অষ্টমীর ভোগ রাঁধেন বাড়ির পুরুষরা, দশমীতে মাকে নিবেদন পোড়ামাছ! মণ্ডল বাড়ির পুজোয় অভিনব রীতি

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: বাড়ি নেই, নেই কোনও বনেদি পরিবারের গণ্ডি। অথচ দুর্গাপুজোর পাঁচটা দিন এক ছাদের তলায় মিলেমিশে যান ৩১০ জন সদস্য। পুজো ঘিরে আত্মীয়তার বন্ধনই হয়ে উঠেছে সবচেয়ে বড় পরিচয়। শুধু তাই নয়, একই গ্রামে মুখোমুখি দুটি মন্দিরে একসঙ্গে পুজো পান দেবী দুর্গা। রয়েছে এমন কিছু রীতিনীতি, যা আজও বদলায়নি সময়ের সঙ্গে। অষ্টমীর ভোগ রান্না করেন বাড়ির পুরুষরা। আবার দশমীতে মাকে বিদায় জানানোর আগে নিবেদন করা হয় পোড়ামাছের ভোগ। এমনই নানা প্রাচীন পরম্পরা আর পারিবারিক ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ আসানসোলের বড়তোড়িয়া গ্রামের মণ্ডল পরিবারের দুর্গাপুজো।

বাংলার বনেদি বাড়ির দুর্গাপুজোর ইতিহাস কয়েকশো বছরের পুরনো। ষোড়শ শতক থেকেই বাংলার ধনী পরিবারগুলির পুজো বিশেষ পরিচিতি পেতে শুরু করে। ব্রিটিশ শাসনকালে সেই পুজো অনেক ক্ষেত্রেই সামাজিক মিলনমেলার রূপ নেয়। সামন্ত রাজাদের হাত ধরে শুরু হওয়া সেই ঐতিহ্যরই ধারক আসানসোলের বড়তোড়িয়া গ্রামের মণ্ডল পরিবার। পরিবার সূত্রে জানা যায়, একসময় শেরগড় পরগনার, বর্তমানে পশ্চিম বর্ধমানের সামন্ত রাজা ছিলেন মণ্ডল পরিবারের পূর্বপুরুষরা। তাঁদের হাত ধরেই শুরু হয়েছিল দুর্গাপুজো। সময়ের সঙ্গে পরিবারের সদস্যসংখ্যা বেড়েছে। বর্তমানে প্রায় ৩১০ জন সদস্যের সম্মিলিত উদ্যোগে সেই পুজোর আয়োজন হয়। এখানে আলাদা কোনও বনেদি বাড়ি নেই। বরং দুটি মুখোমুখি মন্দিরকে কেন্দ্র করেই চলে পুজোর যাবতীয় আয়োজন। একই সময়ে দুই মন্দিরে আরাধিত হন দেবী দুর্গা।

আরও পড়ুন: অভয়ার বিচারের দাবিতে ফের আন্দোলনের ডাক, সন্দীপ ঘোষের জামিনে ক্ষোভে ফুঁসছে চিকিৎসক মহল

মণ্ডল পরিবারের পুজোয় পাঁচ দিনই দেবীকে ভোগ নিবেদন করা হয়। তবে অষ্টমীর ভোগ ঘিরে রয়েছে বিশেষ রীতি। এদিন রান্নার দায়িত্ব থাকে পরিবারের পুরুষ সদস্যদের হাতে। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলে আসছে এই নিয়ম। পরিবারের সদস্যদের কাছে এটি শুধুই রান্নার রীতি নয়, বরং পুজোর ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ষষ্ঠীর দিন অধিবাসের ভাত দিয়ে শুরু হয় ভোগের পর্ব। এরপর প্রতিদিনই চলে নানা আয়োজন। দশমীর দিন মৎস্য এবং খই-চিড়ে দিয়ে নিবেদন করা হয় মহাভোগ। তবে দশমীর ভোগের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে আরও এক বিশেষ প্রথা। মণ্ডল পরিবারের দুর্গাপুজোর অন্যতম আকর্ষণ দশমীর মাছের ভোগ। পারিবারিক রীতি অনুযায়ী, দশমীর সকালে পরিবারের প্রত্যেক সদস্যকে জীবন্ত চ্যাং মাছ দেখানো হয়। এরপর সেই মাছ দিয়েই তৈরি হয় দেবীর ভোগ। মাকে পোড়ামাছ নিবেদন না করা পর্যন্ত বিসর্জনের জন্য বিদায় জানানো হয় না। দীর্ঘদিন ধরে এই প্রথা মেনে আসছেন পরিবারের সদস্যরা।

সপ্তমীর সন্ধ্যায় ভিজবে শহরবাসী! দশমী পর্যন্ত উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া কেমন থাকবে?

হাসপাতালের মধ্যে নিশ্চিন্ত মনে সুখটান, দেখতে পেয়েই চিকি‍ৎসককে বরখাস্তের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

গা-ভর্তি সোনার গয়নায় সেজেছেন মা দুর্গা, রাত জেগে ১৫টি মণ্ডপের নিরাপত্তায় ‘নিদ্রাহীন’ পুলিশ

ইন্টারনেট ব্যবহার করা শিশুদের মৌলিক অধিকার, জানাল সুপ্রিম কোর্ট

বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই ১০ জন, অবৈধভাবেই চলছিল কক্সবাজারের অভিশপ্ত রিসর্টটি

হুথিদের হামলায় কাঁপছে সৌদি আরব! ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত বিমান পরিষেবা বাতিল এয়ার ইন্ডিয়ার

পুজোর ছুটি কাটাতে গিয়ে রিসর্টের বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডে ঝলসে মৃত্যু একই পরিবারের ৬ জনের

সপ্তমীতে ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনা! দুর্গাপুরে ট্রাকের চাকায় আটকে মৃত ২

কক্সবাজারে রিসর্টে আগুন, ঘুমের মধ্যেই ঝলসে মৃত ৬ পর্যটক

কুপওয়ারাতে সেনার সঙ্গে গুলির লড়াই, নিকেশ দুই জঙ্গি

রাজ্যে আরও একবার এসআইআর চাইলেন শমীক ভট্টাচার্য

চিকিৎসার নামে যৌন নির্যাতন! গুয়াহাটি মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ভয়ঙ্কর অভিযোগ তরুণীর

আইপিএলের আগে বড় ধাক্কা মুম্বই ইন্ডিয়ান্সে, কোচের পদ ছাড়লেন মাহেলা জয়বর্ধনে

অভয়ার বিচারের দাবিতে ফের আন্দোলনের ডাক, সন্দীপ ঘোষের জামিনে ক্ষোভে ফুঁসছে চিকিৎসক মহল