Puja21-Ad02

লোকসভার ভোটে পিছিয়ে গিয়ে জোড়াসাঁকোয় কঠিন লড়াইয়ের সামনে শাসকদল

Share Link:

লোকসভার ভোটে পিছিয়ে গিয়ে জোড়াসাঁকোয় কঠিন লড়াইয়ের সামনে শাসকদল

নিজস্ব প্রতিনিধি: উত্তর কলকাতার ব্যস্ততম কালীকৃষ্ণ টেগোর স্ট্রিট, মুক্তারাম বাবু স্ট্রিট কিংবা মহর্ষি দেবেন্দ্র রোড। পুরনো কলকাতার বনেদিয়ানার প্রতীক এই এলাকার বিশাল বিশাল দালানবাড়ি। আবার এই এলাকাকে বিশ্ব চেনে ঠাকুরবাড়ি দিয়েও। এখানেই জন্মেছিলেন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। এর উত্তরেই রয়েছে স্বামী বিবেকানন্দর বাড়ি, ভূতনাথ মন্দির, ঠনঠনিয়া কালীবাড়ি। উত্তর কলকাতার ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রাণকেন্দ্র পোস্তাও এই জোড়াসাঁকো বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে। পোস্তা বললেই আবার মনে পড়ে যায়, ৩১ মার্চ, ২০১৬ সালের কথা। শীতলা অষ্টমীর পুজো চলছিল মন্দিরে। এমন সময় হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে নির্মীয়মাণ পোস্তা ব্রিজ। ২০২১ -এও ওই ঘটনাটিকে হাতিয়ার করেছে বিজেপি। যদিও ঘটনার মাসখানেকের মধ্যেই বিধানসভা নির্বাচনে জিতেছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের স্মিতা বক্সী। পাঁচবছর পর আজও উড়ালপুল ভেঙে পড়ার ঘটনাটি জ্বলন্ত ইস্যু এলাকার বাসিন্দাদের কাছে। এবার আর স্মিতা বক্সীকে টিকিট দেয়নি তৃণমূল। বদলে রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ বিবেক গুপ্তকে প্রার্থী করেছে শাসকদল। অন্যদিকে বিজেপি প্রার্থী করেছে ২২ নম্বর ওয়ার্ডের ২৫ বছরের কাউন্সিলর মিনাদেবী পুরোহিতকে। সংযুক্ত মোর্চার তরফে লড়ছেন কংগ্রেস প্রার্থী আজমল খান।
 
তৃণমূল কংগ্রেস------------------------------- বিবেক গুপ্ত
বিজেপি--------------------------------------- মিনাদেবী পুরোহিত
সংযুক্ত মোর্চা (কংগ্রেস)---------------------- আজমল খান
 
কলকাতা পুরনিগমের ২২, ২৩, ২৫, ২৭, এবং ৩৭ থেকে ৪৩ নং ওয়ার্ডগুলি নিয়ে গঠিত জোড়াসাঁকো বিধানসভা কেন্দ্রটি। আগে এটি কলকাতা উত্তর-পশ্চিম লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত ছিল। ২০০৯ সালের পর থেকে জোড়াসাঁকো বিধানসভাটি কলকাতা উত্তর লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত।  ২০০১ সাল থেকেই এই কেন্দ্রটি দখল করে নেয় তৃণমূল কংগ্রেস। গত দু'বারের বিধায়ক ছিলেন স্মিতা বক্সী। একনজরে দেখে নিন, অতীতে কারা ছিলেন জোড়াসাঁকোর বিধায়ক...
 
নির্বাচনের বছর বিধায়ক রাজনৈতিক দল
১৯৫১ অমরেন্দ্রনাথ বসু ফরওয়ার্ড ব্লক (এমজি)
১৯৫৭ আনন্দীলাল পোদ্দার জাতীয় কংগ্রেস
১৯৬২ বদ্রীপ্রসাদ পোদ্দার জাতীয় কংগ্রেস
১৯৬৭ আর কে পোদ্দার জাতীয় কংগ্রেস
১৯৬৯ দেবকীনন্দন পোদ্দার জাতীয় কংগ্রেস
১৯৭১ দেবকীনন্দন পোদ্দার জাতীয় কংগ্রেস
১৯৭২ দেবকীনন্দন পোদ্দার জাতীয় কংগ্রেস
১৯৭৭ বিষ্ণুকান্তি শাস্ত্রী জনতা পার্টি
১৯৮২ দেবকীনন্দন পোদ্দার জাতীয় কংগ্রেস
১৯৮৭ দেবকীনন্দন পোদ্দার জাতীয় কংগ্রেস
১৯৯১ দেবকীনন্দন পোদ্দার জাতীয় কংগ্রেস
১৯৯৬ দেবকীনন্দন পোদ্দার জাতীয় কংগ্রেস
২০০১ সত্যনারায়ণ বাজাজ তৃণমূল কংগ্রেস
২০০৬ দীনেশ বাজাজ তৃণমূল কংগ্রেস
২০১১ স্মিতা বক্সী তৃণমূল কংগ্রেস
২০১৬ স্মিতা বক্সী তৃণমূল কংগ্রেস
 
কংগ্রেসের সমর্থনে ২০১১ সালে স্মিতা বক্সী সিপিএমের জানকি সিংকে ৩১ হাজার ৫০৯ ভোটে হারিয়েছিলেন। ২০১৬ সালের ভোটে পোস্তা ব্রিজ ভেঙে পড়ার ঘটনাটির প্রভাব পড়েছিল। সেবার মাত্র ৬ হাজার ২৯০ ভোটের ব্যবধানে জয় পেয়েছিলেন স্মিতা। দ্বিতীয় স্থানে ছিলেন বিজেপি প্রার্থী রাহুল সিনহা। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের নিরিখে আবার এই বিধানসভায় ৩ হাজার ৮৮২ ভোটে এগিয়ে গিয়েছিল বিজেপি। একনজরে দেখে নিন, গত লোকসভায় জোড়াসাঁকোয় কোন দল কত ভোট পেয়েছিল...
 
রাজনৈতিক দল প্রার্থী প্রাপ্ত ভোট
তৃণমূল কংগ্রেস সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় ৪৭২৬৫
বিজেপি রাহুল সিনহা ৫১১৪৭
সিপিএম কনীনিকা ঘোষ ৬০২০
 
একদিকে লোকসভার ফলাফল ধরে রাখতেই মরিয়া বিজেপি। অন্যদিকে শাসকদল তৃণমূল তাদের গড় ধরে রাখতে চাইছে। মহাজাতি সদন সংলগ্ন এলাকা, ঠনঠনিয়া কালীবাড়ি এলাকাতে জলনিকাশি ব্যবস্থা বেহাল। ফি বছর বর্ষার সময় হাঁটু-সমান জল দাঁড়িয়ে যায়। এই বিষয়টিতে বার বার তুলে ধরছে বিজেপি ও কংগ্রেস প্রার্থী। অন্যদিকে তৃণমূল প্রার্থী বিবেক গুপ্তের দাবি, ভোটের আগেই একটা ডিবেট হোক এলাকার উন্নয়ন নিয়ে। এলাকায় যে কাজ হয়নি তা মানতে নারাজ তিনি, আগামিদিনে যাতে উন্নয়নের ধারা বজায় থাকে তার জন্য জোড়াসাঁকো ডট কম নামে একটি ওয়েবসাইটও চালু করতে চলেছেন তিনি। এই এলাকায় যেমন বাঙালি রয়েছে তেমনই হিন্দিভাষী মানুষের সংখ্যাটাও কম নয়। প্রত্যেক দলেরই মূল লক্ষ্য তাঁরাই। এখন দেখার শেষ পর্যন্ত কার জয় নিশ্চিত হয় জোড়াসাঁকোতে। 

Comm Ad 2020-Valentine body

More News:

Leave A Comment

Don’t worry ! Your email & Phone No. will not be published. Required fields are marked (*).

এই মুহূর্তে Live

corona 02

Stay Connected

Get Newsletter

Featured News

Advertisement

Comm Ad 008 Myra

নিউ ইয়র্কে শুরু হল মেট গালা ২০২১। নিউইয়র্কে এই অনুষ্ঠানে ছিল তারকাদের ভিড়। ফ্যাশন, স্টাইল ও দুর্দান্ত ডিজাউনে সব তারকারা হাজির হয়েছিলেন বিচিত্র সব পোশাক পরে। মেট গালার রেড কার্পেটে হাঁটার জন্য কী পরবেন সেলেবরা, তার প্রস্তুতি চলতে থাকে বছরের পর বছর ধরে। করোনার কারণে গত বছর আসরটি বসেনি। তাই এবার যেন তারার মেলা বসে গিয়েছিল।

নিউ ইয়র্কে শুরু হল মেট গালা ২০২১। নিউইয়র্কে এই অনুষ্ঠানে ছিল তারকাদের ভিড়। ফ্যাশন, স্টাইল ও দুর্দান্ত ডিজাউনে সব তারকারা হাজির হয়েছিলেন বিচিত্র সব পোশাক পরে। মেট গালার রেড কার্পেটে হাঁটার জন্য কী পরবেন সেলেবরা, তার প্রস্তুতি চলতে থাকে বছরের পর বছর ধরে। করোনার কারণে গত বছর আসরটি বসেনি। তাই এবার যেন তারার মেলা বসে গিয়েছিল।

দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন লিল নাসকের রাজকীয় পোশাক। সোনালি সুপারহিরোর পোশাকে হাজির ছিলেন তিনি।

দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন লিল নাসকের রাজকীয় পোশাক। সোনালি সুপারহিরোর পোশাকে হাজির ছিলেন তিনি।

সম্পূর্ণ কালো পোশাক নজর কাড়লেন কিম কারদাশিয়ান।

সম্পূর্ণ কালো পোশাক নজর কাড়লেন কিম কারদাশিয়ান।

রালফ লরেনের তৈরি পশমের পোশাকে ধরা দিয়েছেন জেনিফার লোপেজ। সঙ্গে ছিলেন বেন অ্যাফ্লেক। এ বার সামাজিক অনুষ্ঠানেও দেখা দিলেন যুগলে। মেট গালা ২০২১-এর হোয়াইট কার্পেটে অবশ্য আলাদাই হাঁটলেন জেনিফার ও বেন। ভিতরে গিয়ে মাস্ক পরেই চুম্বনে মগ্ন হলেন দুই তারকা।

রালফ লরেনের তৈরি পশমের পোশাকে ধরা দিয়েছেন জেনিফার লোপেজ। সঙ্গে ছিলেন বেন অ্যাফ্লেক। এ বার সামাজিক অনুষ্ঠানেও দেখা দিলেন যুগলে। মেট গালা ২০২১-এর হোয়াইট কার্পেটে অবশ্য আলাদাই হাঁটলেন জেনিফার ও বেন। ভিতরে গিয়ে মাস্ক পরেই চুম্বনে মগ্ন হলেন দুই তারকা।

সুপার মডেল ইমন চমত্কার পালকযুক্ত স্বর্ণ এবং বেইজ হেডড্রেস এবং স্কার্ট বেছে নিয়েছিল। মাথার পিছনে বসানো সাদা আর সোনালি হেড পিস দেখাল চক্রের মতো।

সুপার মডেল ইমন চমত্কার পালকযুক্ত স্বর্ণ এবং বেইজ হেডড্রেস এবং স্কার্ট বেছে নিয়েছিল। মাথার পিছনে বসানো সাদা আর সোনালি হেড পিস দেখাল চক্রের মতো।

Voting Poll (Ratio)

Comm Ad 2020-himalaya RC
Comm Ad 2020-Valentine RC