নাইট ডিউটিতে চা পানের নামে ডাক্তারের ঘরে ঢুকে…, পুলিশের জালে ধূর্ত নার্স

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রথমে ঘনিষ্ঠতা, তারপর ব্ল্যাকমেল! রাজস্থানের বারমেরে এক চিকিৎসকের অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। প্রায় ২ কোটি টাকা আদায়ের অভিযোগে নিজের হাসপাতালের এক নার্সের বিরুদ্ধে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন ৬৫ বছরের এক চিকিৎসক। অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত নার্সকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওই মহিলা নার্স। ঘটনাকে ঘিরে তদন্ত শুরু হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নার্সটি ২০১৬ সালের ডিসেম্বর থেকে ওই হাসপাতালে কর্মরত ছিলেন। চিকিৎসকের অভিযোগ, তিনি মূলত রাতের শিফটে কাজ করতেন এবং বিভিন্ন অজুহাতে প্রায়ই চিকিৎসকের ব্যক্তিগত রুমে যাতায়াত করতেন। সেই সময়ই নাকি গোপনে চিকিৎসকের একাধিক ব্যক্তিগত ছবি মোবাইলে তুলে রাখা হয়। প্রথমে বিষয়টি তিনি টের পাননি বলেই দাবি করেছেন। চিকিৎসকের অভিযোগ, পরবর্তী সময়ে ওই ছবিগুলিকে হাতিয়ার করে তাঁকে ব্ল্যাকমেল শুরু হয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার ভয়, মিথ্যা ধর্ষণ মামলায় ফাঁসানোর হুমকি এবং প্রাণনাশের আশঙ্কা দেখিয়ে বারবার টাকা দাবি করা হয়। সামাজিক সম্মান ও হাসপাতালের সুনাম রক্ষার কথা ভেবে তিনি দীর্ঘদিন বিষয়টি প্রকাশ্যে আনেননি বলেও জানিয়েছেন। অভিযোগে চিকিৎসক দাবি করেছেন, গত কয়েক বছরে অভিযুক্তকে প্রায় ২ কোটি টাকা দিতে বাধ্য হয়েছেন। এর মধ্যে প্রায় ৩৫ লক্ষ টাকা হাসপাতালের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে অনলাইনে পাঠানো হয়েছিল বলে অভিযোগ। বাকি টাকা নগদ ও অন্যান্য উপায়ে দেওয়া হয়েছে বলেও তাঁর দাবি। পাশাপাশি, জোর করে তাঁর কাছ থেকে একাধিক চেক এবং স্ট্যাম্প পেপারে সই করিয়ে নেওয়া হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।

আরও পড়ুন: যন্তরমন্তরে ছাত্রীকে যৌন হেনস্থায় অভিযুক্ত অতিরিক্ত ডেপুটি পুলিশ কমিশনারকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি

সবচেয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ, ওই নার্স নাকি চিকিৎসককে একটি আলাদা মোবাইল ফোন ও সিম ব্যবহার করতে বাধ্য করেছিলেন। ফোনটি সবসময় চালু রাখতে হত। ফোন বন্ধ থাকলে বা কল রিসিভ না করলে বারবার যোগাযোগ করা হত। এমনকি হাসপাতালের সিসিটিভি ক্যামেরার পাসওয়ার্ড জোগাড় করে তাঁর গতিবিধির উপর নজরদারি চালানোর অভিযোগও উঠেছে। চিকিৎসকের দাবি, কার্যত তাঁকে ডিজিটালভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছিল। অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, একবার চিকিৎসক কাজের সূত্রে আহমেদাবাদ গেলে তাঁকে প্রায় এক হাজারবার ফোন করা হয়। ফোন না ধরায় হাসপাতালের কয়েকজন কর্মীকে তাঁর ব্যক্তিগত ছবি দেখানো হয়েছিল বলে অভিযোগ। এরপরই তিনি বুঝতে পারেন যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। চিকিৎসকের আরও দাবি, ২০২৫ সালের ৩ ও ৪ এপ্রিল রাতে অভিযুক্ত তাঁর বাড়িতে গিয়ে জোর করে ঢোকার চেষ্টা করেন। বাড়ির বাইরে থাকা সিসিটিভি ক্যামেরায় সেই ঘটনার ফুটেজ ধরা পড়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। পুলিশ সেই ফুটেজ খতিয়ে দেখছে। মাত্র ১২ হাজার টাকা মাসিক বেতন পাওয়া সত্ত্বেও অভিযুক্ত প্রতি মাসে বিপুল অঙ্কের টাকা দাবি করতেন বলে অভিযোগ করেছেন চিকিৎসক। ভয় ও মানহানির আশঙ্কায় তিনি সেই দাবি মেনে নিতেন বলেও জানিয়েছেন। ডাক্তারের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযুক্ত নার্সকে গ্রেফতার করেছে। তবে তিনি সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন, চিকিৎসক নিজেকে বাঁচাতেই তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করেছেন। বারমেরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, পুরো ঘটনার তদন্ত চলছে। চিকিৎসক ও নার্সের সম্পর্ক কেমন ছিল, ব্ল্যাকমেলের অভিযোগ, অর্থ লেনদেনের তথ্য, ব্যাঙ্কের নথি, সিসিটিভি ফুটেজ, মোবাইলের তথ্য এবং ফাঁকা চেক ও স্ট্যাম্প পেপারের দাবির সত্যতা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশের দাবি, অভিযুক্তের কাছ থেকে ১৭ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।

পুজোয় রেস্তরাঁর খাবার খেয়ে পেটের দফারফা? শরীর সুস্থ করতে কী খাবেন, কী এড়াবেন

২৩ অক্টোবর আরশোলাদের বিক্ষোভে সামিল হচ্ছেন নির্মলা সীতারামনের স্বামী

ভারতের মাটিতে আয়োজিত বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়াল পাকিস্তান, কলকাঠি নেড়েছেন নকভি

দুর্গা প্রতিমা বিসর্জনের সময়ে বিদ্যু‍‍ৎস্পৃষ্ট হয়ে তিনজনের মৃত্যু, ঝলসে গেলেন আরও ১০

দশমীতে বিশ্ববাংলা রেস্তরাঁয় অগ্নিকাণ্ড! ঘটনাস্থলে দমকল ও পুলিশ

সূর্যের গোচরে আগামী ১৫ দিন অর্থ লাভের যোগ চার রাশির জাতকদের ভাগ্যে

দুর্গাপুজোর মেলায় ফুচকা খেয়ে অসুস্থ শতাধিক, হাসপাতালে ভর্তি ১০, আশঙ্কাজনক ২

জানসেন-রাবাডার আগুনে বোলিংয়ে ৯৯ রানে খতম অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস

৭ দিন জেলে কাটানোর পর মুক্তি পাচ্ছেন আরশোলাদের দুই নেতা সৌরভ-আশুতোষ

শুক্রবারের বদলে এবার থেকে মাদ্রাসায় রবিবার সাপ্তাহিক ছুটি, বড় পদক্ষেপ রাজ্য সরকারের

চোরবাগানে পদপিষ্ট কাণ্ড: অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিকে মাথায় রেখে ৬ সদস্যের সিট গঠন রাজ্যের

টাইগারের উপর হামলার পর তটস্থ অক্ষয়, বুলেটপ্রুফ কাচ দিয়ে মুড়ে ফেললেন বাড়ি

সিনেমাহলে খাবি খাচ্ছে DESU 7, ডেব্যুু পরিচালক হিসেবে ডাহা ফেল দেব

শিষ্টাচার ভেঙে প্রধানমন্ত্রীর কাছে যাওয়ার চেষ্টা, পদ হারালেন রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার