Comm Ad 2020-LDC Haringhata Meet

শিক্ষকের আত্মহত্যার ঘটনায় উত্তপ্ত ইসলামপুর! অবরুদ্ধ জাতীয় সড়ক

Share Link:

শিক্ষকের আত্মহত্যার ঘটনায় উত্তপ্ত ইসলামপুর! অবরুদ্ধ জাতীয় সড়ক

নিজস্ব প্রতিনিধি: মিথ্যা অভিযোগ তুলে শিক্ষককে চাপ দেওয়া হচ্ছিল তাঁরই কোচিং সেন্টারের এক ছাত্রীকে বিয়ে করার জন্য। এমনকি সালিশি সভা বসিয়ে নিদান দেওয়া হয় বিয়ে করার জন্য। সেই নিদান মেনে বিয়ের আয়োজনও সেরে ফেলা হয়। কিন্তু বিয়ে করতে যাননি ওই শিক্ষক। পরিবর্তে চলন্ত ট্রেনের সামনে ঝাঁপ দিয়ে নিজেকে শেষ করে ফেলেন ওই শিক্ষক। আর এই ঘটনার জেরেই এবার উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে উত্তর দিনাজপুর জেলার ইসলামপুর মহকুমার গাইসাল এলাকা। ঘটনার জেরে ৪-৫জন স্থানীয় নেতার দিকে চক্রান্তের অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দা থেকে মৃত শিক্ষকের পরিবার। আর এদের গ্রেফতারির দাবিতেই এদিন সকাল থেকেই শুরু হয়েছে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক দফায় দফায় অবরোধ।    
 
জানা গিয়েছে, গাইসালের ধানতলায় একটি কোচিং সেন্টারের বিজ্ঞানের শিক্ষক ছিলেন বছর তেইশের মুজ্জাকির ইসলাম। সপ্তাহখানেক আগে ওই কোচিং সেন্টারে কলেজের প্রথম বর্ষের এক ছাত্রী ওই শিক্ষকের ঘাড়ে হাত দেওয়া অবস্থায় ভিডিও রেকর্ডিং করে। তারপর ওই ছাত্রীকে বিয়ে করার জন্য শিক্ষকের উপর চাপ তৈরি করা হয়। কিন্তু বিয়েতে রাজি হননি শিক্ষক। তার জেরে ধানতলার কোচিং সেন্টারে ভাঙচুর করে কম্পিউটারে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। আতঙ্কিত হয়ে পড়েন শিক্ষক। এই পরিস্থিতিতে শুক্রবার গাইসল পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী মহম্মদ সাব্বির আহমেদের উদ্যোগে সালিশি সভা বসে। উপস্থিতি ছিলেন ওই পঞ্চায়েতের সদস্য মহম্মদ কাইজার আলম-সহ জেলা পরিষদের সহকারী সভাধিপতি ফারহাত বানুর স্বামী জাভেদ আখতার এবং পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য জাফরুল ইসলাম। সালিশি সভায় ওই শিক্ষককে বিয়ে করার নিদান দেওয়া হয়। রবিবার ওই ছাত্রীর বিয়ের আয়োজনও করা হয়। তবে বিয়ে করতে যাননি মুজ্জাকির। সোমবার রাতে বাড়ি থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে গাইসোল রেললাইন থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার করা হয়। মনে করা হচ্ছে চলন্ত ট্রেনের সামনে ঝাঁপ দিয়ে তিনি আত্মঘাতী হয়েছেন।  
 
এই ঘটনার জেরে এদিন সকাল থেকেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে গাইসাল এলাকা। এই ঘটনায় অভিযুক্তদের গ্রেফতারির দাবিতে ইসলামপুরে দফায় দফায় জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। মুজ্জাকির ইসলামের মামা হাসালুন হকের অভিযোগ, ‘জোর করে প্রধান আর জেলা পরিষদের প্রাক্তন সদস্য ভাগ্নেকে বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। ভিডিও ভাইরাল করে বিয়ে করতে চাপ দেয়। সেটা সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়েছে।’ মৃত শিক্ষকের বাবা দবিরুল ইসলামপুরের অভিযোগ, ‘আমার ছেলেকে ফাঁসিয়ে জোর করে বিয়ে দেওয়ার চক্রান্ত চলছিল। সেটা সহ্য করতে না পেরে অপমানিত হয়ে রেললাইনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। দোষীদের শাস্তি চাই।’ ইসলামপুর পুলিশ জেলার সুপার শচীন মক্কার বলেন, ‘দেহ নিয়ে পথ অবরোধ চলছিল। পরে দেহ সরিয়ে নেওয়া হলেও বেশ কয়েকবারই অবরোধ হয়েছে। তবে মৃতের পরিবার তরফে অভিযোগ পেলে নিশ্চয়ই তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

2020 New Ad HDFC 04

More News:

Leave A Comment

Don’t worry ! Your email & Phone No. will not be published. Required fields are marked (*).

এই মুহূর্তে Live

2020 New Ad HDFC 05

Stay Connected

Get Newsletter

Featured News

Advertisement

Comm Ad 006 TBS

কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের  সমাপ্তি অনুষ্ঠান

কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের সমাপ্তি অনুষ্ঠান

#

#

#

#

Voting Poll (Ratio)

2020 New Ad HDFC 05
Comm Ad 2020-WBSEDCL RC