Comm Ad 005 TBS

পদত্যাগ করুন অধীর, চাইছেন কংগ্রেসের নেতারাই

Share Link:

পদত্যাগ করুন অধীর, চাইছেন কংগ্রেসের নেতারাই

নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রথম থেকেই তিনি মমতা বিরোধী। তার জেরেই গায়ে তাঁর তকমা লেগে বামবান্ধবের। বাম জমানায় বামেদের বিরোধীতা করে তাঁকে কোনওদিনই যেমন মমতার পাশে দাঁড়াতে দেখা যায়নি, তেমনি সিঙ্গুর ও নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সময়ও তিনি তৃণমূলের পাশে এসে দাঁড়াননি। বরঞ্চ অতি বড় পরিবর্তবের ঝড়ের সময়েও তাঁকে বাম নেতাদের সঙ্গে গলায় গলায় কোলাকুলি করতে দেখা গিয়েছে। পরিবর্তনের পরেও তাঁর মমতা বিরোধীতায় কোনও খামতি পড়েনি। বরঞ্চ তাঁকে দিন কে দিন নতুন উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছেন তিনি। পরিবর্তনের পরে বঙ্গ কংগ্রেসের অনেক নেতাই মমতা বিরোধীতার সুর কমিয়েছেন। অনেকে তো আবার কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়ে নেতা, মন্ত্রী, বিধায়ক, সাংসদও হয়ে গিয়েছেন। কিন্তু তিনি সে পথে তো হাঁটেনইনি, উলটে দিন কে দিন উগ্র মমতা বিরোধীতার পথে হেঁটেছেন। ২০১৬ সালে তাঁর নেতৃত্বেই কংগ্রেস ফিরে পেয়েছিল বাংলায় বিরোধী রাজনৈতিক দলের তকমা। কিন্তু এবারে সেই কংগ্রেসই ভ্যানিশ। এখন কংগ্রেসের অনেক নেতাই মনে করছেন, তিনি মানে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরীর অতিবড় উগ্র মমতা বিরোধীতার জেরেই এ রাজ্যে নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে এই জাতীয় দলটি। তাই তাঁরাও এখন চাইছেন, দাবি তুলেছেন, এই বিপর্যয়ের দায় নিয়ে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগ করুন অধীর রঞ্জন চৌধুরী।
 
২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের সময়ে বামদের সঙ্গে জোট গড়েছিল কংগ্রেস। সেই জোটের মধ্যমণি ছিলেন অধীররঞ্জন চৌধুরী। নেপথ্যে ছিলেন রাহুল গান্ধিও। সেই সময়েই অনেকে বলেছিলেন, কংগ্রেসের এই জোট কংগ্রেসকে লাভবান অপেক্ষা ক্ষতির মুখ দেখাবে বেশি। ভোটের ফলাফলে সেই আশঙ্কাই বাস্তবায়িত হয়েছিল। দক্ষিনবঙ্গের কংগ্রেস ভোট চলে এসেছিল তৃণমূলের ঝুলিতে। তবে বামেদের কাঁধে ভর দিয়ে কংগ্রেস বাংলায় ৪৪টি আসন পেয়ে ফিরে পেয়েছিল বিরোধী রাজনৈতিক দলের তকমা যা তৃণমূলের জন্মের পরে হারিয়ে ফেলেছিল কংগ্রেস। কার্যত এই তকমা ফেরতের পর থেকেই মমতা বিরোধীতাকে আরও বাড়িয়ে তুলেছিলেন অধীরবাবু। যদিও কংগ্রেসের একাধিক বিধায়ক পরবর্তীকালে তৃণমূলে চলে আসেন। একই সঙ্গে ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে আগেপরে করে বাংলাজুড়ে বিজেপি দাপট দেখাতে শুরু করলেও অধীরবাবু কিছুতেই তাঁর মমতা বিরোধীতার জায়গা থেকে সরে আসতে চাননি। দিনকে দিন বাড়িয়ে গিয়েছেন তাঁর মমতা বিরোধীতার পালা। দলকেও টেনে নিয়ে গিয়েছেন সেই পথে। এক এক সময় অধীরবাবু বা প্রদেশ কংগ্রেসের তরফে মমতা বা তৃণমূল কিংবা রাজ্য সরকারের প্রতি সমালোচনা শুনে এটা বোঝা যেত না যে ঠিক কারা সমালোচনা করছে, কংগ্রেস না বিজেপি।  
 
এরই নিট রেজাল্ট, একুশের ভোটে বাংলা থেকে ধুয়ে সাফ কংগ্রেস। রাজ্য রাজনীতিতে তথাকথিত কংগ্রেসী গড় হিসাবে পরিচিত ছিল যে সব এলাকা বা জেলা সেই মুর্শিদাবাদ, মালদা, উত্তর দিনাজপুরে ধুয়ে মুছে সাফ কংগ্রেস। জেলা গিয়েছে তৃণমূলের দখলে। সঙ্গে গিয়েছে সংখ্যালঘু ভোট। উল্টে অধীরবাবুর খাস তালুক বহরমপুর ও মুর্শিদাবাদে ফুটেছে পদ্মফুল। অর্থাৎ অধীরবাবুরকে তাঁর নিজ গড়ের লোকেরাই আর সমর্থন করেননি। একই অবস্থা মালদা ও উত্তর দিনাজপুরেও। সেখানেও কিছু আসনে পদ্ম ফুটেছে কিন্তু কংগ্রেসকে কেউ ভোট দেয়নি। সবাই ফিরিয়েছে মুখ। একুশের ভোটে মমতার জয়ের পরে পরেই জাতীয় স্তরের অনেক কংগ্রেস নেতাই ফোন করে অভিনন্দন জানিয়েছেন মমতাকে। তাঁরাই এখন প্রকাশ্যে বাংলায় কংগ্রেসের বিপর্যয়ের জন্য অধীরবাবুকেই কাঠগড়ায় তুলছেন তাঁর অতিবড় মমতা বিরোধীতার কারনে। তাঁরা সাফ জানাচ্ছেন, বিজেপিকে ঠেকাতে যখন মমতার পাশে দাঁড়ানোর প্রয়োজন ছিল, যখন মমতার হাত শক্ত করার প্রয়োজন ছিল, তখন উল্টো পথে হেঁটেছেন অধীরবাবু। তাঁর উগ্র মমতা বিরোধীতার জেরেই মানুষ কংগ্রেস থেকে মুখ ফিরিয়ে তৃণমূলকে ভোট দিয়েছেন বিজেপির আগ্রাসন ঠেকাতে। দলের ৯ শতাংশ ভোট এবারের ভোটে চলে গিয়েছে তৃণমূলের বাক্সে। তার জেরেই রাজ্যের বিরোধী রাজনৈতিক দলের আসন থেকে বাংলায় একদম ভ্যানিশ হয়ে গিয়েছে কংগ্রেস। এর দায় অধীরবাবুকেই নিতে হবে। তাঁর জন্যই এই বিপর্যয়। তাঁকে পদত্যাগ করতে হবে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির পদ থেকে। এই দাবি শুধু যে জাতীয় স্তরের কংগ্রেস নেতারা তুলেছেন তা নয়, বাংলার অনেক কংগ্রেসী নেতারও এটাই দাবি।  

Brand-Promo-tmc-win2

More News:

Leave A Comment

Don’t worry ! Your email & Phone No. will not be published. Required fields are marked (*).

এই মুহূর্তে Live

Comm Ad 008 Myra

Stay Connected

Get Newsletter

Featured News

Advertisement

Comm Ad 2020-LDC Momo

পূর্বস্থলী ১ নং ব্লকের দক্ষিণ শ্রীরামপুর বাজার স্যানিটাইজেশনে নামলেন বিধায়ক স্বপন দেবনাথ

পূর্বস্থলী ১ নং ব্লকের দক্ষিণ শ্রীরামপুর বাজার স্যানিটাইজেশনে নামলেন বিধায়ক স্বপন দেবনাথ

নির্বাচনের সময় থেকেই করোনা সচেতনতা প্রচারে জোর দিয়েছেন বিদায়ী মন্ত্রী

নির্বাচনের সময় থেকেই করোনা সচেতনতা প্রচারে জোর দিয়েছেন বিদায়ী মন্ত্রী

করোনা নিয়ে নিজের বিধানসভার একাধিক এলাকায় সচেতনতা প্রচার চালিয়েছেন স্বপন দেবনাথ

করোনা নিয়ে নিজের বিধানসভার একাধিক এলাকায় সচেতনতা প্রচার চালিয়েছেন স্বপন দেবনাথ

কোভিড বিধি মেনেই কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬০ তম জন্মবার্ষিকী পালন করলেন স্বপন দেবনাথ

কোভিড বিধি মেনেই কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬০ তম জন্মবার্ষিকী পালন করলেন স্বপন দেবনাথ

নিজের এলাকাতেই ২৫ শে বৈশাখ উদযাপন করেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী

নিজের এলাকাতেই ২৫ শে বৈশাখ উদযাপন করেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী

স্বামী করণ সিং গ্রুভারের সঙ্গে ছুটি কাটানোর ছবি পোস্ট করেছেন বিপাশা

স্বামী করণ সিং গ্রুভারের সঙ্গে ছুটি কাটানোর ছবি পোস্ট করেছেন বিপাশা

বিকিনিতে নিজের অনুরাগীদের মনে উষ্ণতা ছড়াচ্ছেন বিপাশা বসু

বিকিনিতে নিজের অনুরাগীদের মনে উষ্ণতা ছড়াচ্ছেন বিপাশা বসু

মলদ্বীপে খোশমেজাজে রয়েছেন বিপাশা

মলদ্বীপে খোশমেজাজে রয়েছেন বিপাশা

বিপাশার বিকিনি পরা ছবি দেখে বলাই যায় বয়স সংখ্যামাত্র

বিপাশার বিকিনি পরা ছবি দেখে বলাই যায় বয়স সংখ্যামাত্র

হাতে কাজ না থাকায় দাম্পত্য জীবন উপভোগ করছেন বঙ্গতনয়া

হাতে কাজ না থাকায় দাম্পত্য জীবন উপভোগ করছেন বঙ্গতনয়া

সরকারের হাত ধরে সল্টলেকের বুকে চালু হয়েছে প্রাণী স্বাস্থ্যকেন্দ্র। যেখানে মিলবে পোষ্যদের চিকিৎসা পরিষেবা।

সরকারের হাত ধরে সল্টলেকের বুকে চালু হয়েছে প্রাণী স্বাস্থ্যকেন্দ্র। যেখানে মিলবে পোষ্যদের চিকিৎসা পরিষেবা।

সল্টলেকের প্রাণী সম্পদ বিকাশ ভবন প্রাঙ্গণেই এই নতুন প্রাণী স্বাস্থ্যকেন্দ্রের এদিন উদ্বোধন করেছেন রাজ্যের প্রাণী সম্পদ বিকাশ দফতরের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ।

সল্টলেকের প্রাণী সম্পদ বিকাশ ভবন প্রাঙ্গণেই এই নতুন প্রাণী স্বাস্থ্যকেন্দ্রের এদিন উদ্বোধন করেছেন রাজ্যের প্রাণী সম্পদ বিকাশ দফতরের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ।

এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের প্রাণী সম্পদ বিকাশ দফতরের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ ও স্থানীয় বিধায়ক তথা রাজ্যের দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু।

এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের প্রাণী সম্পদ বিকাশ দফতরের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ ও স্থানীয় বিধায়ক তথা রাজ্যের দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু।

এই পশু স্বাস্থ্যকেন্দ্রে মিলবে ইসিজি, আল্ট্রাসোনোগ্রাফি, রক্ত সিরামের বিভিন্ন পরীক্ষা, পরজীবী সংক্রমণ সংক্রান্ত খুঁটিনাটি বিশ্লেষণ, আধুনিক শল্য চিকিৎসার যাবতীয় সুযোগসুবিধা।

এই পশু স্বাস্থ্যকেন্দ্রে মিলবে ইসিজি, আল্ট্রাসোনোগ্রাফি, রক্ত সিরামের বিভিন্ন পরীক্ষা, পরজীবী সংক্রমণ সংক্রান্ত খুঁটিনাটি বিশ্লেষণ, আধুনিক শল্য চিকিৎসার যাবতীয় সুযোগসুবিধা।

 আগামী দিনে এই স্বাস্থ্য কেন্দ্রে মিলবে পোষ্যদের চোখ, কান ও দাঁতের পরীক্ষা পরিষেবাও।

আগামী দিনে এই স্বাস্থ্য কেন্দ্রে মিলবে পোষ্যদের চোখ, কান ও দাঁতের পরীক্ষা পরিষেবাও।

প্রায় ১ কোটি টাকা ব্যায়ে এই নবনির্মিত পশু চিকিৎসালয় তৈরি করা হয়েছে।

প্রায় ১ কোটি টাকা ব্যায়ে এই নবনির্মিত পশু চিকিৎসালয় তৈরি করা হয়েছে।

সারা রাজ্যে প্রাণী সম্পদ বিকাশ দফতরের অধীনে ১০৪টি রাজ্য প্রাণী স্বাস্থ্যকেন্দ্র, ৮টি পলিক্লিনিক, ৩৪২টি ব্লক প্রাণী স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও ২৭২টি অতিরিক্ত ব্লক প্রাণী স্বাস্থ্য কেন্দ্র চালু থাকলো বাংলার বুকে।

সারা রাজ্যে প্রাণী সম্পদ বিকাশ দফতরের অধীনে ১০৪টি রাজ্য প্রাণী স্বাস্থ্যকেন্দ্র, ৮টি পলিক্লিনিক, ৩৪২টি ব্লক প্রাণী স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও ২৭২টি অতিরিক্ত ব্লক প্রাণী স্বাস্থ্য কেন্দ্র চালু থাকলো বাংলার বুকে।

সল্টলেক ও আশেপাশের এলাকার বাসিন্দাদের কাছে বিশেষ করে যাদের বাড়িতে ছোট পোষ্য থাকে তাঁদের ক্ষেত্রে অনেকটাই সমস্যার সমাধান হয়ে যেতে চলেছে এই নবনির্মীত প্রাণী স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি।

সল্টলেক ও আশেপাশের এলাকার বাসিন্দাদের কাছে বিশেষ করে যাদের বাড়িতে ছোট পোষ্য থাকে তাঁদের ক্ষেত্রে অনেকটাই সমস্যার সমাধান হয়ে যেতে চলেছে এই নবনির্মীত প্রাণী স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি।

Voting Poll (Ratio)

Comm Ad 2020-LDC Momo
Comm Ad 026 BM