বাড়ি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়ার পর গুহাতেই সংসার! সন্তানদের নিয়ে ‘পাতালঘরে’ ফিলিস্তিনি পরিবার

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: একসময় ছিল নিজের বাড়ি। মাথার উপর ছাদ, জানলা দিয়ে দেখা যেত বাইরের পৃথিবী। কিন্তু সেই বাড়ি ভেঙে দেওয়ার পর বাধ্য হয়ে এবার পাহাড়ের গুহাকেই ঘর বানিয়েছেন এক ফিলিস্তিনি পরিবার। কংক্রিটের মেঝে, চুনকাম করা পাথরের দেওয়াল এবং অল্প আলওর মধ্যে গুহাতেই চলছে সংসার। পশ্চিম তীরের মাসাফের ইয়াত্তা অঞ্চলের এই ছবি যেন যুদ্ধ ও সংঘাতের মধ্যে সাধারণ মানুষের জীবনযুদ্ধের এক কঠিন বাস্তবতাকে সামনে এনেছে।   

আরব নিউজের AFP-র প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে, ৩৩ বছর বয়সি ফিলিস্তিনি পশুপালক মহম্মদ এমার তাঁর দুই স্ত্রী ও ১১ সন্তানকে নিয়ে এখন গুহাতেই বসবাস করছেন। ইজরায়েলি সেনাবাহিনী তার দুটি বাড়ি ভেঙে দেওয়ার পর  প্রথমে তাঁরা তাঁবু খাটিয়ে আশ্রয় নিয়েছিলেন। পরে পাহাড়ের প্রাচীন গুহাকে নতুন করে বসবাসযোগ্য করে তোলেন। গুহার এবড়োখেবড়ো চুনাপাথরের মেঝেতে কংক্রিট ঢেলে সমতল করা হয়েছে। পাথরের দেওয়ালে দেওয়া হয়েছে সাদা চুনের প্রলেপ। সৌর প্যানেল থেকে বিদ্যুৎ এবং কুয়ো থেকে জল এনে গুহাটিকেই কার্যত বাড়িতে পরিণত করেছেন তাঁরা। এমনকি সন্তানদের জন্য রয়েছে ছোট্ট উঠোনও। সেখানে মেয়েরা আরবি গান গেয়ে সময় কাটায়। এমার বলেছেন, ‘একসময় আমরা মাটির উপরে এমন এক বাড়িতে থাকতাম, যেখান থেকে পুরো পৃথিবী দেখা যেত। কিন্তু আজ আমরা মাটির নিচের এমন এক গুহায় থাকি যা দেখতে কবরের মতো।’ এমারের বাড়ির ধ্বংসাবশেষ এখনও গুহার উপরে পড়ে রয়েছে। প্রায় তিন বছর আগে তাঁর দুটি বাড়ি ভেঙে দেওয়া হয়েছিল বলে তিনি জানিয়েছেন। স্থানীয় পরিবারগুলির দাবি, কারও বাড়ি ধ্বংস হলে প্রতিবেশী ও আত্মীয়রা মিলে নতুন আশ্রয় তৈরিতে সাহায্য করেন। 

জানেন কেন বাড়ি ভাঙা হয়েছে  

মাসাফের ইয়াত্তা দক্ষিণ পশ্চিম তীরের একটি শুষ্ক ও পাহাড়ি এলাকা। সেখানে বাড়িঘর ভাঙা এবং স্থানীয় ফিলিস্তিনি ও ইজরায়েলি বসতিস্থাপনকারীদের মধ্যে উত্তেজনার ঘটনা নিয়মিত ঘটে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ইজরায়েলি কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, ইজরায়েলি নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকায় অনুমতি ছাড়া নির্মাণ বেআইনি। অন্যদিকে স্থানীয় ফিলিস্তিনিদের অভিযোগ, বাড়ি তৈরির অনুমতি পাওয়ার আবেদন প্রায় নিয়মিতভাবেই প্রত্যাখ্যান করা হয়। 

পুজোর মধ্যেই ভোটের বাদ্যি, ষষ্ঠীর দিনেই কোয়েলের ছেড়ে দেওয়া রাজ্যসভা আসনে নির্বাচন

হার্ট অ্যাটাকের সময় বাড়িতে একা? নিজেকে সামলাতে মাথায় রাখুন এই ৪ পদ্ধতি

গনেশ উৎসব চলাকালীন মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! ফুটন্ত সম্বরের পাত্রে পড়ে মৃত্যু মহিলার

ডেডলাইন শেষ, স্পিকারের নোটিসের জবাব দিতে আরও ৪ সপ্তাহ সময় চাইছেন সুদীপ-কাকলিরা

সুখবর! পুজো পরেই অ্যাকাউন্টে ঢুকবে আবাসের ৬০ হাজার টাকা, পাবেন ৩০ লক্ষ পরিবার

আপনার টুথপেস্ট নিরামিষ না আমিষ? একাধিক পণ্যের প্যাকেটে প্রতীক ব্যবহারের নির্দেশ কেন্দ্রের

বিয়েবাড়ি থেকে ফেরার পথে ভয়াবহ দুর্ঘটনা, কুলুতে খাদে গাড়ি পড়ে মৃত ৪

১২৫ বছর বয়সে ‘সবচেয়ে প্রবীণ’ ভোটার পেলেন SIR-এর নোটিস

প্রথমবার কোচবিহারে শুভেন্দু, জলদাপাড়ায় নামকরণ করবেন দুই হস্তীশাবকের

নিম্নচাপের জেরে সকাল থেকেই বৃষ্টি, আরও বাড়বে দাপট! রাজ্যের কোন কোন জেলায় ভারী বর্ষণ?

টাইফুন ‘দুজুয়ান’-এর তাণ্ডবে বিপর্যস্ত জাপান! ভূমিধসে মৃত ২, নিখোঁজ একাধিক

বাড়ি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়ার পর গুহাতেই সংসার! সন্তানদের নিয়ে ‘পাতালঘরে’ ফিলিস্তিনি পরিবার

ভাঙড় কলেজে বিক্ষোভ ও অশান্তির ঘটনায় গ্রেফতার ৪, ধৃতদের আজই পেশ আদালতে

মর্মান্তিক! সরকারি হাসপাতালে এসি বিস্ফোরণে মৃত্যু দুই সদ্যোজাতের