। আমরা উর্ধ্বতন কতৃপক্ষকে জানিয়েছি যাতে সকলেই এই সুবিধাগুলো পান। তার ব্যবস্থাও দ্রুত করা হবে।’

Comm Ad 2020-LDC Haringhata Meet

More News:

Leave A Comment

Don’t worry ! Your email & Phone No. will not be published. Required fields are marked (*).

এই মুহূর্তে Live

Comm Ad 2020-LDC Momo

Stay Connected

Get Newsletter

Featured News

Advertisement

Comm Ad 026 BM

নিউ ইয়র্কে শুরু হল মেট গালা ২০২১। নিউইয়র্কে এই অনুষ্ঠানে ছিল তারকাদের ভিড়। ফ্যাশন, স্টাইল ও দুর্দান্ত ডিজাউনে সব তারকারা হাজির হয়েছিলেন বিচিত্র সব পোশাক পরে। মেট গালার রেড কার্পেটে হাঁটার জন্য কী পরবেন সেলেবরা, তার প্রস্তুতি চলতে থাকে বছরের পর বছর ধরে। করোনার কারণে গত বছর আসরটি বসেনি। তাই এবার যেন তারার মেলা বসে গিয়েছিল।

নিউ ইয়র্কে শুরু হল মেট গালা ২০২১। নিউইয়র্কে এই অনুষ্ঠানে ছিল তারকাদের ভিড়। ফ্যাশন, স্টাইল ও দুর্দান্ত ডিজাউনে সব তারকারা হাজির হয়েছিলেন বিচিত্র সব পোশাক পরে। মেট গালার রেড কার্পেটে হাঁটার জন্য কী পরবেন সেলেবরা, তার প্রস্তুতি চলতে থাকে বছরের পর বছর ধরে। করোনার কারণে গত বছর আসরটি বসেনি। তাই এবার যেন তারার মেলা বসে গিয়েছিল।

দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন লিল নাসকের রাজকীয় পোশাক। সোনালি সুপারহিরোর পোশাকে হাজির ছিলেন তিনি।

দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন লিল নাসকের রাজকীয় পোশাক। সোনালি সুপারহিরোর পোশাকে হাজির ছিলেন তিনি।

সম্পূর্ণ কালো পোশাক নজর কাড়লেন কিম কারদাশিয়ান।

সম্পূর্ণ কালো পোশাক নজর কাড়লেন কিম কারদাশিয়ান।

রালফ লরেনের তৈরি পশমের পোশাকে ধরা দিয়েছেন জেনিফার লোপেজ। সঙ্গে ছিলেন বেন অ্যাফ্লেক। এ বার সামাজিক অনুষ্ঠানেও দেখা দিলেন যুগলে। মেট গালা ২০২১-এর হোয়াইট কার্পেটে অবশ্য আলাদাই হাঁটলেন জেনিফার ও বেন। ভিতরে গিয়ে মাস্ক পরেই চুম্বনে মগ্ন হলেন দুই তারকা।

রালফ লরেনের তৈরি পশমের পোশাকে ধরা দিয়েছেন জেনিফার লোপেজ। সঙ্গে ছিলেন বেন অ্যাফ্লেক। এ বার সামাজিক অনুষ্ঠানেও দেখা দিলেন যুগলে। মেট গালা ২০২১-এর হোয়াইট কার্পেটে অবশ্য আলাদাই হাঁটলেন জেনিফার ও বেন। ভিতরে গিয়ে মাস্ক পরেই চুম্বনে মগ্ন হলেন দুই তারকা।

সুপার মডেল ইমন চমত্কার পালকযুক্ত স্বর্ণ এবং বেইজ হেডড্রেস এবং স্কার্ট বেছে নিয়েছিল। মাথার পিছনে বসানো সাদা আর সোনালি হেড পিস দেখাল চক্রের মতো।

সুপার মডেল ইমন চমত্কার পালকযুক্ত স্বর্ণ এবং বেইজ হেডড্রেস এবং স্কার্ট বেছে নিয়েছিল। মাথার পিছনে বসানো সাদা আর সোনালি হেড পিস দেখাল চক্রের মতো।

Voting Poll (Ratio)

Comm Ad 2020-Valentine RC
Comm Ad 026 BM