Comm Ad 2020-LDC epic

বাংলায় কী পুজো বন্ধ করার ষড়যন্ত্র চলছে! নানা ঘটনায় উঠছে প্রশ্ন

Share Link:

বাংলায় কী পুজো বন্ধ করার ষড়যন্ত্র চলছে! নানা ঘটনায় উঠছে প্রশ্ন

নিজস্ব প্রতিনিধি: হাতে গোনা আর মাত্র ২-৩দিন। সোমবার থেকেই পথে নেমে যাবে মানুষ। শুরু হয়ে যাবে রাত জেরে কলকাতার বুকে ঠাকুর দেখার ধূম। মানুষের ঢল অতিমধ্যেই রাস্তায় রাস্তায় ছড়িয়ে পড়েছে। কেউ চাইছেন শেষ মুহুর্তের বাজারহাট সেরে ফেলতে আবার কেউ বেড়িয়ে পড়েছেন উদ্বোধন হওয়া পুজোগুলির দর্শন সেরে ফেলতে। আর তাতেই রাস্তায় রাস্তায় বাড়ছে ভিড়। পাল্লা দিয়ে কলকাতা আর উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় বাড়ছে কোভিডের প্রকোপ। এই অবস্থায় নানা মহল থেকে যেমন রাজ্য সরকার তথা প্রশাসনের ওপর চাপ বাড়ানো হচ্ছে পুজো বন্ধ করার জন্য তেমনি দায়ের হয়েছে মামলাও। আবার দুই-তিনটি পুজো কমিটি দর্শনার্থীবর্জিত পুজো করতে চাইছে। তা নিয়েও এবার শুরু হয়েছে পাল্টা চাপের খেলা। সব মিলিয়ে এবারে পুজো নিয়ে কার্যত কুরুক্ষেত্র লেগে গিয়েছে রাজ্যজুড়ে।

করোনাকালে জমায়েত করতে দেশজুড়ে নিষেধাজ্ঞা জারি আছে। নিষেধ রয়েছে মিছিল ও সভা করার ক্ষেত্রেও। কিন্তু এর কোনটাই বিজেপি মেনে চলছে না কোথাও। বাংলা হোক কী উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র হোক কী মধ্যপ্রদেশ, অসম হোক কী কর্ণাটক সর্বত্রই চলছে বিজেপির নিয়মভাঙার খেলা। এ রাজ্যেও রামনবমী থেকে শুরু করে যত্রতত্র বিজেপি নানা মিছিল, জমায়েত, সভা করে চলেছে। এমনকি হাজার হাজার সমর্থক নিয়ে নবান্ন অভিযান চালানোর নামে রাজপথে প্রকাশ্যে গুণ্ডামি করেছে। সেই সব সময় তাদের একবারও কোভিডে সংক্রমিত হওয়ার কথা মনে হয়নি। অথচ যখন পুজো শুরু হওয়ার মুখে তখন বিজেপির মনে হল এই পুজো আটকাতে বা পারলে রাজ্য মহামারীতে শেষ হয়ে যাবে। তার জেরে রাতারাতি পুজো বন্ধ করতে আদালতের দ্বারস্থ হতে হল দুই বিজেপি সমর্থককে। ঠিক যেভাবে অসম, উত্তরপ্রদেশ, অরুণাচল প্রদেশে দুর্গাপুজো করার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছিল। সেখান বিজেপি সরকার নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল, এখানে বিজেপির সরকার না থাকায় আদালতে গিয়েছে তাঁরা। মূল লক্ষ্য কিন্তু একটাই যেনতেন প্রকারণে বাঙালির দুর্গাপুজো বন্ধ করে রামঠাকুরের পুজো শুরু করতে চাওয়া।
 
একই সঙ্গে এটাও লক্ষ্য করা যাচ্ছে একদম শেষ মুহুর্তে ভিডের জেরে কোভিড সংক্রমণের দোহাই দিয়ে কলকাতার দু-তিনটি পুজো দর্শকহীণ পুজো করার কথা জানিয়েছে। কার্যত এই সিদ্ধান্ত মানুষের মধ্যে বিভেদের প্রতীক হয়ে উঠেছে। পাড়ার লোক যথেচ্ছা ঢুকতে বার হতে পারবে অথচ দর্শনার্থীরা পারবেন না। স্বাভাবিক ভাবেই অভিযোগ উঠেছে এরসব পুজোকমিটির কর্মকর্তারা গেরুয়া শিবির থেকে টাকা নিয়ে এই পথে হাঁটা দিয়েছে। একই সঙ্গে মাঠে নেমেছে চিকিৎসকদের ফোরামও। তাঁরা এবার যে আবেদন প্রকাশ্যে এনেছে তা নিয়ে রীতিমত বড়সড় বিতর্ক শুরু হয়ে গিয়েছে চিঠিতে ভাষার প্রয়োগ নিয়ে। সেই চিঠির ভাষায় ক্ষোভ ছড়িয়েছে নবান্নেও। রাজ্য সরকারকে যে ভাবে আক্রমণ শানানো হয়েছে সেই চিঠিতে তা পড়লে মনে হতেই পারে যে কোনও বিরোধী রাজনৈতিক দল আক্রমণ শানিয়েছে রাজ্য সরকারকে। মুখ্যমন্ত্রী যেখানে বার বার আশ্বাস দিচ্ছেন সচেতন ভাবে পুজো করার ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার তখন চিকিৎসকদের ফোরাম কেন তাতে কর্ণপাত করছে না! একটি গণতান্ত্রিক ভাবে নির্বাচিত সরকারকে কী চিকিৎসকদের ফোরামের কথায় উঠতে বসতে চলতে হবে, সেই প্রশ্ন কিন্তু উঠে গিয়েছে। অথচ এই ফোরাম কিন্তু মানুষের চিকিৎসা সংক্রান্ত হয়রানি হলে কোনও পদক্ষেপই নিচ্ছে না। মানুষ কোভিডের চিকিৎসা করাতে গিয়ে বেসরকারি হাসপাতালে ভিখারি হয়ে যেতে হচ্ছে যেখানে সেখানে কিন্তু মিখে কুলুপ এঁটে বসে রয়েছে এই সংস্থা। সব কিছু মিলিয়ে কী মনে হচ্ছে না বাংলার বুকে দুর্গাপুজো বন্ধ করার একটা বৃহত্তর ষড়যন্ত্র চলছে।

Comm Ad 2020-Valentine body

More News:

Leave A Comment

Don’t worry ! Your email & Phone No. will not be published. Required fields are marked (*).

এই মুহূর্তে Live

Comm Ad 026 BM

Stay Connected

Get Newsletter

Featured News

Advertisement

Comm Ad 008 Myra

খিদিরপুর থেকে শুরু করে বেহালা, হরিদেবপুর,

খিদিরপুর থেকে শুরু করে বেহালা, হরিদেবপুর,

মুদিয়ালী ছুঁয়ে সোধপুর পার্ক

মুদিয়ালী ছুঁয়ে সোধপুর পার্ক

বাবুবাগান হয়ে উদ্বোধনের যাত্রা শেষ হল একডালিয়া,

বাবুবাগান হয়ে উদ্বোধনের যাত্রা শেষ হল একডালিয়া,

হিন্দুস্থান পার্ক, ত্রিধারার চত্বরে এসে।

হিন্দুস্থান পার্ক, ত্রিধারার চত্বরে এসে।

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

এক আধটা নয়, পুরো ১১০টি পুজোর উদ্বোধন একঘন্টার মধ্যেই সেরে ফেলে রেকর্ড গড়ে দিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এক আধটা নয়, পুরো ১১০টি পুজোর উদ্বোধন একঘন্টার মধ্যেই সেরে ফেলে রেকর্ড গড়ে দিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

নবান্ন থেকে ভার্চুয়ালি ভাবে রাজ্যের ১২টি জেলার এই ১১০টি পুজোর উদ্বোধন এদিন করে দিলেন তিনি।

নবান্ন থেকে ভার্চুয়ালি ভাবে রাজ্যের ১২টি জেলার এই ১১০টি পুজোর উদ্বোধন এদিন করে দিলেন তিনি।

কখনও দূর্গাস্তোত্র পড়ে, কখনও শাঁখ বাজিয়ে, কখনও বা কাঁসর বাজিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে এদিন দেখা গেল একের পর এক জেলায় পুজোর উদ্বোধন করতে।

কখনও দূর্গাস্তোত্র পড়ে, কখনও শাঁখ বাজিয়ে, কখনও বা কাঁসর বাজিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে এদিন দেখা গেল একের পর এক জেলায় পুজোর উদ্বোধন করতে।

একই সঙ্গে নাম না করেই মাঝে মধ্যে গেরুয়া শিবিরকে খোঁচা দিয়ে তাঁকে মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করতে দেখা গেল যে মা যেন বাংলাকে দাঙ্গা থেকে বাঁচান

একই সঙ্গে নাম না করেই মাঝে মধ্যে গেরুয়া শিবিরকে খোঁচা দিয়ে তাঁকে মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করতে দেখা গেল যে মা যেন বাংলাকে দাঙ্গা থেকে বাঁচান

Voting Poll (Ratio)

Comm Ad 2020-LDC Momo

Editors Choice

2020 New Ad HDFC 05