Comm Ad 2020-LDC epic

জোট করে ভোটে লড়ে প্রার্থীদের জেতালেও দলে থাকবে তো! প্রশ্ন বাম-কংগ্রেসে

Share Link:

জোট করে ভোটে লড়ে প্রার্থীদের জেতালেও দলে থাকবে তো! প্রশ্ন বাম-কংগ্রেসে

নিজস্ব প্রতিনিধি: হারাতে হবে তৃণমূলকে। বিজেপিকেও হারাতে হবে, কিন্তু প্রথম শত্রু আপাতত তৃণমূলই। কার্যত এহেন মানসিকতা নিয়েই জোট গড়ে ভোটের লড়াইয়ে নামতে চলেছে বাম আর কংগ্রেস। শুরু হয়েছে জোট নিয়ে ভাসা ভাসা আলোচনাও। সেখানে চলছে বাঙালির চিরাচরিত যুক্তি আর তর্কের লড়াই। এখনও সরাসরি আসন বন্টন আর ভাগাভাগি নিয়ে কথাবার্তা শুরুই হয়নি। তবে কংগ্রেসের তরফে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে তাঁরাই জোটের নেতৃত্বে থাকবে, বেশি আসনে প্রার্থী দেবে আর মুখ্যমন্ত্রী পদের দাবিদারকে তাঁরাই তুলে ধরবে। শোনা যাচ্ছে এর কোনটাতেই বামাদের সেভাবে কোনও আপত্তি নেই। কিন্তু এখন দুই দলের সামনেই একটা বড়সড় প্রশ্ন উঠে এসেছে যার উত্তর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। প্রশ্নটা আর কিছুই নয়, এই জোটের প্রার্থী হয়ে যাঁরা জিতবে তাঁরা ভবিষ্যতে দলে থাকবে তো? ভোটে জিতে যাওয়ার পরেই জার্সি বদল করে তৃণমূল বা বিজেপিতে চলে যাবে না তো? এউ প্রশ্ন তুলছেন দুই দলেরই দলের নীচুতকার কর্মী থেকে সমর্থকেরা। যার উত্তর খুঁজে চলেছেন দুই দলের নেতারাই। কারণ তাঁদের নিজেদের কাছেই এর গ্রহণযোগ্য কোনও উত্তর নেই।
 
২০১৬ সালেও মমতাকে হঠাতে জোট বেঁধেছিল বাম-কংগ্রেস। তার জেরে ভোটের আগেই বেশ কিছু কংগ্রেসের নেতাকর্মী দল ছেড়েছিল। কেউ বসে গিয়েছিল, কেউ বা তৃণমূলে যোগ দিয়েছিল। ভোটের ফলাফলও বলে দিয়েছিল বাম-কংগ্রেসের এই জোটকে মেনে নেননি মানুষ। কংগ্রেস বামেদের সঙ্গে জোট গড়লেও বাম প্রার্থীরা কংগ্রেসের ভোট পাননি। বরঞ্চ বিক্ষুব্ধ কংগ্রেস ভোট চলে গিয়েছিল তৃণমূলের কাছে। যার সব থেকে বড় উদাহরণ ছিল নদিয়ার করিমপুর বিধানসভা আসনে মহুয়া মৈত্র্যের জয়। সেখানে ৪০ হাজার ভোটের ব্যবধানে পিছিয়ে থেকে লড়াই শুরু করেছিলেন মহুয়া। কিন্তু জিতেছিলেন ১৬ হাজার ভোটের ব্যবধানে। কংগ্রেসের পুরো ভোট চলে এসেছিল তৃণমূলের পক্ষে। এই নীরব বদল যে ঘটবে তা বুঝতেও পারেননি বাম বা কংগ্রেসের ভোটাররা। আবার এটাও দেখ গিয়েছিল বাম প্রার্থীরা কংগ্রেসের ভোট না পেলেও কংগ্রেস প্রার্থীরা কিন্তু বামেদের ভোট পেয়েছিলেন। কিছু কিছি জায়গায় অবশ্য বামেদের ভোট তখন থেকেই যেতে শুরু করেছিল বিজেপির দিকে। যার নিট ফল বেশ কিছু আসনে বিজেপি উঠে এসেছিল স্বিতীয় স্থানে।
 
এতেও শেষ হয়নি। বিগত সাড়ে চার বছরে প্রায় রুটিন করে প্রতি ৫-৬ মাস অন্তর কোনও না কোনও বাম বা কংগ্রেস বিধাযক জোট শিবিরকে কার্যত ল্যাং মেরে যোগ দিয়েছেন তৃণমূলে বা বিজেপিতে। তবে বেশিরভাগউ যোগ দিয়েছেন তৃণমূলেই। মুখে তঁদের একটাই বুলি সাম্প্রদায়িক বিজেপিকে ঠেকাতে তৃণমূলই একমাত্র দল যারা লড়াই করছে এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়ন। এবার আরও একতা ভোট এসে দাঁড়িয়েছে দুয়ারে। এখন তাই দুই দলেরই নীচুতলার কর্মী থেকে নেতারা মায় সমর্থকেরাও প্রশ্ন ছুঁড়ে দিচ্ছেন দুই দলের নেতারদের সামনে, যাঁকে প্রার্থী করবেন তাঁর জন্য প্রাণপাত করে দুই দলের কর্মী থেকে সমর্থকেরা লড়াই করে ভোট দিয়ে তাঁকে জিতিয়ে দিলেও সে থাকবে তো দলে! নাকি ভোট মিটতেই সে জার্সি বদলে চলে যাবে তৃণমূলে বা বিজেপিতে! এউ প্রশ্নের উত্তরই এখন খুঁজে পাচ্ছেন না বাম বা কংগ্রেসের নেতারা। ২০১৬ সালের ভোট মেটার পর থেকেই যে হারে দলবদল আর জার্সি বদল চলছে তাতে এটা ঠিক নেই যে কে থাকবে আর কে যাবে। কিন্তু তারও আগে ভোটব্যাঙ্ক যে নিঃশব্দে তৃণমূল বা বিজেপির দিকে চলে যাবে না তারও কোনও গ্যারেন্টি নেই। কারন এই জোট নিয়ে দুই দলেই অসন্তোষ মাথা চাড়া দিচ্ছে। কংগ্রেসের বিধায়করা যোগ দিচ্ছেন তৃণমূলে। বাম নেতানেত্রীরা চলে যাচ্ছেন বিজেপিতে। ভোটের ৫-৬ মাস আগেই যদি এই হাল হয় তাহলে ভোটে কী হবে আর ভোটের পরেই বা কী হবে। হাতে না শুধু হিসাব কষার খাতাকলমটুকু রয়ে যায়। 

Comm Ad 018 Kalna

More News:

Leave A Comment

Don’t worry ! Your email & Phone No. will not be published. Required fields are marked (*).

এই মুহূর্তে Live

2020 New Ad HDFC 05

Stay Connected

Get Newsletter

Featured News

Advertisement

Comm Ad 2020-LDC Egg

খিদিরপুর থেকে শুরু করে বেহালা, হরিদেবপুর,

খিদিরপুর থেকে শুরু করে বেহালা, হরিদেবপুর,

মুদিয়ালী ছুঁয়ে সোধপুর পার্ক

মুদিয়ালী ছুঁয়ে সোধপুর পার্ক

বাবুবাগান হয়ে উদ্বোধনের যাত্রা শেষ হল একডালিয়া,

বাবুবাগান হয়ে উদ্বোধনের যাত্রা শেষ হল একডালিয়া,

হিন্দুস্থান পার্ক, ত্রিধারার চত্বরে এসে।

হিন্দুস্থান পার্ক, ত্রিধারার চত্বরে এসে।

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

Voting Poll (Ratio)

Comm Ad 2020-LDC Egg

Editors Choice

2020 New Ad HDFC 05