Comm Ad 005 TBS

শুভেন্দুকে ধরে রাখতে আলোচনায় আস্থা তৃণমূলের! থাকছে বিকল্প ব্যবস্থাও

Share Link:

শুভেন্দুকে ধরে রাখতে আলোচনায় আস্থা তৃণমূলের! থাকছে বিকল্প ব্যবস্থাও

নিজস্ব প্রতিনিধি: জননেতাকে আক্রমণ করা সহজ। কিন্তু ভোটের মুখে তিনি দল ছাড়লে আদতে কিছুটা হলেও জয়ের হিসাব গোলমেলে হয়ে যাবে রাজ্যের শাসক শিবিরে। কারন জননেতা একা দল ছাড়বেন না। দলের বিক্ষুব্ধ নেতা-বিধায়ক-সাংসদেরাও দল ছাড়বেন। তাই কিছুটা হলেও পা পিছনে ফেলে খেলা শুরু করে দিল শাসক শিবির। লক্ষ্য জননেতার ঠিক কোন বিষয় নিয়ে সমস্যা হচ্ছে তা তাঁর কাছ থেকে শোনা বা জানা। লক্ষ্য পারস্পরিক দূরত্ব কমিয়ে বিবাদ যতড়া সম্ভব মিটিয়ে নেওয়া। লক্ষ্য রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের আগে কোনও ভাবেই দল যাতে না ভাঙে তা সুনিশ্চিত করা। কারনে একের পর বিধায়ক ও আদিপর্বের নেতারা যেভাবে প্রকাশ্যেই দলের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে শুরু করেছেন তা ভোটের আগে দলের বিড়াম্বনা তো বাড়াছেই, এমনকি অনেক হিসাবনিকেষও শেষ মুহুর্তে এসে গুলিয়ে যাচ্ছে। তাই আলোচনার মাধ্যমেই সমস্যা সমাধানে আগ্রহী রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। সেই ফর্মুলা ধরেই এবার আলোচনা শুরু হয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গেও। যদি সমস্যা মিটে যায় তো ভালো, নাহলে বিকল্প পথের ব্যবস্থাও রাখা থাকছে।
 
শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দলের দূরত্ব যে পর্যায়ে চলে গিয়েছে তা যে খুব সহজে মিটবে একথা কেউই বলছেন না। তবে আলোচনা যে শুরু হয়েছে এটাই অনেক। কারন এতদিন ধরে শুভেন্দুকে কেউ আলোচনার টেবিলে আনতেই পারেনি। শোনা যাচ্ছে শেষ পর্যন্ত সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় ও সৌগত রায় এই অসাধ্য সাধন করতে সক্ষম হয়েছে। এর মধ্যেই দুই-এক দফা তাঁদের আলোচনাও হয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে। শোনা যাচ্ছে শুভেন্দু প্রস্তাব দিয়েছেন যে, উনি যে সমস্ত জেলার পর্যবেক্ষক ছিলেন সেই সব জেলার সংগঠন তাঁর হাতেই ছেড়ে দিতে হবে এবং সেখানে তিনিই বিধানসভা কেন্দ্র ধরে ধরে প্রার্থী ঠিক করবেন। দলের অন্য কেউ সেখানে এই নিয়ে মাথা ঘামাতে পারবে না। এমনি ওই সব জেলায় দলীয় প্রার্থীদের হয়ে প্রচার তথা রণকৌশল তিনিই ঠিক করবেন। শুভেন্দুর যে সব জেলার নাম দিয়েছেন তার মধ্যে থাকছে উত্তর দিনাজপুর, মালদা, মুর্শিদাবাদ, দুই মেদিনীপুর, হাওড়া, হুগলি, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম ও পুরুলিয়া। কিন্তু তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব এই প্রস্তাবে রাজি হননি বলেই জানা গিয়েছে। তবে আলোচনা এখনই বন্ধ হচ্ছে না। তা জারি রাখা হবে। তবে এখনও পর্যন্ত যা ইঙ্গিত তাতে শিভেন্দুর প্রস্তাবে যেমন তৃণমূলের রাজি হওয়ার লক্ষ্যণ নেই তেমনি শুভেন্দুও নিজের মত করে ঘর গোছানোর কাজ শুরু করে দিয়েছেন।
 
শুভেন্দু একান্তই দলের প্রস্তাবে রাজি না হলে বা দুইয়ের সম্পর্কে বিচ্ছেদ অনিবার্য হয়ে পড়লে তৃণমূলের তরফে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে যাতে সময় থাকতে থাকতেই হাল ধরে নেওয়া যায়। শুভেন্দুর হাতে থাকা পরিবহণ ও সেচ দফতর কারা দেখতে পারবেন সেই বিধায়ক ইতিমধ্যেই বেছে নেওয়া হয়েছে। আবার শুভেন্দুর হাতে থাকা বিভিন্ন উন্নয়ন পর্ষদ ও অনান্য সরকারি সংস্থার প্রধান কারা কারা হতে পারবেন সেই ব্যাবস্থাও সেরে ফেলা হচ্ছে। সাংগঠনিক স্তরেও চলছে তৃণমূলের ঘর গোছানোর কাজ। সব মিলিয়ে যা পরিস্থিতি শুভেন্দু নিজে তাঁর অবস্থান না বদলালে পরিস্থিতির কোনও বদল ঘটার সম্ভাবনা নেই। সেক্ষেত্রে রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের আগে দলে ভাঙনের মুখে দাঁড়াতেই হচ্ছে তৃণমূলকে।

Comm Ad 2020-LDC Haringhata Meet

More News:

Leave A Comment

Don’t worry ! Your email & Phone No. will not be published. Required fields are marked (*).

এই মুহূর্তে Live

Comm Ad 2020-LDC Egg

Stay Connected

Get Newsletter

Featured News

Advertisement

Comm Ad 2020-himalaya RC

খিদিরপুর থেকে শুরু করে বেহালা, হরিদেবপুর,

খিদিরপুর থেকে শুরু করে বেহালা, হরিদেবপুর,

মুদিয়ালী ছুঁয়ে সোধপুর পার্ক

মুদিয়ালী ছুঁয়ে সোধপুর পার্ক

বাবুবাগান হয়ে উদ্বোধনের যাত্রা শেষ হল একডালিয়া,

বাবুবাগান হয়ে উদ্বোধনের যাত্রা শেষ হল একডালিয়া,

হিন্দুস্থান পার্ক, ত্রিধারার চত্বরে এসে।

হিন্দুস্থান পার্ক, ত্রিধারার চত্বরে এসে।

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

#

Voting Poll (Ratio)

Comm Ad 2020-himalaya RC

Editors Choice

Comm Ad 2020-WBSEDCL RC