Comm Ad 005 TBS

কল্যাণকে আক্রমণ থেকে শুরু করে নন্দীগ্রামে দলবদল! কোন পথে শুভেন্দু

Share Link:

কল্যাণকে আক্রমণ থেকে শুরু করে নন্দীগ্রামে দলবদল! কোন পথে শুভেন্দু

নিজস্ব প্রতিনিধি: বিবাদ মিটে গিয়েছে এটা ভাবাই ভুল হবে। বরঞ্চ রাজ্যের রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা এটাই বলছেন এ শুধু ঝড় ওঠার আগের নীরবতা মাত্র। তাঁদের অনুমান যে খুব ভুল নয় রা বেশ কিছু ঘটনাই বুঝিয়ে দিচ্ছে। জননেতা যখন ছিলেন যুদ্ধং দেহী মেজাজে তখন তাঁর একের পর এক অনুগত নেতাদের সরিয়ে দেওয়া হচ্ছিল দলেরই পদ থেকে। গতকাল থেকে নেতাকে আর যুদ্ধং হেদী মেজাজে দেখা যাচ্ছে না। বরঞ্চ তাঁর ঝাঁঝ অনেকটাই কমতে দেখা যাচ্ছে। আর ঠিক তারপরে পরেই তাঁর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রেখে চলা বা তাঁর অনুগত নেতা যারা বিভিন্ন পুরসভায় প্রশাসক হিসাবে ছিলেন তাঁদেরই সরিয়ে দেওয়ার পালা শুরু হয়ে গিয়েছে। ঠিক এই রকম অবস্থায় নীরবতা ভঙ্গ করে নাম না নিয়েই দলেরই সাংসদকে আক্রমণ শানলেন জননেতা। চুপ করে তা শুনলেন না সাংসদও। বরঞ্চ তিনিও পাল্টা দিলেন। আর এই দ্বৈরথের জেরেই ছটপুজোর দিন আবারও তুঙ্গে উঠলো জননেতা মানে শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে তৃণমূলের বিবাদ।
 
শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠরা আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিল যে রামনগরের সভায় শুভেন্দু যতই বলুন না কেন যে তিনি শাসকদলেই আছেন বা রাজ্যের মন্ত্রীর পদে আছেন আদপে তিনি বিচ্ছেদের রাস্তাও খোলা রাখছেন। মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে তাড়িয়ে দেননি বা তিনি নিজে মুখ্যমন্ত্রীকে ছেড়ে আসেননি একথা যেমন সত্যি, তেমনি এটাও সত্যি যে শুভেন্দু অধিকারী নিজের মতো করে নিজ অনুগামী ও সমর্থকদের নানান জায়গায় সভা করে চলেছেন ও করে যাবেন। এদিনই যেমন সভা ছিল হুগলি জেলার বলাগড়ে। আর সেখান থেকেই নাম না নিয়েই তিনি আক্রমণ শানলেন জেলারই তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। যদিও কল্যাণবাবুই শুভেন্দুকে আক্রমণ করা শুরু করেছেন অন্তত এক সপ্তাহ আগে থেকেই। এদিন নাম না করে শুভেন্দু কল্যাণের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘অনিল বসুও কটু কথা বলতেন, আপনারা সমর্থন করেননি। আরেক জনপ্রতিনিধিও ব্যক্তিগত আক্রমণ করছেন আমাকে। আপনারা কি তাঁকেও সমর্থন করবেন?’  
 
এর ঠিক পরেই কল্যাণ এক বেসরকারি সংবাদমাধ্যমকে জানান, ‘কটুকথা তো কিছু বলিনি। দলে থেকে, মন্ত্রিসভায় থেকে, অন্য দলের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে, দলের নেত্রীকে মানব না বলে, তাঁর ছবি ব্যবহার না করে জনসভা করে নিজেকে জাহির যাঁরা করেন তাঁদের বিরুদ্ধে বলব। সেদিন ওঁর বডি ল্যাঙ্গুয়েজ খেয়াল করেছেন? ওটা বিদ্যাসাগরের মাটির বডি ল্যাঙ্গুয়েজ ছিল না। একটা সময় ছিল যখন ওখানে দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতা ছিলেন লক্ষ্মণ শেঠ। তাঁরও অহঙ্কার ছিল। তাঁর অহঙ্কার চূর্ণও হয়েছে। যাঁরাই অহঙ্কার করবে, তাঁদেরই দর্পচূর্ণ হবে। তা ছাড়া, আমি আমার বাবার পরিচয়ে রাজনীতিতে আসিনি।’ ঘটনাচক্রে গতকাল রামনগরে শুভেন্দুর ঝাঁঝ কমতেই বাঁকুড়া জেলার ৩টি পুরসভার প্রশাসক পদে পরিবর্তন ঘটানো হয়েছে। সেখানে শুভেন্দু অনুগামী বা শুভেন্দু ঘনিষ্ঠদের পদ থেকে সরিয়ে দিয়ে নতুন প্রশাসক ঠিক করে দেওয়া হয়েছে। এদিন সেই একই ঘটনা ঘটেছে মেদিনীপুর পুরসভার ক্ষেত্রেও। রাজ্যের অভিজ্ঞ রাজনৈতিক বিশারদরা মনে করছেন শুভেন্দুকে এখন চাপেই রাখতে চাইবে শাসক দল যাতে দর কষাকষিতে সুবিধা হয়। তবে শুভেন্দু ঘনিষ্ঠরা আবার জানিয়ে দিয়েছেন, দর কষাকষির কোনও জায়গাই নেই। হয় জননেতার শর্ত মেনে নিতে হবে তৃণমূলকে নাহলে বিচ্ছেদকে মেনে নিতে হবে। তৃণমূল যে শুভেন্দুর শর্ত মানবে না তা বিলক্ষণ জানেন বা বোঝেব শুভেন্দু নিজেও। তাই তাঁর অনুগামীদের ওপর এখন শাসক দলের খড়গহস্থ নামা শুরু হতেই যে মাটি থেকে জিতে তিন্নি বিধায়ক মন্তড়ী হয়েছেন এদিন সেই নন্দীগ্রামের বুজেই শুরু হয়ে গিয়েছে পটপরিবর্তন। তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেছেন শুভেন্দু অনুগামী বলে পরিচিত একাধিক গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান, উপপ্রধান সহ অঞ্চল ও বুথের দায়িত্বপ্রাপ্ত একাধিক নেতা ও কর্মীরা।

Comm Ad 2020-WB Tourism body

More News:

Leave A Comment

Don’t worry ! Your email & Phone No. will not be published. Required fields are marked (*).

এই মুহূর্তে Live

2020 New Ad HDFC 05

Stay Connected

Get Newsletter

Featured News

Advertisement

Comm Ad 2020-Valentine RC

খিদিরপুর থেকে শুরু করে বেহালা, হরিদেবপুর,

খিদিরপুর থেকে শুরু করে বেহালা, হরিদেবপুর,

মুদিয়ালী ছুঁয়ে সোধপুর পার্ক

মুদিয়ালী ছুঁয়ে সোধপুর পার্ক

বাবুবাগান হয়ে উদ্বোধনের যাত্রা শেষ হল একডালিয়া,

বাবুবাগান হয়ে উদ্বোধনের যাত্রা শেষ হল একডালিয়া,

হিন্দুস্থান পার্ক, ত্রিধারার চত্বরে এসে।

হিন্দুস্থান পার্ক, ত্রিধারার চত্বরে এসে।

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

Voting Poll (Ratio)

Comm Ad 2020-LDC Egg

Editors Choice

Comm Ad 006 TBS