2020 New Ad HDFC 04

ক্ষমতা ধরে রাখার দ্বন্দ্বে কী কোনঠাসা দিলীপ! যুবমোর্চা কাণ্ডে উঠছে প্রশ্ন

Share Link:

ক্ষমতা ধরে রাখার দ্বন্দ্বে কী কোনঠাসা দিলীপ! যুবমোর্চা কাণ্ডে উঠছে প্রশ্ন

নিজস্ব প্রতিনিধি: নামেই গণতন্ত্র, বাস্তবে স্বৈরাচারের চূড়ান্ত। এখন বিজেপির প্রসঙ্গে সারা দেশের মানুষ এই কথাই বলছে। তারই জলজ্যান্ত নমুনা এবার মিললো বঙ্গ বিজেপির অন্দরে। রাজ্য বিজেপির সব কমিটি এক দেড় মাস আগেই নতুন করে সাজানো হয়েছে। সেই সাজানোর কাজে রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষের মতামতকে বেশ গুরুত্বই দিয়েছিলেন দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। কিন্তু এখন শোনা যাচ্ছে ও কিছুটা দেখা যাচ্ছে যে রাজ্য বিজেপিতে ক্রমশই শক্তিশালী হয়ে উঠছে মুকুল-কৈলাস শিবির। আর তার জেরেই ক্রমশ ক্ষমতা হারাচ্ছে দিলীপ গোষ্ঠী। এরই হাতেগরমের প্রমাণ মিললো বিজেপির যুব মোর্চার সবকটি জেলার সব কমিটি ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্তে। একই সঙ্গে এটাও প্রকাশ্যে চলে এল যে রাজ্য বিজেপির অন্দরে কার্যত ক্ষমতা দখলের লড়াউ চূড়ান্ত আকার ধারন করেছে দিলীপ গোষ্ঠীর সঙ্গে কৈলাস-মুকুল গোষ্ঠীর।

ঠিক হয়েছেটা কী? রাজ্য বিজেপির কমিটি গঠন হওয়ার সময় দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব বেশ গুরুত্ব দিয়েছিল দিলীপ ঘোষের মতামত। সেখানে অন্য কারও মতামত প্রধান্য পায়নি। এমনকি সংঘেরও নয়। কিন্তু পরবর্তীকালে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব দলের তরফে কতা এক সমীক্ষায় জানতে পারে যে দিলীপ গোষ্ঠীর নেতাদের ধারাবাহিক হুমকি, ধমকি, বিতর্কিত মন্তব্য, চারিত্রিক অধ্বপতন, নানান দুর্নীতি, অপরাধমূলক কাজকর্মের দৌলতে দলের ভাবমূর্তি কার্যত তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। একই সঙ্গে তৃণমূল থেকে আসা নেতানেত্রীরা প্রথমদিকে দিলীপ ঘনিষ্ঠ থাকলেও নানা কারনে তাঁরাও দিলীপ গোষ্ঠী থেকে দূরত্ব রেখে চলেছেন। এই অবস্থায় দলের তরফে কিছু না করলে আগামী বিধানসভা নির্বাচনে দলকে খারাপ ফলের মুখে দাঁড়াতে হবে। এরপরেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে গুরুত্ব বেড়ে যায় মুকুল রায়ের। কারন মাস দুই আগে দিল্লিতে হওয়া রাজ্য বিজেপির এক বৈঠকে মুকুল সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন আগামী বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি এই রাজ্যে ৫০টির বেশি আসন পাবে না যেখানে দিলীপ ঘোষের দাবি ছিল সেই সংখ্যা ১৯০ এর আশেপাশে থাকবে। দলের সমীক্ষায় কিন্তু মুকুলের অনুমানই প্রতিষ্ঠা পেয়েছে।

এরপরেই শুরু হয় রাজ্য বিজেপিতে মুকুলের কথামতো তার পছন্দের ব্যক্তিদের নানান দায়িত্বপ্রদান ও পদে বসানোর পালা। এদের বেশির ভাগই আবার তৃণমূল থেকে আসা। কার্যত এটাই ছিল রাজ্য বিজেপিতে দিলীপ ঘোষের নিয়ন্ত্রণ রাশ আলগা হওয়ার পালা শুরু। তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যাওয়া সৌমিত্র খান ছিল দিলীপের খুবই ঘনিষ্ঠ। কার্যত সেই ঘনিষ্ঠতার সুবাদেই সৌমিত্র রাজ্য বিজেপি যুবমোর্চার সভাপতি হয়ে যান। কিন্তু তিনি যখন যুবমোর্চার জেলাস্তরের সংগঠন নিজের মতো করে সাজাতে যান তখনই তাঁর সঙ্গে বিবাদ লাগে দিলীপ ঘোষের। যুবমোর্চার কোন নেতা কোন জেলার দায়িত্ব পাবেন তা সৌমিত্র দলেরই হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে জানিয়েছিলেন। কিন্তু সেই তালিকা রাতারাতি বাতিল করে দিয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ। পরিবর্তে নিজের পছন্দমতন লোক বসিয়েছিলেন তিনি। তা নিয়ে সৌমিত্রের সঙ্গে তাঁর দেশ দূরত্ব তৈরি হয়ে যায়। সৌমিত্রকেও সেইভাবে যুবমোর্চার অনুষ্ঠানে দেখা যায় না।
 
কিন্তু সৌমিত্র এখন অনেকাংশেই মুকুল আর কৈলাস বিজয়বর্গীর ঘনিষ্ঠ হয়ে গিয়েছেন। গতকাল তিনি যুবমোর্চার বেশ কিছু জেলার পদে নতুন করে নিয়োগ করেন। এই পদগুলি ফাঁকা থাকায় সৌমিত্র ওই সব এলাকার বিজেপি সাংসদদের সঙ্গে কথা বলেও সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। কিন্তু এদিন যুবমোর্চার সব কমিটি ও সাংগঠনিক কমিটি বাতিল করে দেন দিলীপ ঘোষ। পরিবর্তে যুব মোর্চার সব কাজের দেখভাল করার দায়িত্ব তুলে দেন জেলার দলীয় সভাপতিদের হাতে। তা থেকেই ছড়িয়ে পড়ে বিতর্ক। রাজ্য বিজেপির অন্দরেই অনেক নেতা এখন মনে করছেন মুকুল-কৈলাসের উত্থানে দ্রুত ক্ষমতা হারাচ্ছেন দিলীপ। সেই হার ঠেকাতেই যুবমোর্চার সব ক্ষমতা কার্যত নিজের হাতে কুক্ষিগত করে নিলেন তিনি।

Comm Ad 2020-LDC epic

More News:

Leave A Comment

Don’t worry ! Your email & Phone No. will not be published. Required fields are marked (*).

এই মুহূর্তে Live

Comm Ad 2020-LDC Momo

Stay Connected

Get Newsletter

Featured News

Advertisement

Comm Ad 006 TBS

খিদিরপুর থেকে শুরু করে বেহালা, হরিদেবপুর,

খিদিরপুর থেকে শুরু করে বেহালা, হরিদেবপুর,

মুদিয়ালী ছুঁয়ে সোধপুর পার্ক

মুদিয়ালী ছুঁয়ে সোধপুর পার্ক

বাবুবাগান হয়ে উদ্বোধনের যাত্রা শেষ হল একডালিয়া,

বাবুবাগান হয়ে উদ্বোধনের যাত্রা শেষ হল একডালিয়া,

হিন্দুস্থান পার্ক, ত্রিধারার চত্বরে এসে।

হিন্দুস্থান পার্ক, ত্রিধারার চত্বরে এসে।

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

Voting Poll (Ratio)

Comm Ad 2020-LDC Momo

Editors Choice

2020 New Ad HDFC 05