Comm Ad 2020-LDC Haringhata Meet

'অধীর-গড়ে' জোড়াফুল ফোটাতে মরিয়া তৃণমূল, হিসেবে পিছিয়ে অনেক

Share Link:

'অধীর-গড়ে' জোড়াফুল ফোটাতে মরিয়া তৃণমূল, হিসেবে পিছিয়ে অনেক

নিজস্ব প্রতিনিধি: ১৭০৪ সালে বাংলা-বিহার-ওড়িষার রাজধানী মুর্শিদাবাদ নগর পত্তনের সময় এই জায়গা ছিল রাজধানীর দক্ষিণে একটি গ্রাম। তখন  নাম ছিল সাতপুকুরিয়া ব্রহ্মপুর। গ্রামটির পূর্ব ও পশ্চিম দু'দিক দিয়ে ভাগীরথী নদী প্রবাহিত ছিল। সেসময় গ্রামের ৭০০ ঘর ব্রাহ্মণ বাস করতো তাই স্থানটির নাম হয় ব্রহ্মপুর। পলাশীর যুদ্ধের পরে ইংরেজ আমলে বহরমপুর শহরের পত্তন ঘটে। নিজেদের দরকারেই পলাশির যুদ্ধের পরে এই এলাকাতে সেনা-নিবাস তৈরি করে ইংরেজরা। নতুন নবাব মীর জাফর আলী খান ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে ব্রহ্মপুর মৌজায় ৪০০ বিঘা জমি দান করেন। ১৭৬৫ সালে বহরমপুর ক্যান্টনমেন্টের সূচনা হয়। ইংরেজদের উচ্চারণের কারণেই ব্রহ্মপুর হয়ে যায় বহরমপুর। এটি পশ্চিমবঙ্গের সপ্তম বৃহত্তম শহর। আগাগোড়াই এই কেন্দ্রটিতে রয়েছে কংগ্রেসের প্রভাব। রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল জোড়াফুল চিহ্নে এখনও জয় হাসিল করতে পারেনি এই কেন্দ্রে। তবে এবার বিরাট আশা নিয়ে রয়েছেন নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নিশ্চিত জয়ের লক্ষ্যে এবার বহগরমপুরে তৃণমূল প্রার্থী করেছে এলাকার 'ঘরের ছেলে' নাড়ুগোপাল মুখোপাধ্যায়কে। বিজেপি প্রার্থী করেছে সুব্রত মৈত্রকে। এলাকায় 'সমাজকর্মী' হিসাবে তাঁর পরিচিত তিনি। তবে সংখ্যালঘু অধ্যুষিত বহরমপুরে শাসকদল তৃণমূলের লড়াই মূলত সংযুক্ত মোর্চার সঙ্গে। লড়ছেন কংগ্রেসের বিধায়ক মনোজ চক্রবর্তী। 
 
তৃণমূল কংগ্রেস----------------------------------- নাড়ুগোপাল মুখোপাধ্যায়
বিজেপি--------------------------------------------- সুব্রত মৈত্র
সংযুক্ত মোর্চা (কংগ্রেস)--------------------------- মনোজ চক্রবর্তী
 
বহরমপুর পুরসভা ও বহরমপুর সমষ্টি উন্নয়ন ব্লক নিয়ে গঠিত বহরমপুর বিধানসভা কেন্দ্রটি। এটি বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত। ১৯৫১ সালের নির্বাচনে জিতে বহরমপুরের প্রথম বিধায়ক হয়েছিলেন কংগ্রেসের বিজয়কুমার ঘোষ। ১৯৭৭ সাল থেকে টানা তিনবার আরএসপির দেবব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এলাকার বিধায়ক নির্বাচিত হলেও ফের কংগ্রেস ফেরে ক্ষমতায়। তবে ২০০৬ সালে কংগ্রেসের টিকিট না পেয়ে নির্দল হয়ে ভোটে লড়ে জয় পেয়েছিলেন মনোজ চক্রবর্তী। ২০১১ সালে তৃণমূলের সমর্থনে কংগ্রেসের টিকিটে জিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম মন্ত্রিসভায় জায়গা করে নিয়েছিলেন। একনজরে দেখে নিন, বহরমপুরের বিধায়কদের তালিকা...
 
নির্বাচনের বছর বিধায়ক রাজনৈতিক দল
১৯৫১ বিজয়কুমার ঘোষ জাতীয় কংগ্রেস
১৯৫৭ বিজয়কুমার ঘোষ জাতীয় কংগ্রেস
১৯৬২ সনৎকুমার রাহা সিপিআই
১৯৬৭ এস ভট্টাচার্য জাতীয় কংগ্রেস
১৯৬৯ সনৎকুমার রাহা সিপিআই
১৯৭১ শঙ্করদাস পাল জাতীয় কংগ্রেস
১৯৭২ শঙ্করদাস পাল জাতীয় কংগ্রেস
১৯৭৭ দেবব্রত বন্দোপাধ্যায় আরএসপি
১৯৮২ দেবব্রত বন্দোপাধ্যায় আরএসপি
১৯৮৭ দেবব্রত বন্দোপাধ্যায় আরএসপি
১৯৯১ শঙ্করদাস পাল জাতীয় কংগ্রেস
১৯৯৬ মায়ারানী পাল জাতীয় কংগ্রেস
২০০১ মায়ারানী পাল জাতীয় কংগ্রেস
২০০৬ মনোজ চক্রবর্তী নির্দল
২০১১ মনোজ চক্রবর্তী জাতীয় কংগ্রেস
২০১৬ মনোজ চক্রবর্তী জাতীয় কংগ্রেস
 
২০১১ সালে তৃণমূলের সঙ্গে জোট করে কংগ্রেস প্রার্থী মনোজ চক্রবর্তী জিতেছিলেন ৪৩ হাজার ৩১৩ ভোটে। কিন্তু ২০১৬ সালে বামেদের সমর্থনে লড়ে তৃণমূল প্রার্থী ডা. সুজাতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ৯২ হাজার ২৭৩ ভোটে জিতেছিলেন। এবারও জয়ের ব্যপারে একশো শতাংশ আশাবাদী তিনি। তার প্রধান কারণ গত লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল। বহরমপুরের সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন অধীর চৌধুরীই। এই বিধানসভা থেকেই তিনি লিড পেয়েছিলেন ৮৯ হাজার ৬১ ভোটের। একনজরে দেখে নিন গত লোকসভা নির্বাচনের নিরিখে বহরমপুর বিধানসভায় কোন দল কত ভোট পেয়েছিল...
 
রাজনৈতিক দল প্রার্থী প্রাপ্ত ভোট
কংগ্রেস অধীররঞ্জন চৌধুরী ১৩০১৯০
তৃণমূল কংগ্রেস অপূর্ব সরকার ৪১১২৯
বিজেপি কৃষ্ণা জোয়ারদার ২৫১৬৫
 
তৃণমূল প্রার্থী নাড়ুগোপাল একসময় ছিলেন অধীর চৌধুরীর বিশ্বস্ত সৈনিক। অনেকটা কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলার চেষ্টায় তৃণমূল। তবে এই একই পদ্ধতি কাজে আসেনি গত লোকসভা নির্বাচনে। সেবারও তৃণমূল প্রার্থী অপূর্ব সরকার ছিলেন সদ্য কংগ্রেসত্যাগী। কান্দির তিনবারের বিধায়ক ছিলেন। এবার অবশ্য তিনি কান্দিতে লড়ছেন জোড়াফুল চিহ্নে। গোটা মুর্শিদাবাদ জেলা নিয়েই খুবই আশাবাদী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শেষপর্যন্ত তাঁকে খুশি করে বহরমপুর বা কান্দি থেকে প্রার্থীরা জয় উপহার তুলে দিতে পারেন, না কি জয়ের ধারা বজায় রাখতে হাত শিবির এখন সেটাই দেখার। স্পষ্ট হবে ২ মে ভোটের ফলাফলে।

Comm Ad 2020-LDC Haringhata Meet

More News:

Leave A Comment

Don’t worry ! Your email & Phone No. will not be published. Required fields are marked (*).

এই মুহূর্তে Live

2020 New Ad HDFC 05

Stay Connected

Get Newsletter

Featured News

Advertisement

Comm Ad 2020-Valentine RC

নিউ ইয়র্কে শুরু হল মেট গালা ২০২১। নিউইয়র্কে এই অনুষ্ঠানে ছিল তারকাদের ভিড়। ফ্যাশন, স্টাইল ও দুর্দান্ত ডিজাউনে সব তারকারা হাজির হয়েছিলেন বিচিত্র সব পোশাক পরে। মেট গালার রেড কার্পেটে হাঁটার জন্য কী পরবেন সেলেবরা, তার প্রস্তুতি চলতে থাকে বছরের পর বছর ধরে। করোনার কারণে গত বছর আসরটি বসেনি। তাই এবার যেন তারার মেলা বসে গিয়েছিল।

নিউ ইয়র্কে শুরু হল মেট গালা ২০২১। নিউইয়র্কে এই অনুষ্ঠানে ছিল তারকাদের ভিড়। ফ্যাশন, স্টাইল ও দুর্দান্ত ডিজাউনে সব তারকারা হাজির হয়েছিলেন বিচিত্র সব পোশাক পরে। মেট গালার রেড কার্পেটে হাঁটার জন্য কী পরবেন সেলেবরা, তার প্রস্তুতি চলতে থাকে বছরের পর বছর ধরে। করোনার কারণে গত বছর আসরটি বসেনি। তাই এবার যেন তারার মেলা বসে গিয়েছিল।

দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন লিল নাসকের রাজকীয় পোশাক। সোনালি সুপারহিরোর পোশাকে হাজির ছিলেন তিনি।

দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন লিল নাসকের রাজকীয় পোশাক। সোনালি সুপারহিরোর পোশাকে হাজির ছিলেন তিনি।

সম্পূর্ণ কালো পোশাক নজর কাড়লেন কিম কারদাশিয়ান।

সম্পূর্ণ কালো পোশাক নজর কাড়লেন কিম কারদাশিয়ান।

রালফ লরেনের তৈরি পশমের পোশাকে ধরা দিয়েছেন জেনিফার লোপেজ। সঙ্গে ছিলেন বেন অ্যাফ্লেক। এ বার সামাজিক অনুষ্ঠানেও দেখা দিলেন যুগলে। মেট গালা ২০২১-এর হোয়াইট কার্পেটে অবশ্য আলাদাই হাঁটলেন জেনিফার ও বেন। ভিতরে গিয়ে মাস্ক পরেই চুম্বনে মগ্ন হলেন দুই তারকা।

রালফ লরেনের তৈরি পশমের পোশাকে ধরা দিয়েছেন জেনিফার লোপেজ। সঙ্গে ছিলেন বেন অ্যাফ্লেক। এ বার সামাজিক অনুষ্ঠানেও দেখা দিলেন যুগলে। মেট গালা ২০২১-এর হোয়াইট কার্পেটে অবশ্য আলাদাই হাঁটলেন জেনিফার ও বেন। ভিতরে গিয়ে মাস্ক পরেই চুম্বনে মগ্ন হলেন দুই তারকা।

সুপার মডেল ইমন চমত্কার পালকযুক্ত স্বর্ণ এবং বেইজ হেডড্রেস এবং স্কার্ট বেছে নিয়েছিল। মাথার পিছনে বসানো সাদা আর সোনালি হেড পিস দেখাল চক্রের মতো।

সুপার মডেল ইমন চমত্কার পালকযুক্ত স্বর্ণ এবং বেইজ হেডড্রেস এবং স্কার্ট বেছে নিয়েছিল। মাথার পিছনে বসানো সাদা আর সোনালি হেড পিস দেখাল চক্রের মতো।

Voting Poll (Ratio)

Comm Ad 2020-LDC Momo
Comm Ad 006 TBS