Comm Ad 2020-LDC epic

র‍্যাপিড টেস্টকে ঘিরে অশান্তি ছড়াচ্ছে জলপাইগুড়ি শহরে! উদ্বিগ্ন প্রশাসন

Share Link:

র‍্যাপিড টেস্টকে ঘিরে অশান্তি ছড়াচ্ছে জলপাইগুড়ি শহরে! উদ্বিগ্ন প্রশাসন

নিজস্ব প্রতিনিধি: পুজোর মুখে যাতে জেলায় কোভিডের প্রকোপ না বাড়ে তার জন্য সদর শহরের বুকে থাকা বাজার ও শপিং মলগুলিতে র‍্যাপিড কোভিড টেস্ট শুরু করেছিলে জেলার স্বাস্থ্য দফতরের কর্মীরা। তার জেরে অশান্তি ছড়াতে পারে সেটা আঁচ করেই স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিক ও সিভিল ভলেন্টিয়াররাও ছিল প্রথম থেকেই। তবুও অশান্তি ঠেকানো যাচ্ছে না। প্রতিদিনই এই টেস্ট ঘিরে অশান্তি বাঁধছে হয় আমজনতার সঙ্গে নাহয় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে। শনিবার দুপুরে সেই অশান্তি কার্যত চরমে গিয়ে পৌঁছায়। র‍্যাপিড টেস্টে বাধা দেন ব্যাবসায়ীরা। স্বাস্থ্য কর্মীদের আটকে রেখে চলে বিক্ষোভ। ঘটানাস্থল উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ি শহর।
 
অক্টোবর মাস থেকেই জলপাইগুড়ি জেলায় কোভিডের প্রকোপ বাড়তে শুরু করেছে। এদিকে হাতেগোনা কয়েকটা দিন মাত্র বাকি পুজোর। শনিবার রাজ্য সরকার যে কোভিড তথ্য প্রকাশ করেছে তাতেই বেশ উদ্বেগের ছবি ধরা পড়ে জলপাইগুড়ি জেলার ক্ষেত্রে। জেলায় এখনও পর্যন্ত কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন ৭ হাজার ৫১১জন। এর মধ্যে মারা গিয়েছেন ৭৪জন। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৬ হাজার ৬২৪জন। শেষ ২৪ ঘন্টায় জেলায় কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন ১১৮জন। মারা গিয়েছেন ২জন। জেলায় সক্রিয় কোভিড কেস রয়েছে ৮১৩টি। এই রকম অবস্থায় যাতে জেলায় কোনও ভাবেই কোভিড বেশি না ছড়ায় তার জন্যই এই র‍্যাপিড টেস্ট শুরু করেছিল জেলা স্বাস্থ্য দফতর। যেহেতু পুজোর মুখে জলপাইগুড়ি শহরের দোকানবাজার থেকে শপিংমলে ভিড় বেশি হচ্ছে তাই এই জায়গাগুলিতেই নিত্যদিন অভিযান চালাচ্ছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। যিনি টেস্টে পজিটিভ আসছেন তাঁকে আর বাড়ি যেতে দেওয়া হচ্ছে না। সোজা সেফ হোম বা কোভিড হসপিটালে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু সমস্যা দেখা দেয় আমজনতা যেমন এইভাবে টেস্ট করতে তীব্র আপত্তি জানান তেমনি আপত্তি তোলেন ব্যবসায়ীরা।
 
কার্যত শুক্রবার সন্ধ্যা থেকেই এই নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে টানাপোড়েন শুরু হয়ে যায়। জলপাইগুড়ি শহরের দিনবাজার সংলগ্ন পি সি শর্মা মোড়ে কয়েকজনের মুখে মাস্ক না থাকায় তাঁদের ধরে স্বাস্থ্যকর্মীরা করোনা পরীক্ষা করাতে গেলে বাধা দেন স্থানীয় ব্যাবসায়ীদের একাংশ। তারা পিপিই কিট পড়া স্বাস্থ্য কর্মীদের আটকে রেখে রাস্তায় বসে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে আসে পুলিশ। আসেন কোভিড নোডাল অফিসার ডাক্তার চঞ্চল ভুইয়া। তখনকার মতো ঝামেলা মিটলেও শনিবার সকাল থেকে দফায় দফায় সেই সমস্যা আবারও শুরু হয়। স্বাস্থ্য দফতরের কর্মীদের আটকে রেখে বিক্ষোভ শুরু করেন ব্যবসায়ীরা। তার জেরে ব্যাবসায়ী সমিতির পক্ষে অঞ্জন সরকার অভিযোগ করে বলেন, ‘স্বাস্থ্য দফতর একপ্রকার ভীতি প্রদর্শন করে মানুষকে বাজার থেকে সরিয়ে দিচ্ছে। এটা চলতে পারে না। আমরা করোনা পরীক্ষার বিরোধী নই। তাই প্রশাসনের কাছে আমাদের অনুরোধ আপনারা আমাদের সাথে বসে সুনির্দিষ্ট গাইড লাইন বানান। আমরা আপনাদের সহযোগিতা করব। লাগাতার  লকডাউনে আমাদের ব্যাবসা লাটে উঠেছে। এখন পূজোর মুখে দোকানে কিছু খরিদ্দার আসছে। এইভাবে ধরে ধরে পরীক্ষা করালে খরিদ্দাররা আর আসবেন না। তাতে আমাদের ক্ষতি আরও বাড়বে। স্বাস্থ্য দফতর যেন বিশেষ ক্যাম্প করে এই পরীক্ষা করে। তাতে আমরাই স্বাস্থ্য দফতরকে সাহায্য করব।’   

Comm Ad 2020-LDC epic

More News:

Leave A Comment

Don’t worry ! Your email & Phone No. will not be published. Required fields are marked (*).

এই মুহূর্তে Live

corona 02

Stay Connected

Get Newsletter

Featured News

Advertisement

Comm Ad 008 Myra

খিদিরপুর থেকে শুরু করে বেহালা, হরিদেবপুর,

খিদিরপুর থেকে শুরু করে বেহালা, হরিদেবপুর,

মুদিয়ালী ছুঁয়ে সোধপুর পার্ক

মুদিয়ালী ছুঁয়ে সোধপুর পার্ক

বাবুবাগান হয়ে উদ্বোধনের যাত্রা শেষ হল একডালিয়া,

বাবুবাগান হয়ে উদ্বোধনের যাত্রা শেষ হল একডালিয়া,

হিন্দুস্থান পার্ক, ত্রিধারার চত্বরে এসে।

হিন্দুস্থান পার্ক, ত্রিধারার চত্বরে এসে।

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

এক আধটা নয়, পুরো ১১০টি পুজোর উদ্বোধন একঘন্টার মধ্যেই সেরে ফেলে রেকর্ড গড়ে দিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এক আধটা নয়, পুরো ১১০টি পুজোর উদ্বোধন একঘন্টার মধ্যেই সেরে ফেলে রেকর্ড গড়ে দিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

নবান্ন থেকে ভার্চুয়ালি ভাবে রাজ্যের ১২টি জেলার এই ১১০টি পুজোর উদ্বোধন এদিন করে দিলেন তিনি।

নবান্ন থেকে ভার্চুয়ালি ভাবে রাজ্যের ১২টি জেলার এই ১১০টি পুজোর উদ্বোধন এদিন করে দিলেন তিনি।

কখনও দূর্গাস্তোত্র পড়ে, কখনও শাঁখ বাজিয়ে, কখনও বা কাঁসর বাজিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে এদিন দেখা গেল একের পর এক জেলায় পুজোর উদ্বোধন করতে।

কখনও দূর্গাস্তোত্র পড়ে, কখনও শাঁখ বাজিয়ে, কখনও বা কাঁসর বাজিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে এদিন দেখা গেল একের পর এক জেলায় পুজোর উদ্বোধন করতে।

একই সঙ্গে নাম না করেই মাঝে মধ্যে গেরুয়া শিবিরকে খোঁচা দিয়ে তাঁকে মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করতে দেখা গেল যে মা যেন বাংলাকে দাঙ্গা থেকে বাঁচান

একই সঙ্গে নাম না করেই মাঝে মধ্যে গেরুয়া শিবিরকে খোঁচা দিয়ে তাঁকে মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করতে দেখা গেল যে মা যেন বাংলাকে দাঙ্গা থেকে বাঁচান

Voting Poll (Ratio)

Comm Ad 2020-LDC Egg

Editors Choice

Comm Ad 2020-LDC Momo