2020 New Ad HDFC 04

ভরা হাটে ফাঁস হল বিজেপির কেচ্ছা! কর্মী খুনে মুখ পুড়লো গেরুয়ার

Share Link:

ভরা হাটে ফাঁস হল বিজেপির কেচ্ছা! কর্মী খুনে মুখ পুড়লো গেরুয়ার

নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজ্যে একের পর জেলায় দিনের পর দিন খুন হচ্ছেন বা অস্বাভাবিক ভাবে মারা যাচ্ছেন বিজেপির একের পর এক নেতাকর্মী। আর প্রতিটি ঘটনার পরে পরেই বিজেপির তরফে অভিযোগ তোলা হচ্ছে যে রাজ্যের শাসক দলের আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বা শাসকদলের কর্মীরা এইসব খুনের ঘটনা ঘটাচ্ছে। একই সঙ্গে বেশ পরিকল্পিত ভাবে এই সব খুনের পরে পরেই এলাকায় বনধ ঢাকার পাশাপাশি সেখানকার পরিস্থিতি উত্তপ্ত করে তোলার ধারাবাহিক ছক যেমন চোখে পড়ছিল ঠিক তেমনি চোখে পড়ছিল বিজেপির এইসব কর্মী বা নেতাখুনের ঘটনায় রাজ্যপালের কদর্য ভূমিকা। তিনিও রাজভবনে বসে বিজেপির সুরে সুর মিলিয়ে রাজ্যের শাসক দল, সরকার ও প্রশাসনকে আক্রমণ শানিয়ে চলছিলেন। কিন্তু এবারে একই সঙ্গে দু-দুটি ঘটনায় প্রকাশ্য চলে এল বিজেপির নেতাকর্মীদের খুনের আসল রহস্য। দুর্গাপুর ও কোচবিহারের দুই ঘটনা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল কীভাবে বিজেপি খুনের রাজনীতি, লাশের রাজনীতি করে চলেছে।
 
পশ্চিম বর্ধমান জেলার দুর্গাপুর মহকুমার ফরিদপুর ব্লকের পারুলিয়া এলাকার বাসিন্দা স্বরূপ মাহাতো(৩০) চলতি মাসের ৭ তারিখে নিখোঁজ হয়ে যায়। সে সক্রিয় বিজেপি কর্মী ছিল। পরেরদিন দুর্গাপুর থানা এলাকার লাউদোহায় মেলে তাঁর ক্ষতবিক্ষত দেহ। সেই ঘটনার জেরে বিজেপি সর্মথকরা দুর্গাপুর থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখায়। সেই বিক্ষোভে আবার অংশ নিয়েছিলেন দলের জেলা সভাপতি লক্ষ্ণণ ঘড়ুই, রাজ্য নেতা রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়ও। খুনের ঘটনায় জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবিও জানান তাঁরা। তাঁদের অভিযোগ ছিল স্বরূপ বিজেপি কর্মী ছিল বলেই তাঁকে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা খুন করেছে। কিন্তু পুলিশ ঘটনার তদন্তে নামতেই দেখা গেল গোটা ঘটনার সঙ্গে রাজনীতির কোনই যোগই নেই। সম্পত্তিগত বিবাদের জন্য স্বরূপের মা আর দাদা সুপারি কিলার দিয়ে ওই খুন করিয়েছে। সেই কাজে আবার জড়িত ছিল আরও এক বিজেপি কর্মী ও তার স্ত্রী। বুধবারই এই ঘটনায় পুলিশ স্বরূপের মা সুলোচনা মাহাতো, স্বরূপের দাদা অরূপ মাহাতো, বিজেপি কর্মী সুদয় মাহাতো ও তার স্ত্রীকে গ্রেফতার করে আদালতে তোলে। বিচারক সুদয়কে পুলিশি হেফাজত ও বাকিদের জেল হেফাজতে পাঠিয়েছেন। অথচ এই খুনের ঘটনার জেরেই বিজেপি বাজার ভারী করছিল তৃণমূলের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ তুলে।
 
অপর একটি ঘটনা ঘটেছে কোচবিহার জেলায়। সেখানে তুফানগঞ্জ মহকুমার নাককাটিগছ গ্রাম পঞ্চায়েতের পূর্ব শিকারপুরে কালিপুজোয় চাঁদা তোলাকে কেন্দ্র করে দিও ক্লাবের মধ্যে লাগা বিবাদের জেরে বেশ জোরদার সংঘর্ষ বেধে যায় এলাকায়। সেই সময় গণধোলাইয়ে মারা যান এক বিজেপি কর্মী কালাচাঁদ কর্মকার। মূল ঘটনাটি ২-৩ আগে হলেও এদিনই ওই বিজেপি কর্মীর মৃত্যুর ঘটনাটি ঘটে। এরপরেই যথারীতি মাঠে নেমে পড়ে গেরুয়া শিবির। অভিযোগ তোলা হয় তৃণমূলের লোকেরা ওই খুনের ঘটনা ঘটিয়েছে। এমনকি এলাকায় পা না দিয়েই আসানসোলের বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়াতে লিখে দিলেন, ‘কোচবিহারে বিজেপির বুথ সম্পাদক কালাচাঁদ কর্মকারকে তৃণমূলের গুন্ডা বাহিনী পিটিয়ে হত্যা করেছে, কিন্তু প্রশাসন চোখে কাপড় বেঁধে রেখেছে কোনও পদক্ষেপ না নিয়ে। খুব শীঘ্রই মানুষ এর জবাব দেবে এই অহংকারী সরকারকে।’
 
যদিও স্থানীয় বাসিন্দা ও এই ঘটনায় আহত অপর দুই ব্যক্তি বিপ্লব কর্মকার ও পরিমল বর্মন পুলিশকে জানিয়েছে, চাঁদা তোলা ও কালিপুজোর ভাসানকে কেন্দ্র করে দুটি ক্লাবের মধ্যে বিবাদের জেরেই এই ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনার সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগ নেই। কার্যত এভাবেই দেখা যাচ্ছে বিজেপির কেউ মারা গেলেই সেই ঘটনাকে খুনের ঘটনায় রূপান্তরিত করে তৃণমূলের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলছে বিজেপি। শুধু তাই নয়, সেই সব ঘটনাকে রীতিমতো রাজনীতির মোড়কে মুড়ে বনধ ঢাকা, রাস্তা অবরোধ করে, বিক্ষোভ দেখানো, মিছিল বার করা, থানা ঘেরাও করা সবই করে চলেছে তারা। সঙ্গে দোসর রাজভবনের লাটসাহেব। কার্যত খুনের আর লাশের রাজনীতি শুরু করে দিয়েছে গেরুয়া শিবির।

corona 01

More News:

Leave A Comment

Don’t worry ! Your email & Phone No. will not be published. Required fields are marked (*).

এই মুহূর্তে Live

Comm Ad 008 Myra

Stay Connected

Get Newsletter

Featured News

Advertisement

Comm Ad 2020-LDC Egg

খিদিরপুর থেকে শুরু করে বেহালা, হরিদেবপুর,

খিদিরপুর থেকে শুরু করে বেহালা, হরিদেবপুর,

মুদিয়ালী ছুঁয়ে সোধপুর পার্ক

মুদিয়ালী ছুঁয়ে সোধপুর পার্ক

বাবুবাগান হয়ে উদ্বোধনের যাত্রা শেষ হল একডালিয়া,

বাবুবাগান হয়ে উদ্বোধনের যাত্রা শেষ হল একডালিয়া,

হিন্দুস্থান পার্ক, ত্রিধারার চত্বরে এসে।

হিন্দুস্থান পার্ক, ত্রিধারার চত্বরে এসে।

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

Voting Poll (Ratio)

Comm Ad 026 BM

Editors Choice

2020 New Ad HDFC 05