🎉 Happy Birthday Ei Muhurte 🎉
এই মুহূর্তে

‘‌১ এপ্রিল থেকে চালু হবে যুব সাথী’‌, নবান্ন থেকে ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিনিধি:‌ আজ, মঙ্গলবার যুব সাথী নিয়ে বড় পরিকল্পনার কথা জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবারের রাজ্য বাজেটে এই নয়া প্রকল্প ঘোষণা করা হয়েছিল। সেটাই কেমন করে বেকার যুবক–যুবতীরা পাবেন তা নিয়ে একটা রূপরেখা তৈরি করে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। দুয়ারে সরকারের ধাঁচে এই প্রকল্প বাস্তবায়িত করা হবে। এই প্রকল্প নিয়ে আগে বলা হয়েছিল, ১৫ আগস্ট থেকে চালু করা হবে। তবে সেটা আরও আগে থেকে চালু করা হবে বলে আজ জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

এদিকে ‘‌যুব সাথী’‌ প্রকল্পে বেকার যুবক–যুবতীরা মাসে ১৫০০ টাকা করে পাবে। তবে বয়স ২১ থেকে ৪০ বছর পর্যন্ত যুবক–যুবতীরা এই প্রকল্প পাবেন। টানা পাঁচ বছর এই প্রকল্প পাবেন বেকার যুবক–যুবতীরা। এই বিষয়ে আজ নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাংবাদিক বৈঠক করে বলেন, ‘যুব সাথী প্রকল্প আগামী ১ এপ্রিল থেকে চালু করা হবে। আগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসা হচ্ছে। কারণ যেহেতু নতুন অর্থবর্ষ চালু হচ্ছে তাই ১ এপ্রিল তারিখকে বেছে নেওয়া হয়েছে। ওই দিন থেকে এই প্রকল্প চালু করা হবে।’‌‌

অন্যদিকে এই প্রকল্প সকল বেকার যুবক–যুবতীদের কাছে পৌঁছে দিতে পরিকল্পনাও করা হয়েছে। মুখ্যসচিবের সঙ্গে এই নিয়ে কথাও হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর। এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, ‘‌প্রথমে এই প্রকল্প দিতে সংবাদমাধ্যমে বিজ্ঞাপন দেওয়া হবে। তারপর আবেদন নেওয়া হবে। এই আবেদন জমা নিতে দুয়ারে সরকারের ধাঁচে ক্যাম্প করা হবে। ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রে পৃথক পৃথক ক্যাম্প করা হবে। এই প্রকল্পে শিক্ষিত বেকার অর্থাৎ মাধ্যমিক পাশ করলেই দেওয়া হবে দেড় হাজার টাকা। যদি কোনওরকম স্কলারশিপ পেয়ে থাকেন, তাতে কোনও সমস্যা নেই। তবে স্কলারশিপ ছাড়া যদি রাজ্য সরকারের অন্য কোনও জনমুখী প্রকল্পের আওতায় থেকে থাকেন, তাহলে যুব সাথীর সুবিধা মিলবে না।’‌

এছাড়া এই প্রকল্প পেতে অনলাইনে আবেদন করা যাবে না। কারণ সময় কম বলেও জানিয়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায়, ‘‌যেহেতু সময় কম, তাই অনলাইনে আবেদনপত্র জমা নেওয়া হবে না। কে পাঠাবে না পাঠাবে, রিভিউ করতে সময় লাগবে। ফলে বঞ্চিত হয়ে পড়তে পারেন। আমরা তা চাই না। কষ্ট করে এসে দরখাস্ত করে যাবেন। আমাদের কাছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার–সহ সব প্রকল্পের তালিকা রয়েছে। এটাই বলার ছিল। যাঁরা আবেদন জমা করবেন, তাঁরা রসিদ পাবেন। আবেগন ডিজিটাইজও করা হবে। প্রত্যেক শিবিরে তিনটি বিভাগ থাকবে। যুবসাথীদের সুবিধা দেওয়ার জন্য যুব এবং ক্রীড়া বিভাগ থাকবে। ভূমিহীন ক্ষেতমজুরদের জন্য বছরে দু’বার ২০০০ টাকা করে দেওয়া হবে। তাদের জন্য কৃষি বিভাগ থাকবে। সেই সঙ্গে মাইনর ইরিগেশন এবং পাওয়ার বিভাগ থাকবে। ঐক্যশ্রী, মেধাশ্রী বা স্মার্টকার্ড বৃত্তি পেলে এই ভাতা পেতে পারবেন। যত দিন চাকরি না পাচ্ছেন, তত দিন তাঁরা ভাতা পাবেন।’‌

 

Published by:

Ei Muhurte

Share Link:

More Releted News:

চাকরি দিচ্ছে কলকাতা বন্দর কর্তৃপক্ষ, মাইনে ৪০ হাজার! জেনে নিন বিস্তারিত তথ্য

নেপাল থেকে দিল্লি পাচারের আগে বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে উদ্ধার বিপুল পরিমান হীরা

ভবানীপুরে মমতার বিরুদ্ধে বিজেপির সম্ভাব্য প্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়!

ফের পাতালপথে মেট্রো বিভ্রাট, অফিস ফেরত যাত্রীদের হয়রানি চরমে

স্কুলের মিড ডে মিলে এলাহি আয়োজন, খুশিতে ভাসল খুদেরা

২ মার্চেই ভোট ঘোষণা? বাংলায় জোর গুঞ্জন তিন দফা ভোট নিয়ে

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ