Comm Ad 2020-Valentine body

পুজোতেও ভিজবে বাংলা, সঙ্গে থাকবে আর্দ্রতার অস্বস্তিও

Share Link:

পুজোতেও ভিজবে বাংলা, সঙ্গে থাকবে আর্দ্রতার অস্বস্তিও

নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রতি বছরই পুজোর সময় আশঙ্কা থাকে বৃষ্টির। কার্যত এই বৃষ্টিষাসুরকে নিয়ে প্রতিবছরই পুজো কাটাতে অভ্যস্থ হয়ে উঠেছে বাঙালি। দলে দলে পুজোর দিনে রাস্তায় নেমে ভিড় করে বাঙালি বধ করে এই বৃষ্টি নামের অসুরকে। এবারেও বাঙালির চিন্তা পুজোর সময় বৃষ্টি হবে কী হবে না, তাই নিয়ে। আবহাওয়া দফতর কিন্ত্য জানিয়ে দিল বর্ষা এখনও বিদায় নেয়নি বাংলা থেকে। এবছরের মতো বর্ষা বিদায় নিতে নিতে পুজো শুরু হয়ে যাবে। তবে সাগরের কোনও নিম্নচাপ বঙ্গ অভিমুখী না হলে বড় মাপের বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। যা হবে তা রাজ্য জুড়ে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি।
 
আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, এই বছর পুজোর মুখে বর্ষা বিদায়ের সম্ভাবনা রয়েছে। ক্যালেন্ডারের হিসাবে অক্টোবর মাসের প্রথমার্ধেই এই রাজ্য থেকে বর্ষা বিদায় নেয়। কিন্তু এই বছর বঙ্গোপসাগরের বুকে একের পর এক নিম্নচাপ তৈরি হওয়া ও ভিন্ন সাগরের উদ্ভূত নিম্নচাপের হানাদারির জেরে পূর্ব ভারত থেকে বর্ষা বিদায় নিতে বেশ দেরী হবে বলেই মনে করা হচ্ছে। সেই হিসাবে আবহাওয়াবিদদের ধারনা বাংলা থেকে বর্ষা বিদায় নিতে নিতে ২৩-২৪ অক্টোবর হয়ে যাবে। অর্থাৎ পুজোয় বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছেই। তবে সাগর থেকে কোনও নিম্নচাপ এই সময় বাংলায় পা না রাখলে পুজোর কয়দিন রাজ্য জুড়েই বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে। যেখানেই সেই বৃষ্টি হোক না কেন তা মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি হবে কিন্তু বেশিক্ষন হবে না।
 
কলকাতায় পঞ্চমী, ষষ্ঠী ও সপ্তমীতে বৃষ্টির আশঙ্কা থাকছে। তবে খুব বেশি বৃষ্টি হবে না যে তা মণ্ডপসজ্জায় প্রভাব ফেলবে বা মানুষ বাড়ি থেকে বার হতে পারবে না। যখনই সেই বৃষ্টি হোক না কেন তা আধঘন্টা থেকে একঘন্টা হবে। তবে সেই বৃষ্টি হবে ঝমঝমিয়েই। রাজ্য জুড়েই কার্যত এই প্রবণতা দেখা যাবে। একই সঙ্গে বৃষ্টির আগেপরে করে দিনের বেয়ায় চড়া রোদও সহ্য করতে হবে বঙ্গবাসীকে। তাই থাকবে ভ্যাপসা গরম ও আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি। তবে রাতের দিকে কিন্তু ঠান্ডা পড়তে শুরু করে দেবে আস্তে আস্তে। ভোরের দিকে কুয়াশাও দেখা দেবে। সন্ধ্যায় পড়বে শিশির। তাই ঋতুবদলের সময়ে বাংলার ঘরে ঘরে যে ঠান্ডা লাগার প্রবণতা থাকে তাও কিন্তু এই বছর পূর্ণদমেই দেখা যাবে। আর থাকছে কোভিড। তাকে নিয়েই এবার পুজো কাটাতে হবে বাঙালিকে।

Comm Ad 2020-tantuja-body

More News:

Leave A Comment

Don’t worry ! Your email & Phone No. will not be published. Required fields are marked (*).

এই মুহূর্তে Live

Comm Ad 2020-LDC Momo

Stay Connected

Get Newsletter

Featured News

Advertisement

corona 02

খিদিরপুর থেকে শুরু করে বেহালা, হরিদেবপুর,

খিদিরপুর থেকে শুরু করে বেহালা, হরিদেবপুর,

মুদিয়ালী ছুঁয়ে সোধপুর পার্ক

মুদিয়ালী ছুঁয়ে সোধপুর পার্ক

বাবুবাগান হয়ে উদ্বোধনের যাত্রা শেষ হল একডালিয়া,

বাবুবাগান হয়ে উদ্বোধনের যাত্রা শেষ হল একডালিয়া,

হিন্দুস্থান পার্ক, ত্রিধারার চত্বরে এসে।

হিন্দুস্থান পার্ক, ত্রিধারার চত্বরে এসে।

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

এক আধটা নয়, পুরো ১১০টি পুজোর উদ্বোধন একঘন্টার মধ্যেই সেরে ফেলে রেকর্ড গড়ে দিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এক আধটা নয়, পুরো ১১০টি পুজোর উদ্বোধন একঘন্টার মধ্যেই সেরে ফেলে রেকর্ড গড়ে দিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

নবান্ন থেকে ভার্চুয়ালি ভাবে রাজ্যের ১২টি জেলার এই ১১০টি পুজোর উদ্বোধন এদিন করে দিলেন তিনি।

নবান্ন থেকে ভার্চুয়ালি ভাবে রাজ্যের ১২টি জেলার এই ১১০টি পুজোর উদ্বোধন এদিন করে দিলেন তিনি।

কখনও দূর্গাস্তোত্র পড়ে, কখনও শাঁখ বাজিয়ে, কখনও বা কাঁসর বাজিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে এদিন দেখা গেল একের পর এক জেলায় পুজোর উদ্বোধন করতে।

কখনও দূর্গাস্তোত্র পড়ে, কখনও শাঁখ বাজিয়ে, কখনও বা কাঁসর বাজিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে এদিন দেখা গেল একের পর এক জেলায় পুজোর উদ্বোধন করতে।

একই সঙ্গে নাম না করেই মাঝে মধ্যে গেরুয়া শিবিরকে খোঁচা দিয়ে তাঁকে মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করতে দেখা গেল যে মা যেন বাংলাকে দাঙ্গা থেকে বাঁচান

একই সঙ্গে নাম না করেই মাঝে মধ্যে গেরুয়া শিবিরকে খোঁচা দিয়ে তাঁকে মা দুর্গার কাছে প্রার্থনা করতে দেখা গেল যে মা যেন বাংলাকে দাঙ্গা থেকে বাঁচান

Voting Poll (Ratio)

Comm Ad 2020-Valentine RC

Editors Choice

Pujo2020-T01