corona 01

এনআরসি থেকে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য আইন নিয়ে কেন্দ্রকে বিঁধলেন মমতা

Share Link:

এনআরসি থেকে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য আইন নিয়ে কেন্দ্রকে বিঁধলেন মমতা

নিজস্ব প্রতিনিধি: অনুমান ছিল, সেটাকে সত্যি করেই খাতড়া থেকে কেন্দ্রের সরকারকে তীব্র বাক্যবাণে বিঁধলেন তৃণমূলসুপ্রিমো তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এনআরসি থেকে শুরু করে অত্যাবশকীয় নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য আইনের সংশোধন নিয়ে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকে তীব্র ভাবে আক্রমণ করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মানুষকে বললেন, কেন্দ্র কীভাবে তাঁদের ভাতে মারার ব্যবস্থা করেছে। কেন অত্যাবশকীয় নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য আইনের সংশোধন আইন লাগু হলে আর কয়েক মাস পরে মানুষকে না খেতে পেয়ে মরতে হবে। কেন এনআরসি লাগু হলে মানুষকে বাংলা ছেড়ে চলে যেতে হবে। একই সঙ্গে একের পর এক মামলা নিয়েও ক্ষোভ ব্যক্ত করেন মুখ্যমন্ত্রী। আর সেই সব মামলার পিছনে বাম-বিজেপির ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন।

মুখ্যমন্ত্রী এদিন এদিন খাতড়ার প্রশাসনিক সভা থেকে বেশ কিছু ইস্যুতে কেন্দ্রীয় সরকারকে একহাত নেন। কার্যত তোপ দাগেন বেকারত্ব থেকে এনআরসি আর খাদ্যপণ্য আইন নিয়ে। বলেন, ‘কেন্দ্র বিভিন্ন প্রকল্পের নামে নিয়োগ করছে। তারপর যেই সেই প্রকল্প শেষ হয়ে যাচ্ছে, তখন ছেলেমেয়েরা কাজ হারাচ্ছে। বেকার হয়ে যাচ্ছে। কেন্দ্র মাছের তেলে মাছ ভাজছে। করোনা পরিস্থিতিতে অনেক রাজ্যে বেতন কমিয়ে দিয়েছে। কেন্দ্র এমপি ল্যাডের টাকা বন্ধ করে দিয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের ডিএ ফ্রিজ করে দেওয়া হয়েছে। এমনকি মাসে একদিন করে বেতনও কাটা হচ্ছে। কিন্তু এরাজ্যে কারও বেতন, পেনশন বন্ধ হয়নি। রাজ্যের স্কিমে যাঁরা চাকরি করেন, তাঁদের কারও চাকরি আমরা নষ্ট করিনি।  উপরন্তু রাজ্য সরকার চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা বাড়িয়েছে। জেনারেল প্রার্থীদের ক্ষেত্রে বয়সের ঊর্ধ্বসীমা ৪০ বছর, ওবিসি ৪৩ বছর, তফশিলি জাতি-উপজাতির ক্ষেত্রে ৪৫ বছর করা হয়েছে। আমরা বাংলায় ৪০ শতাংশ বেকারত্ব কমিয়ে দিয়েছি। কেন্দ্রর থেকে টাকার আমরা ভাগ পাই। দয়া করে দেয় না। কেন ১০০ দিনের কাজের টাকা তিন মাস পড়ে আসবে? বিআরজিএস প্রকল্পের টাকা এখনও পাইনি আমরা।’

এরপরেই মুখ্যমন্ত্রী খোঁচা দেন মামলা নিয়ে। বলেন, ‘উৎসব, দুর্গাপুজো, ছটপুজো সব কিছু নিয়ে মামলা করাই এখন বিজেপির কাজ। দুর্গাপুজো, কালীপুজো, জগদ্ধাত্রী পুজো আমরা করি না? সব করি। তা সত্ত্বেও নির্বাচনের আগে অনেকে এসে দাঙ্গা লাগানোর চেষ্টা করবে। ভোটের আগে অনেক রাজনৈতিক দল আসবে। ব্যাংকে টাকা দেবে। মনে রাখবেন ওই টাকা আপনার টাকা। জমিদারির টাকা নয়। তাই টাকা নিন কিন্তু ভোট দেবেন না।’ এরপরেই মুখ্যমন্ত্রী অত্যাবশক নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য আইনের সংশোধন ও তা লাগু নিয়ে কেন্দ্রকে আক্রমণ শানিয়ে আমজনতাকে বলেন, ‘এরপরে আর কিন্তু আলু ভাতে ভাতও জুটবে না। নতুন আইন করে দিয়েছে। সব তুলে নিয়ে চলে যাবে। মানুষ না খেতে পেয়ে মরবে। সব আলু তুলে নিয়ে দিল্লি চলে গিয়েছে। মজুরদাররা আর ফাটকাদাররা মুনাফা কামাচ্ছে। দিল্লির সরকার আলুর সরকার। আলু নেই, পিঁয়াজ নেই। এদের আর একটি ভোটও নয়। দু-তিনমাস বাদে আলু, পিঁয়াজের দাম কোথায় গিয়ে দাঁড়ায় দেখবেন।’ এনআরসি প্রসঙ্গেও মুখ্যমন্ত্রী কেন্দ্রকে বিঁধে বলেন, ‘এরা ভোটের সময় ভোট চাইতে আসে আর ভোট পার হলেই বলে ঠাকুমার সার্টিফিকেট নিয়ে এস, ঠাকুর্দার সার্টিফিকেট নিয়ে এস। না হলেও বাংলা থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার হুকুম দিচ্ছে।’ 

Comm AD 12 Myra

More News:

Leave A Comment

Don’t worry ! Your email & Phone No. will not be published. Required fields are marked (*).

এই মুহূর্তে Live

Comm Ad 006 TBS

Stay Connected

Get Newsletter

Featured News

Advertisement

2020 New Ad HDFC 05

কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের  সমাপ্তি অনুষ্ঠান

কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের সমাপ্তি অনুষ্ঠান

#

#

#

#

Voting Poll (Ratio)

Comm Ad 006 TBS
Comm Ad 026 BM