Comm Ad 2020-Valentine body

গুরুং আর তৃণমূলকে বিপাকে ফেলতে সক্রিয় আরএসএস! উদ্বেগ পাহাড়েও

Share Link:

গুরুং আর তৃণমূলকে বিপাকে ফেলতে সক্রিয় আরএসএস! উদ্বেগ পাহাড়েও

নিজস্ব প্রতিনিধি: কেউ চায় না আবারও নতুন করে আগুন জ্বলে উঠুক পাহাড়ে। কেউই চায় না আবারও দিনের পর দিন বনধে স্তব্ধ হয়ে থাকুক হিমালয়ের রানী। কেউ এটাও চান না ফের পাহাড় ছাড়া হোন পর্যটকেরা। কিন্তু এক পক্ষের লাভ, ক্ষতিগ্রস্থ পক্ষ হাত গুটিয়ে বসে বসে দেখবে এমন বান্দা গেরুয়া শিবিরের ধ্বজাধারীরা নন। গুরুংয়ের প্রত্যাবর্তন, কলকাতায় বসে বিজেপিকে তোপ, তৃণমূলের সঙ্গে দোস্তি, মোদি-অমিতের সমালোচনা করে মমতার ভূয়ষী প্রশংসা, এসবই আর সবার মতোই দেখেছে বিজেপি-আরএসএস। প্রকাশ্যে এখন তাঁদের গুরুং-মমতার সমালোচনা ছাড়া কিছু করার নেই। তবে রাজ্যের গোয়েন্দা দফতরের কাছে খবর এসেছে পাহাড়ে শিকড় ছড়ানো আরএসএস বড়সড় অশান্তি লাগানোর ছক কষছে যাতে গুরুংয়ের প্রত্যাবর্তন ঠেকিয়ে রাজ্য সরকারকে কোনঠাসা করা যায়। স্বাভাবিক ভাবেই এর জেরে নতুন করে উদ্বেগ ছড়িয়ে পাহাড়েও।

বিমল গুরুং আর রোশন গিরি পাহাড় ছাড়া হতেই কার্যত নেতৃত্বশূণ্যতায় ভুগতে শুরু করেছিল গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা। তবে পাহাড় ছাড়া হলেও নিজের অনুগামী তথা দলের কর্মী ও সমর্থকদের পাহাড়ে টানা বনধ চালিয়ে নিয়ে যেতে নির্দেশ দিয়েছিলেন গুরুং-গিরি। কিন্তু সেই নির্দেশের জেরে ভেঙে পড়ে পাহাড়ের আর্থসামাজিক কাঠামো। এরপরেই মোর্চার অন্দরে বিবাদ মাথাচাড়া দেয়। কার্যত দ্বিধাবিভক্ত হয়ে যায় মোর্চা। একদিকে থাকে গুরুং-গিরির অনুগামীরা। অন্যদিকে থাকে বিনয় তামাং ও অনিত থাপার অনুগামীরা। কার্যত সেই সময় থেকেই পাহাড়ে দুর্বল হতে থাকে মোর্চা। সেই সুযোগেই সেখানে শিকড় ছড়াতে থাকে বিজেপি ও আরএসএস। সেই কথা কানে যায় গুরুং-গিরিরও। বেশিদিন পাহাড়ছাড়া হয়ে থাকলে নিজেদের পায়ের তলার হারানো মাটি যা আর কোনওদিনই ফেরত পাওয়া যাবে না তা আঁচ করেই এবার প্রত্যাবর্তন করেছেন গুরুং। কিন্তু এবার পাহাড়ে তাঁর প্রত্যাবর্তন রুখতে কোমর বাঁধছে বিজেপি আর আরএসএস।
 
রাজ্যের গোয়েন্দা দফতরের কাছে খবর এসেছে, আরএসএস পাহাড়ে অশান্তি ছড়ানোর কাজ শুরু করে দিতে পারে। যাতে নতুন করে পাহাড়ের পরিবেশ আবারও অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে তার জন্য ষড়যন্ত্রের জাল বিছোতে শুরু করেছে এই উগ্র গেরুয়া সংগঠনটি। এদের মূল লক্ষ্যই হচ্ছে পাহাড়ে গুরুংয়ের প্রত্যাবর্তন ঠেকিয়ে রাজ্য সরকার তথা তৃণমূলকে বিপাকে ফেলে দেওয়া। কারন গুরুং পাহাড়ে আবার শিকড় ছড়িয়ে বসে গেলে বিজেপির হাত থেকে শুধু পাহাড়ই নয়, হাতছাড়া হবে তরাই-ডুয়ার্সের আধিপত্যও। কার্যত আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি ও দার্জিলিংয়ের বুকে ১৮টি বিধানসভা কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণও বিজেপির হাত থেকে বেড়িয়ে চলে যাবে সেক্ষেত্রে। বিশেষ করে নেপালি ভোটব্যাংক পুরোপুরি মোর্চা আর তৃণমূলের হাতে চলে যাবে। বিজেপিকে বিধানসভা নির্বাচনে মুখ থুবড়ে পড়তে হবে। তাই এখন আরএসএস নতুন করে পাহাড়ে অশান্তির আগুন লাগিয়ে গুরুংয়েওর প্রত্যাবর্তন ঠেকানোর পাশাপাশি রাজ্য সরকারকে বিপাকে ফেলে দিতে কোমর বাঁধছে বলেই রাজ্যের গোয়েন্দারা জানতে পেরেছে।

2020 New Ad HDFC 04

More News:

Leave A Comment

Don’t worry ! Your email & Phone No. will not be published. Required fields are marked (*).

এই মুহূর্তে Live

Comm Ad 2020-LDC Momo

Stay Connected

Get Newsletter

Featured News

Advertisement

corona 02

খিদিরপুর থেকে শুরু করে বেহালা, হরিদেবপুর,

খিদিরপুর থেকে শুরু করে বেহালা, হরিদেবপুর,

মুদিয়ালী ছুঁয়ে সোধপুর পার্ক

মুদিয়ালী ছুঁয়ে সোধপুর পার্ক

বাবুবাগান হয়ে উদ্বোধনের যাত্রা শেষ হল একডালিয়া,

বাবুবাগান হয়ে উদ্বোধনের যাত্রা শেষ হল একডালিয়া,

হিন্দুস্থান পার্ক, ত্রিধারার চত্বরে এসে।

হিন্দুস্থান পার্ক, ত্রিধারার চত্বরে এসে।

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

Voting Poll (Ratio)

Comm Ad 026 BM

Editors Choice

Comm Ad 2020-WB Tourism RC