থার্মোকল গুদামে আগুন নিভলেও ধোঁয়া থাকায় ভিতরে ঢুকতে পারছে না দমকল, মন্তব্য অরূপ বিশ্বাসের

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: আনন্দপুরে থার্মোকলের গোডাউনে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডের পর সোমবার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস(Minister Arup Biswas)। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস জানান, আগুন নেভানো সম্ভব হলেও গোডাউনের ভেতর থেকে ধোঁয়া পুরোপুরি বের করা যায়নি। দমকল কর্মীরা সেই চেষ্টায় চালাচ্ছেন। ধোঁয়া পুরোপুরি বের করা সম্ভব হলে তারপর গুদামের মধ্যে প্রবেশ করবেন দমকল কর্মীরা। গুদামের মধ্যে থাকা যে ১৬ জন শ্রমিক নিখোঁজ তাদের সন্ধান চালাবেন। ফরেনসিক টিম (Forensic Team)তারাও ঘটনাস্থলে এসে তদন্ত শুরু করবেন। এরপর তদন্ত করে দেখা হবে ওই গুদামের মধ্যে অগ্নি নির্বাপক ব্যবস্থা সঠিক ছিল কিনা। কি করে এই ভয়ংকর আগুন লাগল তার কারণ খোঁজা হবে। তার আগে পর্যন্ত এই অগ্নিকাণ্ডের কারণ অগ্নি নির্বাপক ব্যবস্থা যথাযথ ছিল কিনা এসব প্রশ্নের উত্তর দেওয়া কখনোই সম্ভব নয় বলে মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস জানিয়ে দেন।

রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ করেছেন দমকলমন্ত্রী ছুটিতে রয়েছেন আর থার্মোকলের গুদাম দাউদাউ করে আগুনে জ্বলছে। সেই প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস বলেন, মন্ত্রীদের ঘটনাস্থলে আসার আগে সেখানে দমকল কর্মীদের আশা জরুরী। তাদের কাজ করতে দেওয়াটা জরুরী। অন্যান্য জনপ্রতিনিধিরা এবং সাধারণ মানুষ প্রত্যেকেই রয়েছে এই আগুন নিয়ন্ত্রণ এবং কাজ পরিচালনার জন্য। নরেন্দ্রপুর থানার(Narendrapur P.s.) নজিরাবাদ এলাকায় একটি থর্মোকল গোডাউনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাকে ঘিরে চরম উদ্বেগ ছড়িয়েছে। ঘটনার পর থেকেই ১৬ জন শ্রমিক নিখোঁজ থাকার অভিযোগ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দমকল সূত্রে খবর, আগুনে ক্ষতিগ্রস্থ গোটা এলাকা তল্লাশি করা হচ্ছে।

সোমবার সকাল ৭.৩০ নাগাদ বারুইপুর পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার শুভেন্দ্র কুমার জানান, এই অগ্নিকাণ্ডে এখনও পর্যন্ত ৩ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে। তবে মৃতদের নাম ও পরিচয় এখনও জানা যায়নি। পুলিশের আশঙ্কা মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।জানা গিয়েছে, রবিবার গভীর রাতে আনুমানিক ভোররাত আড়াইটা নাগাদ নাজিরাবাদ(Nazirabad) এলাকার একটি থার্মোকল গোডাউনে আচমকা ভয়াবহ আগুন লেগে যায়। গোডাউনের পাশে যে অনলাইন স্টোরের গুদাম থাকায় আগুন দ্রুত সেখানে ছড়িয়ে পড়ে। ওই গুদামে সফট ড্রিঙ্কস সহ নানা ধরনের নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী মজুদ ছিল। ফলে দাহ্য বস্তু থাকায় আগুন আরও তীব্র আকার ধারণ করে। খবর পেয়ে দমকলের ১৫টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে দীর্ঘক্ষণ আগুন নেভানোর কাজ করে। সোমবার দুপুর পর্যন্ত দমকল কর্মীদের চেষ্টায় আগুন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। তবে এখনো কোথাও আগুনের অবশিষ্ট অংশ বা ‘পকেট ফায়ার ‘ রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এই ঘটনাকে ঘিরে শুরু থেকে নিখোঁজের অভিযোগ উঠেছিল। দাবি করা হয়, ওই গোডাউনে কর্মরত অন্তত ১৬ জনের খোঁজ মিলছে না। প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে পুলিশ জানিয়েছে, এই অগ্নিকাণ্ডে এখনো পর্যন্ত তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। তবে ধ্বংসস্তূপের মধ্যে আর কেউ আটকে রয়েছে কিনা সে বিষয়ে নিশ্চিত হতে তল্লাশি ও অভিযান চালাচ্ছেন দমকলকর্মীরা।অগ্নিকাণ্ডের সঠিক কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ সূত্রে খবর, থার্মোকলের ওই গোডাউনের মধ্যে রান্নার ব্যবস্থা ছিল। সেখান থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে কিনা, নাকি অন্য কোন বৈদ্যুতিক ত্রুটির কারণেই দুর্ঘটনা ঘটেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। গুদামের ভেতর আগুন নিভে গেলেও ধোঁয়ায় চারদিক ভরে রয়েছে। সেই দোয়া বের হওয়ার পরই দমকল কর্মীরা ধ্বংসস্তূপ এর মধ্যে ঢুকে তার মধ্যে কোন শ্রমিক আটকে রয়েছে কিনা সেই অভিযান চালাবে।

কোথায় ছুটি কাটাবেন? ঘুরে আসুন শিলংয়ের নীল উপত্যকা ‘ক্রাংশুরি’

পদপিষ্টের ঘটনার পর দর্শনার্থীদের জন্য বন্ধ করা হল চোরবাগান সর্বজনীনের পুজোমণ্ডপ

চোরবাগানের মণ্ডপে পদপিষ্ট হয়ে আহত ৩৫, তিন জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক

জল্পনার অবসান, ১৬ ডিসেম্বর গোয়ায় বসছে আইপিএলের মিনি নিলামের আসর

পুজোয় জমিয়ে খাওয়াদাওয়া, তারপরই গ্যাস-অম্বল? সুস্থ থাকতে রইল পরামর্শ

অঙ্কিতা ভাণ্ডারী হত্যা মামলায় প্রাক্তন বিজেপি বিধায়ককে জিজ্ঞাসাবাদ সিবিআইয়ের

আগরকরের বিকল্প খুঁজে পেল বোর্ড, কে হচ্ছেন নির্বাচক কমিটির চেয়ারম্যান?

দীপাবলিতে ভাগ্যবদল! শুক্রের অবস্থান বদলে কপাল খুলবে ৪ রাশির জাতকদের

বেঙ্গালুরুতে বৃষ্টির কারণে ঢেকে দেওয়া হল পিচ, টস হতে দেরি

২ সহকর্মীর স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক রাখার দায়ে বরখাস্তের মুখে সেনাবাহিনীর মেজর

শান্তি রক্ষার শর্তে ককরোচ প্রধান অভিজিৎ দীপকে-র জামিন মঞ্জুর

বাড়ির দেওয়ালে এই ৪ রং করাচ্ছেন? বড়সড় বিপদে পড়ার আগে সাবধান!

মহীশূর প্যালেসের আদলে সেজেছে হাসনাবাদের পুজোমণ্ডপ, নজর কাড়ছে আলোকসজ্জা

কলকাতার থিম পুজোকে টেক্কা দিচ্ছে সুন্দরবনের রবীন সঙ্ঘের ‘দাও ফিরে সে অরণ্য’