এই মুহূর্তে

‘এরা পারে না, এমন কাজ নেই’‌, ডাবগ্রাম–ফুলবাড়ির সভায় কমিশনকে তোপ মমতার

নিজস্ব প্রতিনিধি:‌ বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। আর তারপরই প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করতে শুরু করে বিরোধী দলগুলি। যদিও আংশিক প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে বিরোধীরা। সেখানে পূর্ণাঙ্গ প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে তৃণমূল কংগ্রেস ব্যাকফুটে পাঠিয়ে দেয় বিরোধীদের। এই আবহে এখন জোরদার ভোট প্রচারে নেমে পড়েছে রাজনৈতিক দলগুলি। সব দলের প্রার্থীরাই এখন নিজ নিজ কেন্দ্রে চষে বেড়াচ্ছেন। তার মধ্যে এবার নির্বাচন ‌কমিশনের ওয়েবসাইটে ব্যাপক বিভ্রাট! রাজ্যের অধিকাংশ ভোটার তাদের নিরিখে চলে গিয়েছে অ্যাডজুডিকেশন লিস্টে। দু’‌ঘণ্টা পর অবশ্য ঠিক হয়েছে বলে খবর। এই আবহে এবার ডাবগ্রাম–ফুলবাড়ি থেকে দিল্লি দখলের অঙ্গীকার করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এদিকে আজ, বুধবার ডাবগ্রাম–ফুলবাড়ি থেকে কেন্দ্র এবং নির্বাচন কমিশনকে তোপ দাগেন তৃণমূলনেত্রী। এদিন প্রচার সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিশানা, ‘‌যাঁরা মানুষের উপর অত্যাচার করে তাদের জলে ডুবে মরা উচিত। খাওয়া–দাওয়া তো বন্ধ। ওদিকে রেলের ভাড়া তো রোজই বাড়ে। আপনারা জানেন তো, আপনারা ছাড়া আমার আর কেউ নেই। আমার গভর্নমেন্টের সব অফিসারদের বদলি করে দিয়েছে। সব বিজেপি অফিসারদের নিয়ে এসেছে। কেন জানেন? আমাকে জব্দ করার জন্য। ওরা জানে না, আহত বাঘ আরও ভয়ঙ্কর। আগামী দিনে বোঝাব, দেখাব বাংলা দখল করে দিল্লি দখল করব।’‌

অন্যদিকে উত্তরবঙ্গ ভাগ করা নিয়ে বিজেপিকে তুলোধনা করেছেন দলনেত্রী। আর মানুষজনকে সতর্ক করেছেন বিজেপির কাজ নিয়ে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তোপ, ‘‌জানেন তো কাল রাতে সকলের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ গিয়েছিল। খুলে দেখছি, আমার নামটাও অ্যাডজ়ুডিকেশনে। এরা পারে না, এমন কাজ নেই। তার পরে বলছে, টেকনিক্যাল গ্লিচ। এই ডাবগ্রাম–ফুলবাড়ি তো ওরা পেয়েছিল। কী করেছে? যা করেছি তো আমরা করেছি। একটা কাজও করে না। নেই কাজ তো খই ভাজ। রাজপ্রসাদ থেকে লাট্টু–চরকি ঘোরা। সব জায়গায় আসছে নোটের তাড়া। যদি এনআরসি না চান, ডিটেনশন না চান, যদি লক্ষ্মীর ভাণ্ডার চান, এলাকায় শান্তি রাখতে চান, তা হলে মনে রাখবেন তৃণমূল কংগ্রেসের বিকল্প নেই।’‌

তাছাড়া উত্তরবঙ্গ ভাগ করার চক্রান্ত নিয়ে সুর সপ্তমে তোলেন তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ারপার্সন। এমনকী ভোটের সময় বিজেপি টাকা দিতে এলে কী করতে হবে সেটাও বাতলে দেন তিনি। এই বিষয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষোভ উগরে নিশানা করেন, ‘‌বিহারে দুটো–চারটে জেলা এবং উত্তরবঙ্গের কয়েকটা জেলা নিয়ে আপনারা আলাদা রাজ্য করবেন? আবার বাংলাকে মাথানত করবেন? কিছুতেই হতে দেব না। টাকা দিতে চাইলে বলবেন, ১৫ লাখ চাই। ২ কোটি চাকরি বছরে ওরা দেবে বলেছিল। আমরা কিন্তু ২ কোটি চাকরি দিয়েছি। বেকারি কমিয়েছি গোটা রাজ্যে। তথ্য আছে। উত্তরবঙ্গ আগে অবহেলিত ছিল। এখন আমি প্রতি মাসে আসি। আগে শিলিগুড়ির কী অবস্থা ছিল?‌ আজ দেকুন সেখানে কেমন কাজ করেছি। আরও কাজ করব। উত্তরবঙ্গে এখন অনেক উন্নয়ন হয়েছে। দুর্যোগের রাত জেগে এখানে ছিলাম। রান্নার গ্যাসের দাম কত?‌ কোথায় গেল উজালা?‌ নির্বাচনের সময় দেয় টাকা। আর নির্বাচন হয়ে গেলে সব ফাঁকা।’‌

Published by:

Ei Muhurte

Share Link:

More Releted News:

ট্রাইবুনালের জন্যে গিয়ে সারাদিন কাটিয়ে বিফল হয়ে ফিরে যাচ্ছেন অসংখ্য মানুষ

SIR তালিকায় পরিবারের সকলের নাম বিচারাধীন, আতঙ্কে ব্রেন স্টোকে আক্রান্ত মহিলা

হরিশচন্দ্রপুরে প্রচারে বেরিয়ে বাড়ি তৈরীর রাজমিস্ত্রির জোগানদার হলেন বিজেপি প্রার্থী

বিজেপির তৃতীয় প্রার্থী তালিকা প্রকাশ, পানিহাটিতে প্রার্থী আরজি করের খুন হওয়া চিকি‍ৎসকের মা

পুরুলিয়ার কোটশিলায় মূর্তি ভাঙচুর ঘিরে রাজনৈতিক তরজা, গ্রেফতার চার

বসিরহাটে একাধিক গ্রামে সকল ভোটারদের নাম ডিলিট সাপ্লিমেন্টারি তালিকায়

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ