এক বর্ষায় দু’বার প্লাবিত দক্ষিণবঙ্গ, কারণ জানাল রাজ্য

নবান্নের দাবি, গত ৩০ সেপ্টেম্বর বেলা বারোটায় ৪৯ হাজার কিউসেক জল ছাড়া হয়। এর ঘণ্টাখানেকের মধ্যে বেলা একটার সময় ফের এক লক্ষ কিউসেক জল ছাড়া হয়। আবার সাড়ে আটটায় সময় ১ লক্ষ ২৫ হাজার কিউসেক জল ছাড়ে ডিভিসি।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: একটানা হয়ে চলা বৃষ্টি থেমে যাওয়ার পর প্লাবিত দক্ষিণবঙ্গের একাংশ। একাধিক জেলায় বাঁধ ভেঙে নদীর জল ঢুকে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বিপদসীমার ওপর দিয়ে বইছে নদীর জল। তবে এই প্রথম নয়, এর আগে জুলাই-অগস্ট মাসেও একই পরিস্থিতির শিকার হতে হয়েছিল দক্ষিণবঙ্গবাসীকে। কিন্তু এক বর্ষায় কীভাবে দু’বার বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হল? এর কারণ জানানো হল নবান্নের তরফে। একইসঙ্গে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে রাজ্য।

রীতিমতো বিজ্ঞপ্তি জারি করে নবান্নের তরফে মুখ্যসচিব হরেকৃষ্ণ দ্বিবেদী জানিয়েছেন, দামোদর ও অজয় নদ নিয়েই মূল সমস্যা। বিশেষ করে ডিভিসি রাজ্যের অনুমতি না নিয়েই লাগাতার জল ছেড়ে যাচ্ছে। নবান্নের দাবি, গত ৩০ সেপ্টেম্বর বেলা বারোটায় ৪৯ হাজার কিউসেক জল ছাড়া হয়। এর ঘণ্টাখানেকের মধ্যে বেলা একটার সময় ফের এক লক্ষ কিউসেক জল ছাড়া হয়। আবার সাড়ে আটটায় সময় ১ লক্ষ ২৫ হাজার কিউসেক জল ছাড়ে ডিভিসি। শুক্রবার সকাল সওয়া আটটায় আবারও ১ লক্ষ ৫০ হাজার কিউসেক জল ছাড়া হয়। এর পাশাপাশি ঝাড়খণ্ডের সিকাতিয়া ব্যারেজ থেকেও বৃহস্পতিবার রাত তিনটে নাগাদ ৮০ হাজার কিউসেক জল ছাড়া হয়েছে। এদিন সকালে ফের ১ লক্ষ ২০ হাজার জল ছেড়েছে।

যার ফলে বাঁধ ভেঙে হাওড়ার উদয়নারায়ণপুর এলাকা প্লাবিত হয়েছে। হুগলির আরামবাগে দু’টি ও খানাকুলে দু’টি বাঁধ ভেঙে এলাকার পর এলাকা চলে গিয়েছে জলের তলায়। বাঁধ ভেঙেছে বীরভূমের নানুর ব্লকেও। অন্যদিকে বাঁধ ভেঙে প্লাবিত পূর্ব বর্ধমানের আউসগ্রামও। দামোদর, দ্বারকেশ্বরের জল বিপদসীমার ওপর দিয়ে বইছে। কারণ যে পরিমাণ জল ছাড়া হয়েছে, তার ধারণক্ষমতা নেই বাংলার নদ-নদীগুলির। প্রায় ২২ লক্ষেরও বেশি মানুষ বন্যার কবলে। এক লক্ষের বেশি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত। প্রায় চার লক্ষ মানুষকে সরানো হয়েছে। দেড় লক্ষ মানুষকে ত্রাণ শিবিরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বাকিদের ত্রিপল দেওয়া হয়েছে। ২ হাজার মেট্রিক টন চাল দেওয়া হয়েছে।

ঘাটালে বাড়ি চাপা পড়ে দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে আট কলাম সেনাবাহিনী নামানো হয়েছে। পশ্চিম বর্ধমান ও হুগলিতে তিন কলাম করে ও হাওড়াতে দুই কলাম বাহিনী নামানো হয়েছে। এছাড়াও এনডিআরএফের ২৫টি টিম মোতায়েন করা হয়েছে। এসডিআরএফের ২৪টি টল নামানো হয়েছে। পাশাপাশি আরও আটটি স্পেশাল এনডিআরএফ টিম দিল্লি থেকে আনা হয়েছে। মোতায়েন করা হয়েছে ২০০টি বোট। প্রতিটি জেলার জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আইপিএস অফিসারদের। পশ্চিমবর্ধমানে রাজেশ পাণ্ডে, হুগলিতে মনোজ আগরওয়াল, বাঁকুড়ায় অভিনব চন্দ, বীরভূমে বিজয় ভারতী, পশ্চিম মেদিনীপুরে এম ভি রাও ও হাওড়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আইপিএস মনীশ জৈনকে।

‘নেতাজিকে কিছু বলার আগে দশবার ভাবুন’, এবার অনন্ত মহারাজকে বিঁধলেন সুকান্ত মজুমদার

ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে সেপ্টেম্বরে দিল্লি সফরে ইরানের প্রেসিডেন্ট

হেড কোচের থেকেও বড় দায়িত্ব! বিসিসিআইয়ের ‘ডিরেক্টর অফ ক্রিকেট’ হতে পারেন লক্ষ্মণ

বড় স্বস্তি সময় রায়নার! ‘ইন্ডিয়াস গট ল্যাটেন্ট’ বিতর্কে সমস্ত FIR বাতিল করল সুপ্রিম কোর্ট

মুকুটে নয়া পালক! লা ট্রোব বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্মানসূচক ‘ডক্টরেট’ উপাধি পেলেন রানি

মাত্র ১০০ টাকায় জামশেদপুর এফসির মালিকানা যাচ্ছে চার্চিলের হাতে

ভিক্ষার ঝুলি খুলতেই চক্ষু চড়কগাছ পুলিশের! মিলল ৫৫ লাখ টাকা

স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে দিল্লি হাইকোর্ট-সহ রাজধানীর ৬ জায়গায় বোমা হামলার হুমকি

নেতাজিকে নিয়ে কুমন্তব্য ‘ক্ষমার অযোগ্য’,অনন্ত মহারাজকে কড়া বার্তা শুভেন্দুর

নেতাজিকে অপমান, অনন্ত মহারাজের বিরুদ্ধে দায়ের FIR, চাপ বাড়ল সাংসদের

১৫ অগস্ট ঘিরে তিলোত্তমায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা, রেড রোডকে দূর্গে পরিণত করছে কলকাতা পুলিশ

থানা থেকে বেরোতেই নির্মল-সঞ্জীবকে লক্ষ্য করে ছোড়া হল ডিম-কাদা, ডিজে বক্স বাজিয়ে সেলিব্রেশন মুডে খড়দহবাসী

৪ সেকেন্ডের জন্য নিয়ন্ত্রণহীন এয়ার ইন্ডিয়ার ফুকেত-দিল্লিগামী বিমান! ব্ল্যাক বক্সে মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য