🎉 Happy Birthday Ei Muhurte 🎉
এই মুহূর্তে

সিপিএমের ‘হেভিওয়েট’ প্রার্থীরা আগের আসনে দাঁড়াতে চাইছেন না, কেন এমন ভাবনা?‌

নিজস্ব প্রতিনিধি:‌ জোট হবে কি হবে না, কার সঙ্গে সখ্যতা বাড়ানো হবে এবং কার হাত ধরা হবে না—এই নিয়ে এতদিন সিপিএমের অন্দরে আলোচনা চলছিল। এবার সিপিএমের ‘হেভিওয়েট’ প্রার্থীরা নিজেদের ভাবনা জানিয়ে দিয়ে বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে সবটা গুলিয়ে দিলেন। কারণ এই ‘‌হেভিওয়েট’‌ প্রার্থীরা ২০২১ সালে যে আসনে প্রার্থী হয়ে গোহারা হেরেছিলেন, সেই আসনে এবার প্রার্থী হতে চাইছেন না বলে সূত্রের খবর। আর এই খবর সামনে আসতেই জোর চর্চা শুরু হয়েছে রাজ্য–রাজনীতিতে। কারণ এই সিপিএম নেতারাই সব বিষয়ে বড় বড় ভাষণ দিয়ে থাকেন। আর এখন মানুষের মুখোমুখি হতে ভয় পাচ্ছেন। এমনই মত পোষণ করছেন আমজনতারা। তাই চাপ বেড়েছে আলিমুদ্দিনের।

এদিকে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে অধিকাংশ আসনের পাশাপাশি নিজেদের বুথেও জামানত জব্দ হয়েছিল সিপিএম প্রার্থীদের। এবার সেই একই কাণ্ড ঘটুক সেটা চান না ‘‌হেভিওয়েট’‌ নেতারা। এই সিদ্ধান্তের ফলে একটা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে—তাহলে কি লালপার্টির সংগঠন ক্ষীণ হয়ে রয়েছে?‌ গত পাঁচ বছর ধরে দেখা গিয়েছে, সাধারণ মানুষের দাবি নিয়ে রাস্তায় নেমে তেমন কোনও বড় গণ আন্দোলন তাঁরা করেননি। বিপদে মানুষের পাশে গিয়ে দাঁড়াননি। শুধু নিজেদের বিপ্লব দেখিয়েছেন, ফেসবুক, এক্স হ্যান্ডেল, ইউটিউব এবং সবশেষে সংবাদমাধ্যমের টক–শোয়ে। এই কারণেই পুরনো আসনে আর প্রার্থী হতে চাইছেন না ‘‌হেভিওয়েট’‌ প্রার্থীরা বলে সূত্রের খবর। তাই এখন বেকায়দায় পড়ে বিকল্প পথ ধরতে চাইছেন।

অন্যদিকে কেন্দ্রীয় সরকারের বিমাতৃসুলভ আচরণ নিয়ে সিপিএমকে আন্দোলন করতে দেখা যায়নি। এসআইআর নিয়ে যখন সাধারণ মানুষ হয়রানির শিকার হচ্ছেন তখনও পাশে পাওয়া যায়নি সিপিএম নেতাদের। এমনকী মতুয়া থেকে শুরু করে অন্যান্য সম্প্রদায়ের মানুষ যখন এনআরসি নিয়ে আতঙ্কে ছিলেন তখনও সিপিএম নেতাদের তেমন কোনও উদ্যোগ নিতে দেখা যায়নি। বরং বেশি করে দেখা গিয়েছিল, বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে গালিগালাজ করতে এবং রাজ্য সরকারের নানা বিষয় নিয়ে বাপ–বাপান্ত করতে। সেগুলিও সোশ্যাল মিডিয়ায় এবং সংবাদমাধ্যমে। ফলে বুথ স্তরে সংগঠন তলানিতে পৌঁছেছে। সেটা এখন টের পেয়েই আগের আসন থেকে সরে যেতে চাইছেন ‘‌হেভিওয়েট’‌ নেতারা বলে সূত্রের খবর।

এছাড়া ‘হেভিওয়েট’ নেতা–নেত্রীরা কেউই নিজের পরাজিত আসনে আর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চাইছেন না বলে আলিমুদ্দিনের শীর্ষ নেতাদের জানিয়ে দিয়েছেন। এমনকী মীনাক্ষী মুখোপাধ‌্যায়, শতরূপ ঘোষ, সৃজন ভট্টাচার্য, সপ্তর্ষি দেব, সায়ন বন্দ্যোপাধ‌্যায়ের মতো ‘নয়া প্রজন্মে’র প্রার্থীরাও গত বিধানসভা নির্বাচনে হেরে যাওয়ার পর আর পুরনো বিধানসভা কেন্দ্রে পা রাখেননি বলে অভিযোগ। তাই এখন সেখানে আর মুখ দেখাবার অবস্থা নেই। আর একইভাবে মহম্মদ সেলিম চণ্ডীতলা, টালিগঞ্জে দেবদূত ঘোষ, দমদম উত্তরে তন্ময় ভট্টাচার্য বা দুর্গাপুর পূর্বে আভাস রায়চৌধুরিরা পা রাখেননি বলে অভিযোগ। তাই নতুন আসনে প্রার্থী হতে চাইছেন বলে সূত্রের খবর।

Published by:

Ei Muhurte

Share Link:

More Releted News:

চাকরি দিচ্ছে কলকাতা বন্দর কর্তৃপক্ষ, মাইনে ৪০ হাজার! জেনে নিন বিস্তারিত তথ্য

নেপাল থেকে দিল্লি পাচারের আগে বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে উদ্ধার বিপুল পরিমান হীরা

ভবানীপুরে মমতার বিরুদ্ধে বিজেপির সম্ভাব্য প্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়!

ফের পাতালপথে মেট্রো বিভ্রাট, অফিস ফেরত যাত্রীদের হয়রানি চরমে

স্কুলের মিড ডে মিলে এলাহি আয়োজন, খুশিতে ভাসল খুদেরা

২ মার্চেই ভোট ঘোষণা? বাংলায় জোর গুঞ্জন তিন দফা ভোট নিয়ে

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ