Comm Ad 2020-LDC epic

ছত্রধর মামলায় এনআইএ’র নজরে ঝাড়গ্রামের সিএমওএইচ! বিদ্ধ রাষ্ট্রদোহিতায়

Share Link:

ছত্রধর মামলায় এনআইএ’র নজরে ঝাড়গ্রামের সিএমওএইচ! বিদ্ধ রাষ্ট্রদোহিতায়

নিজস্ব প্রতিনিধি: জঙ্গলমহলের একসময়কার বেতাজ বাদশা আজ বড়ই বিপাকে। তাঁকে গ্রেফতার জন্য এখন তাল ঠুকছে দেশের জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। শুধু তাই নয়, যে মামলার হাত ধরে জঙ্গলমহলের কিংবদন্তী হয়ে ওঠা নেতাকে এনআইএ গ্রেফতার করতে চাইছে সেই মামলাতেই সেই নেতাকে সাহায্য করার কারণ তুলে ধরে এবার রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের এক আধিকারিকদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদোহিতার অভিযোগ আনলো এনআইএ। আর তার জেরেই তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়লো রাজ্যের রাজনীতির পাশাপাশি প্রশাসনের অন্দরমহলেও। যে নেতাকে ঘিরে এত কাণ্ড তিনি আর অন্য কেউ নন, ছত্রধর মাহাতো। তাঁকে যাতে এনআইএ গ্রেফতার করতে না পারে তার জন্য মিথ্যা কোভিড রিপোর্ট দাখিলের জন্য ঝাড়গ্রাম ব্লকের মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক বা সিএমওএইচ প্রকাশ মিদ্দার বিরুদ্ধে এবার রাষ্ট্রদোহিতার অভিযোগ আনলো এনআইএ।
 
চলতি বছরেও মাস ৩-৪ আগে জেল থেকে মুক্তি পেয়েছেন ছত্রধর মাহাতো। যোগ দিয়েছেন রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসে। এতাও জানিয়েছেন যে তিনি নিজে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করলেও তৃণমূলের হয়ে প্রচার করবেন ও জঙ্গলমহলের বাসিন্দারা যাতে বিজেপিকে ভোট না দেন তার জন্য আমজনতার কাছে তিনি আবেদন রাখবেন। ২০১৯ সালে জঙ্গলমহলের ৫টি লোকসভা আসনের মধ্যে সবকটিতেই জয়ী হয় বিজেপি। এখন ছত্রধর মাহাতো যদি তৃণমূলের হয়ে প্রচারে নামেন তাহলে বিজেপির এই আধিপত্য ধাক্কা খেতে বাধ্য। কারন জঙ্গলমহলের মানুষেরা বিশেষ করে আদিনাসী সমাজে এখনও ছত্রধর মাহাতোর প্রভাব রয়েছে। সেই প্তভাব যদি তৃণমূল বিধানসভা নির্বাচনে কাজে লাগায় তাহলে নিঃসন্দেহে তার ফসল জোড়াফুল শিবিরই নিজেদের ঘরে তুলে নিয়ে যাবে। এই জায়গায় দাঁড়িয়ে রাজ্যের অনেকে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের ধারনা তৃণমূলের এই ছত্রধর যোগ ঠেকাতেই ২০০৯ সালে সিপিএম নেতা প্রবীর মাহাতো খুনের ঘটনা ও রাজধানী এক্সপ্রেসের পণবন্দির ঘটনায় ছত্রধরকে নিজেদের হেফাজতে নিতে উদ্যোগী হয় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা বে এনআইএ। মূল লক্ষ্য ছত্রধরের গ্রেফতারি যাতে বিধানসভা নির্বাচনে তিনি তৃণমূলের হয়ে প্রচার করতে না পারেন ও জঙ্গলমহলে বিজেপির আধিপত্যবাদ যেন অটুট থাকে।
 
দেশের রাজনৈতিক দলগুলি দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ করে আসছ যে সিবিআই কেন্দ্রের পোষা তোতাপাখি ভিন্ন আর কিছুই নয়। এখন অনেকে সেই ভূমিকায় এনআইএকেও দেখতে পাচ্ছেন। যে দুটি মামলাকে সামনে রেখে ছত্রধর মাহাতোকে নিজেদের হেফাজতে নিতে রীতিমত ছক কষে এগোচ্ছে এনআইএ তাতেই গত ২৫শে সেপ্টেম্বর ছত্রধর মাহাতোকে এনআইএ’র ব্যাংশাল কোর্টে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়। ছত্রধরবাবু সেদিন কলকাতা গেলেও কোর্টে যাওয়ার আগেই অসুস্থ হয়ে পিয়ারলেস হাসপাতালে ভর্তি হন। এরপরে আবার ডেট দেওয়া হয় ২৮শে সেপ্টম্বর। পরেরদিন লালগড়ে ফিরে আসেন তিনি। এরপর ২৭ তারিখ ঝাড়গ্রাম সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে তাঁর কোভিড টেষ্ট হয়। ২৮ তারিখ সেই টেস্টের রিপোর্ট পজেটিভ আসে। সেই দিনই সেই রিপোর্ট ব্যাংশাল কোর্টে জমা পড়ে। কিন্তু সেই রিপোর্ট নিয়েই সন্দেহ প্রকাশ করে এনআইএ’র আধিকারিকেরা। তাঁরা এই অভিযোগও তোলেন যে শালবনী এলাকার কোনও ঠিকাদারের কাছ থেকে মোটা টাকার বিনিময়ে এই কাজ করেছেন ঝাড়গ্রামের সিএমওএইচ প্রকাশ মিদ্দা।
 
এরপরেই তাঁরা ছত্রধরকে রাষ্ট্রদ্রোহিতার কেসে সহায়তা করার জন্য ঝাড়গ্রামের সিএমওএইচ প্রকাশ মিদ্দাকে তলব করে ব্যাংশাল কোর্টে হাজিরা দিতে নির্দেশ দেয়। এর পরেই ঝাড়গ্রামের সিএমওএইচকে চিঠি পাঠানো হয়। সেই চিঠিতে তাঁকে জানানো হয়েছে এনআইএ তাঁর কাছে কিছু বিষয় জানতে চাইছে। সেই বিষয়গুলিতে টোটাল ক্ল্যরিফিকেশন দিতে হবে প্রকাশ মিদ্দাকে আর সেটা কোর্টে হাজিরা দিয়ে। তদন্তের স্বার্থে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব মেডিক্যাল বোর্ডের সমস্ত নথি এনআইএ’কে জমা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। যে বিষয়গুলি সিএমওএইচ এর কাছ থেকে এনআইএ জানতে চেয়েছে তার সবই ছত্রধর মাহাতোর কোভিড সংক্রান্ত বিষয়ে। যেমন, ডাক্তারের প্রেশকিপসন এবং আরটি পিসিআর টেষ্ট ঝাড়গ্রাম সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল থেকে কী ইস্যু করা হয়েছিল? যে ডাক্তার প্রেসক্রিপশন করেছেন এবং যে ডাক্তার আরটিপিসিআর টেস্টে সাইন করেছেন তাঁদের নাম,  ঠিকানা, মোবাইল নম্বর সহ সমস্ত নথি জমা দেওয়া হয়নি কেন? যে ল্যাব টেকনিশিয়ান ওই টেষ্ট করেছিলেন তাঁর সমস্ত নথি কেন জমা পড়েনি? মেডিকেল বোর্ড গঠন করে ফুলবডি চেকাপ এবং রিপিট টেস্টের কথা বলা হয়েছে কেন? এই সব প্রশ্নের উত্তর চাইছে এনআইএ।

corona 01

More News:

Leave A Comment

Don’t worry ! Your email & Phone No. will not be published. Required fields are marked (*).

এই মুহূর্তে Live

corona 02

Stay Connected

Get Newsletter

Featured News

Advertisement

Comm Ad 026 BM

খিদিরপুর থেকে শুরু করে বেহালা, হরিদেবপুর,

খিদিরপুর থেকে শুরু করে বেহালা, হরিদেবপুর,

মুদিয়ালী ছুঁয়ে সোধপুর পার্ক

মুদিয়ালী ছুঁয়ে সোধপুর পার্ক

বাবুবাগান হয়ে উদ্বোধনের যাত্রা শেষ হল একডালিয়া,

বাবুবাগান হয়ে উদ্বোধনের যাত্রা শেষ হল একডালিয়া,

হিন্দুস্থান পার্ক, ত্রিধারার চত্বরে এসে।

হিন্দুস্থান পার্ক, ত্রিধারার চত্বরে এসে।

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

এক আধটা নয়, পুরো ১১০টি পুজোর উদ্বোধন একঘন্টার মধ্যেই সেরে ফেলে রেকর্ড গড়ে দিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এক আধটা নয়, পুরো ১১০টি পুজোর উদ্বোধন একঘন্টার মধ্যেই সেরে ফেলে রেকর্ড গড়ে দিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

নবান্ন থেকে ভার্চুয়ালি ভাবে রাজ্যের ১২টি জেলার এই ১১০টি পুজোর উদ্বোধন এদিন করে দিলেন তিনি।

নবান্ন থেকে ভার্চুয়ালি ভাবে রাজ্যের ১২টি জেলার এই ১১০টি পুজোর উদ্বোধন এদিন করে দিলেন তিনি।

কখনও দূর্গাস্তোত্র পড়ে, কখনও শাঁখ বাজিয়ে, কখনও বা কাঁসর বাজিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে এদিন দেখা গেল একের পর এক জেলায় পুজোর উদ্বোধন করতে।

কখনও দূর্গাস্তোত্র পড়ে, কখনও শাঁখ বাজিয়ে, কখনও বা কাঁসর বাজিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে এদিন দেখা গেল একের পর এক জেলায় পুজোর উদ্বোধন করতে।

একই সঙ্গে নাম না করেই মাঝে মধ্যে গেরুয়া শিবিরকে খোঁচা দিয়ে তাঁকে মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করতে দেখা গেল যে মা যেন বাংলাকে দাঙ্গা থেকে বাঁচান

একই সঙ্গে নাম না করেই মাঝে মধ্যে গেরুয়া শিবিরকে খোঁচা দিয়ে তাঁকে মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করতে দেখা গেল যে মা যেন বাংলাকে দাঙ্গা থেকে বাঁচান

Voting Poll (Ratio)

Pujo2020-T01

Editors Choice

Comm Ad 006 TBS