Comm Ad 018 Kalna

মোদির মুখে বাংলা ভজনায় গললো না বাঙালি! দিশাহীনতায় হতাশ সমর্থকেরাও

Share Link:

মোদির মুখে বাংলা ভজনায় গললো না বাঙালি! দিশাহীনতায় হতাশ সমর্থকেরাও

নিজস্ব প্রতিনিধি: বড় আশা নিয়ে বুক বেঁধেছিল বাংলার গেরুয়া শিবির। আশায় ছিল কর্মী সমর্থকেরাও। কিন্তু ষষ্ঠীর সকালে কী পেল গেরুয়া শিবির! না ধুতি পাঞ্জাবি পরা এক মেকি বাঙালিকে। তার থেকেই মেকি মেকি লাগলো বাংলার প্রতি দরদে উথলে ওঠা আদিখ্যেতা। যে আম্ফানে ১০০০ টাকার বেশি সাহায্য দেয় না, যে বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদের কেন্দ্রীয় প্রকল্পে কাজ দেয় না, যে বাংলাকে তাঁর প্রাপ্য জিএসটির ভাগ দেয় না, যে বাংলার মানুষের পাশে লকডাইনে দাঁড়ালো না, যার গত ছয় বছরে একবারও বাংলার দুর্গাপুজোর কথা মনে পড়লো না, তার আজ হঠাৎ করে মনে হল বাঙালিকে অভিনন্দন জানানোর দরকার। তাই দেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ধুতি পাঞ্জাবি পড়ে এসে বাংলায় কিছু বুলি আউড়ে চেষ্টা করলেন একটু মেকি বাঙালি সাজার। কিন্তু ওই মেকি অবধিই পারলেন আসতে। পুরো বাঙালি আর হওয়া হল না। নরেন্দ্র মোদি আর বাঙালি হলেন না।
 
মহাষষ্ঠীর সকালে মোদি চেষ্টা করলেন একটু বাঙালি সাজার। তাঁর দলের নেতা যখন বাংলাকে কোনও ভাষা বলেই মানতে নারাজ তখন বাংলার ভোট ব্যাঙ্ক টানতে মোদি হাতিয়ার বানালেন বাংলা ভাষাকেই। বক্তৃতার একটা বড় অংশ তিনি বাংলাতেই বললেন। দুর্গাপুজোর সঙ্গে বাঙালির আবেগকে উস্কে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বললেন, ‘উমা এল ঘরে। বাংলার এই সনাতন পরম্পরা রয়েছে। প্রতিটি নারীকে মায়ের রুপে শ্রদ্ধা জানাতে হবে। নারীদের প্রতি নির্যাতন রুখতে এদেশে এখন কড়া আইন প্রণয়ন করা হয়েছে। মহিলাদের সুরক্ষার জন্য এই সরকার যথেষ্ট তত্পর।’ যদিও তাঁর এই সব ভিত্তিহীন দাবি তুলে এখন হাসাহাসি করছে রাজ্যের অবিজেপি দলগুলির নেতা থেকে কর্মী ও সমর্থকেরা। যে দলের শাসনে উত্তরপ্রদেশে একের পর মহিলা ধর্ষণ ও গণধর্ষণের শিকার হন সেই রাজ্যের কথা ভুলে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী যদি নারী নিরাপত্তার সাফল্য তুলে ধরেন তাহলে কার না হাসি পাবে! আসলে সবাই বুঝতে পারছে মোদির এই আদিখ্যাতা সবটাই ২০২১শের বিধানসভা নির্বাচনে ভোট প্রাপ্তির লক্ষ্যেই।
 
এদিন আবার বাংলা ভাষায় কথা বলার জন্য মোদি বলেছেন, ‘বাংলা ভাষা এত মিষ্টি যে এই ভাষা বলার লোভ সামলাতে পারলাম না। জানি আমার উচ্চারণে কিছু খামতি ছিল। তার জন্য মার্জনা করবেন। সকলকে দুর্গাপূজা এবং কালী পূজোর শুভেচ্ছা জানাই।’ অথচ এই প্রধানমন্ত্রীর সরকারই বাংলার বুকে রেলের কারখানা থেকে বাংলা ভাষাকে তুলে দিয়েছে। তার বেলা কিন্তু তখন প্রধানমন্ত্রীর একবারও বাংলা ভাষার গুরুত্বের কথা মনে হয়নি। এদিন আবার কোভিডের প্রসঙ্গ টেনে তুলে এনে বলেন, ‘করোনা এখনো চলে যায়নি। তাই সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে মাস্ক পড়তে হবে। সব নিয়ম মেনেই উৎসবে মাততে হবে এবার। কৃষক থেকে শ্রমিক সবাইকে আত্মনির্ভর হতে হবে। তবেই গড়া যাবে সোনার বাংলা।’ অথচ তাঁর দলের নেতা তথা বাংলায় রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ হুমকি দিয়েছিলেন বাংলায় দুর্গাপুজো বন্ধ করে দেবেন। কার্যত সেটাতেই মান্যতা দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। প্রধানমন্ত্রী যতই বিজেপির দুর্গাপুজো উদ্বোধন করুন না কেন বাংলার দুর্গাপুজো কার্যত শেষ এই বছরে। তা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে এদিন একটা শব্দও খরচ করতে শোনা গেল না। কারোর বুঝতে বাকি রইল না এই ধুতি-পাঞ্জাবি বেশে মেকি মেকি বাঙালি সাজাটা শুধু সামনের বছরের ভোটের জন্য।

Comm Ad 2020-tantuja-body

More News:

Leave A Comment

Don’t worry ! Your email & Phone No. will not be published. Required fields are marked (*).

এই মুহূর্তে Live

corona 02

Stay Connected

Get Newsletter

Featured News

Advertisement

Comm Ad 2020-WB Tourism RC

খিদিরপুর থেকে শুরু করে বেহালা, হরিদেবপুর,

খিদিরপুর থেকে শুরু করে বেহালা, হরিদেবপুর,

মুদিয়ালী ছুঁয়ে সোধপুর পার্ক

মুদিয়ালী ছুঁয়ে সোধপুর পার্ক

বাবুবাগান হয়ে উদ্বোধনের যাত্রা শেষ হল একডালিয়া,

বাবুবাগান হয়ে উদ্বোধনের যাত্রা শেষ হল একডালিয়া,

হিন্দুস্থান পার্ক, ত্রিধারার চত্বরে এসে।

হিন্দুস্থান পার্ক, ত্রিধারার চত্বরে এসে।

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

Voting Poll (Ratio)

Comm Ad 2020-himalaya RC

Editors Choice

Comm Ad 006 TBS