হিজাবে অনুমতি, বিন্দি তিলকে বাধা! বিতর্কে পড়ে কী জানালেন লেন্সকার্ট প্রতিষ্ঠাতা

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: ড্রেস কোড সংক্রান্ত একটি ভাইরাল ডকুমেন্টকে ঘিরে বিতর্কে জড়াল ভারতের জনপ্রিয় আইওয়্যার সংস্থা লেন্সকার্ট। অভিযোগ ওঠে, সংস্থার নির্দেশিকায় হিজাব পরার অনুমতি থাকলেও বিন্দি, তিলক ও কালাওয়ার মতো ধর্মীয় চিহ্নে নিষেধাজ্ঞা ছিল। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয় তীব্র সমালোচনা। পরে এই নিয়ে মুখ খুলেছেন সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও পীযূষ বনসাল।  

সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একটি তথাকথিত গ্রুমিং গাইডে দাবি করা হয়, লেন্সকার্টের কর্মীদের জন্য নির্দিষ্ট ড্রেস কোডে কিছু ধর্মীয় চিহ্ন ব্যবহারে বাধা রয়েছে। ডকুমেন্টে উল্লেখ ছিল, “বিন্দি পরা যাবে না” এবং “ধর্মীয় সুতো বা কালাওয়া খুলে রাখতে হবে।” সিঁদুর পরার ক্ষেত্রেও বলা হয়েছিল, তা খুব সীমিতভাবে ব্যবহার করতে হবে এবং কপালে ছড়িয়ে পড়া যাবে না।অন্যদিকে, ওই নির্দেশিকায় হিজাব বা পাগড়ি পরার অনুমতি দেওয়া হলেও তার জন্য নির্দিষ্ট নিয়ম বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। যেমন, হিজাব কালো রঙের হতে হবে, মাঝারি দৈর্ঘ্যের হতে হবে এবং কোম্পানির লোগো ঢেকে রাখা যাবে না। একই সঙ্গে উল্লেখ ছিল, দোকানে বোরখা পরা যাবে না। এই বৈপরীত্য সামনে আসতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। লেখক ও অ্যাক্টিভিস্ট শেফালি বৈদ্যসহ অনেকেই প্রশ্ন তোলেন, কেন এক ধরনের ধর্মীয় পরিচয়ে অনুমতি থাকলেও অন্য ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা? বিষয়টি দ্রুত বড় আকার নেয় এবং সংস্থার উপর চাপ বাড়তে থাকে।

আরও পড়ুন: বন্ধুদের খেলা দেখে উচ্ছ্বসিত বিশেষভাবে সক্ষম শিশু! সরলতায় মুগ্ধ নেটদুনিয়া, ভাইরাল ভিডিও 

এরপর পীযূষ বনসাল এক বিবৃতিতে জানান, ভাইরাল হওয়া ডকুমেন্টটি পুরনো এবং বর্তমান নীতির প্রতিফলন নয়। তিনি বলেন, “আমাদের গ্রুমিং পলিসি সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হয়েছে। এই ডকুমেন্টটি আমাদের বর্তমান নির্দেশিকা নয়।” তিনি আরও স্পষ্ট করে জানান, এখন সংস্থায় কোনও ধর্মীয় চিহ্ন বা অভিব্যক্তির উপর নিষেধাজ্ঞা নেই এবং কর্মীরা নিজেদের বিশ্বাস ও সংস্কৃতি অনুযায়ী পোশাক পরতে পারেন।এই ঘটনার জন্য বিভ্রান্তি তৈরি হওয়ায় সংস্থার তরফে ক্ষমাও চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জানানো হয়েছে, ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে নীতিমালা পর্যালোচনা করা হবে।

উল্লেখযোগ্যভাবে, ২০১৯ সালে ইউনিকর্ন স্ট্যাটাস পাওয়া লেন্সকার্ট বর্তমানে দেশের অন্যতম বড় আইওয়্যার ব্র্যান্ড। সংস্থাটি নিজস্ব ফ্রেম ও লেন্স তৈরি করে মধ্যস্বত্বভোগী বাদ দিয়ে তুলনামূলক কম দামে পণ্য সরবরাহ করে। শোনা যাচ্ছে, তারা আইপিওর প্রস্তুতিও নিচ্ছে এবং সংস্থার মূল্যায়ন প্রায় ৫.৬ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি। সম্প্রতি আর্থিক ক্ষেত্রেও জোরালো পারফরম্যান্স দেখিয়েছে সংস্থাটি। রিপোর্ট অনুযায়ী, ডিসেম্বর কোয়ার্টারে সংস্থার মুনাফা প্রায় ৭০ গুণ বেড়ে ১.৩১ বিলিয়ন টাকায় পৌঁছেছে, যেখানে আগের বছর একই সময়ে তা ছিল মাত্র ১৮.৫ মিলিয়ন টাকা। একই সঙ্গে আয়ও বেড়েছে প্রায় ৩৮.৮ শতাংশ। পুরো ঘটনাকে ঘিরে কর্পোরেট ড্রেস কোড, কর্মক্ষেত্রে ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং বৈচিত্র্যের প্রশ্নে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। 

দুর্গাপুরে বেপরোয়া টোটো-অটোকে বাগে আনতে বিশেষ অভিযান পুলিশের

ভোট পরবর্তী হিংসায় যোগ, জামালপুরের দুই দাপুটে তৃণমূল নেতা গ্রেফতার

বেআইনি নির্মাণের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে প্রশাসন, জানিয়ে দিলেন পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা

গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী সিভিক ভলান্টিয়ার, চাঞ্চল্য নবদ্বীপে

‘বয়স ধরে রাখার ইঞ্জেকশন আছে নাকি?’, শেফালির মৃত্যু নিয়ে মুখ খুললেন পরাগ

আমুলের পর এবার দুধের দাম বাড়াল Mother Dairy, লিটারে কত বাড়ল?

দাম বাড়ছে Amul দুধের, লিটার প্রতি কত দাম বাড়ছে জেনে নিন

মেট্রোর কাজের জন্য চিংড়িঘাটায় টানা ৬০ ঘন্টা যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করবে পুলিশ

তিলজলা অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাস্থলে বুলডোজার, নামল কেন্দ্রীয় বাহিনী

এখনই খুলছে না স্কুল, গরমের জন্য বাড়ল ছুটি, ঘোষণা শিক্ষাদফতরের

বিধবা-প্রবীণদের জন্য শুভেন্দুর উপহার, দ্বিগুণ ভাতা মিলবে এবার

১ জুন থেকে কারা পাবেন অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার, কারা যোগ্য নন? জানালেন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল

যজ্ঞের কাঠের অভাবে থমকে গিয়েছিল বিয়ের অনুষ্ঠান, মুশকিল আসান Instamart-এর

শনিবার থেকে রাজ্যজুড়ে শুরু হচ্ছে বেআইনি অস্ত্র ,গুলি ও বিস্ফোরক উদ্ধারের বিশেষ অভিযান