সীতাহরণকারী নন, দেবতার আসনে রাবণ! ভারতের এই ৮ জায়গায় ঈশ্বররূপে পূজিত হন দশানন

দুর্গাপুজোর দশমী হোক কিংবা দশেরা, রামায়ণের কাহিনি মেনে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে রাবণের কুশপুতুল দহন করে অশুভ শক্তির বিনাশ উদ্‌যাপন করা হয়। কিন্তু ভারতের ছবিটা সর্বত্র এক নয়। এমনও কিছু জায়গা রয়েছে, যেখানে রাবণ শুধুই রামের প্রতিপক্ষ নন। কোথাও তিনি মহাদেবের পরম ভক্ত, কোথাও আবার স্থানীয় জনসমাজের কাছে শ্রদ্ধেয় পূর্বপুরুষ। লোকবিশ্বাস, পুরাণকথা এবং প্রাচীন প্রথার হাত ধরে আজও এই জায়গাগুলিতে রাবণকে ঘিরে পালিত হয় নানা আচার। দেশের সেই আট জায়গার কথা জেনে নেওয়া যাক।

Share:

উত্তরপ্রদেশের কানপুরে রয়েছে দশানন মন্দির। কথিত, প্রায় ১০০ বছরের পুরনো এই মন্দির বছরে এক বার, বিজয়া দশমীর দিন খোলা হয়। সেদিন রাবণকে পুজো করেন ভক্তেরা। শিবের প্রতি তাঁর গভীর ভক্তিই এই পুজোর অন্যতম কারণ বলে মনে করা হয়।

রাজাস্থানের যোধপুরে রাবণকে ঘিরে রয়েছে ভিন্ন এক বিশ্বাস। প্রচলিত লোককথা অনুযায়ী, রাবণের সঙ্গে মন্দোদরীর বিবাহের সূত্রে এই অঞ্চলের যোগ রয়েছে। সেই বিশ্বাস থেকেই স্থানীয় কিছু সম্প্রদায়ের মানুষ রাবণকে শ্রদ্ধা করেন। দশেরায় রাবণদহন থেকেও তাঁরা দূরে থাকেন।

 

প্রচলিত লোককথা অনুযায়ী, রাবণের স্ত্রী মন্দোদরী ছিলেন মধ্যপ্রদেশের বিদিশার মেয়ে। বিদিশার রাবণগ্রামে রয়েছে রাবণের মন্দির।  গ্রামের প্রায় ১০ ফুট উচ্চতার রাবণমূর্তিতে পুজো দিতে আসেন ভক্তেরা। বিয়ে-সহ বিভিন্ন শুভ অনুষ্ঠানের আগেও অনেকে পুজো দেন।

হিমাচল প্রদেশের কাঙরায় রাবণকে স্মরণ করার নেপথ্যে রয়েছে শিবভক্তির কাহিনি। প্রচলিত বিশ্বাস, কঠোর তপস্যায় মহাদেবকে সন্তুষ্ট করেছিলেন রাবণ। সেই কারণেই দশমীতে এখানে রাবণের কুশপুতুল পোড়ানোর রীতি প্রচলিত নয়।

উত্তর প্রদেশের বিসরাখের বাসিন্দাদের একাংশের বিশ্বাস, এই গ্রামেই জন্ম হয়েছিল রাবণের। তাই দশেরায় রাবণদহনের বদলে নবরাত্রির নয় দিন ধরে শোকপালনের প্রথা রয়েছে বলে কথিত। রামায়ণের পরিচিত কাহিনির বাইরে এই বিশ্বাসই বিসরাখকে স্বতন্ত্র পরিচিতি দিয়েছে।

অন্ধ্রপ্রদেশের পূর্ব গোদাবরী জেলায় কাঁকিনাড়ার রাবণ মন্দির অবস্থিত। স্থানীয় জনশ্রুতি অনুযায়ী, মহাদেবের উদ্দেশে মন্দির নির্মাণের জন্য রাবণ এই স্থান বেছে নিয়েছিলেন। সমুদ্রের কাছাকাছি অবস্থিত এই মন্দির ঘিরে ভক্তদের আগ্রহ রয়েছে।

মহারাষ্ট্রের গড়চিরোলিতে গোন্ড জনসমাজের একাংশ রাবণ ও তাঁর পুত্র মেঘনাদকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। ফাল্গুন মাসে তাঁদের ঘিরে পুজোর আয়োজন করা হয় বলে জানা যায়। এই প্রথায় রাবণের পরিচয় কেবল লঙ্কার রাজা হিসেবে সীমাবদ্ধ নয়।

মধ্যপ্রদেশের মন্দসুরেও রাবণকে ঘিরে রয়েছে বিশেষ লোকবিশ্বাস। প্রচলিত ধারণা, এখানেই মন্দোদরীর সঙ্গে তাঁর বিবাহ হয়েছিল। সেই সূত্রে স্থানীয় মানুষের একাংশের কাছে রাবণ বিশেষ শ্রদ্ধার পাত্র। দশেরায় রাবণদহনের প্রচলিত ধারণার পাশাপাশি এখানে দেখা যায় অন্য এক সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য। 

পুজোয় নিরামিষ রান্নায় স্বাদ বদলাতে বাড়িতে বানান ধাবা স্টাইলে লাহোরি ভেজ কিমা

মাত্র ১০% প্রক্রিয়াজাত খাবার বাদ দিলেই কমবে কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি!

আর্থিক দুর্নীতির মামলায় আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে জামিন দিল সুপ্রিম কোর্ট

নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট ও এক দিনের দল ঘোষিত, জায়গা পেলেন না শামি

কবে পড়ছে পাপমোচনে সহায়ক পাপঙ্কুষ একাদশী, জেনে নিন লক্ষ্মীনারায়ণ পুজোর সময়

ভুলেও করবেন না এই কাজ, মা দুর্গাকে তুষ্ট করতে অর্পণ করবেন কোন ফুল?