চোখ রাখুন
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

নির্বাচন কমিশনের রোষানলে পড়তে চলেছেন একাধিক জেলাশাসক ও পুলিশ সুপার

নিজস্ব প্রতিনিধি: ভোট নির্ঘন্ট ঘোষণার ২৪ ঘন্টার মধ্যেই নজিরবিহীনভাবে রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে সরিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশনার। অপসারিত করা হয়েছে স্বরাষ্ট্রসচিব, রাজ্য পুলিশের ডিজি, কলকাতার পুলিশ কমিশনার-সহ শীর্ষ পুলিশ কর্তাদের। সূত্রের খবর, এবার রাজ্যের একাধিক জেলার জেলাশাসক ও পুলিশ সুপার এবং পুলিশ কমিশনারকে সরানোর রাস্তায় হাঁটছে জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশন। ইতিমধ্যেই কলকাতার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর থেকে দিল্লির নির্বাচন সদনে তালিকা পাঠানো হয়েছে। সেই তালিকা অনুযায়ী বদলি করা হচ্ছে। বিশেষ করে রাজ্য ক্যাডারের আমলা ও পুলিশ আধিকারিকরা (ডব্লিউবিসিএস ও ডব্লিউবিপিএস) কমিশনের রোষানলে পড়ে পদ হারাতে চলেছেন। তাদের পরিবর্তে সরাসরি আইএএস ও আইপিএস ক্যাডারভুক্ত আধিকারিকদের পাঠানো হচ্ছে। অর্থা‍ৎ বাংলার ভোটে সিংহভাগ  ‘অবাঙালি’ আমলা ও পুলিশ কর্তারাই গুরুদায়িত্ব সামলাবেন। পাশাপাশি ‘বিজেপি ঘনিষ্ঠ’ বেশ কয়েকজন বাঙালি আমলা ও পুলিশ কর্তাদের   বিভিন্ন জেলার জেলাশাসক ও পুলিশ সুপার পদে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য এসআইআর পর্বে সরাসরি সঙ্ঘাতে জড়িয়েছিল ডব্লিউবিসিএস অ্যাসোশিয়েশন ও রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর। রাজ্য ক্যাডারের আমলাদের করুণ পরিণতির হুমকি দিয়েছিলেন ‘অবাঙালি’ মনোজ আগরওয়াল।

কমিশনের এক আধিকারিক (নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক) জানিয়েছেন, ‘একদম নতুন টিম নিয়েই এবারের বিধানসভা ভোট পরিচালনা করা হবে। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কমিশনের বিরুদ্ধে যে ‘যুদ্ধ’ শুরু করেছেন, এবার সেই যুদ্ধ অন্য মাত্রা পাবে। তৃণমূল ঘনিষ্ঠ কোনও আমলা ও পুলিশ আধিকারিককে ভোট প্রক্রিয়ায় রাখা হবে না। গত তিন মাস ধরেই খোঁজখবর নিয়ে তৃণমূলকে পছন্দ করেন না এমন আমলা ও পুলিশ আধিকারিকের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। তাদেরই দায়িত্ব দেওয়া হবে। যেমনটা হয়েছিল ২০১১ সালের ভোটের সময়ে।’

সূত্রের খবর, রাজ্যের মুখ্যসচিব-স্বরাষ্ট্রসচিব-ডিজি-কলকাতার পুলিশ কমিশনারকে রাতারাতি সরানোর ক্ষেত্রে ‘বিশেষ ভূমিকা’ পালন করেছেন প্রাক্তন আমলা সুব্রত গুপ্ত। যাকে নির্বাচনী পর্যবেক্ষক হিসাবে নিয়োগ করা হয়েছে। দীর্ঘদিন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নানা পদে কাজ করার সুবাদে আমলা ও পুলিশ আধিকারিকদের কারা সরকারের সমালোচক, তা ভালই জানেন তিনি। ওই সমস্ত আমলা ও আধিকারিকদের হাতেই ভোট পরিচালনার দায়িত্ব তুলে দেওয়া হচ্ছে। যে সমস্ত জেলার জেলাশাসকদের বদলির সম্ভাবনা সেগুলো হল-পূর্ব মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, বীরভূম, পুরুলিয়া, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, মুর্শিদাবাদ, মালদা, জলপাইগুড়ি।’

Published by:

Share Link:

More Releted News:

প্রথম দফার বিধানসভা নির্বাচনে ৩০৯ জন প্রার্থী কোটিপতি, সেরা ধনী কে?‌

কোচবিহারের মদনমোহন মন্দিরে মুখ্যমন্ত্রী, নিজের হাতে থালা সাজিয়ে দিলেন পুজো

প্রথম দফায় শুভেন্দু অধিকারীর নন্দীগ্রাম-সহ ৬৬ আসনে ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি

‘পদ্ম পাঁকে ফোটে, বাংলার মাটিতে ফুটবে না’, পুরুলিয়া থেকে বিজেপিকে হুঙ্কার সায়নীর

‘দাগ আচ্ছে হ্যায়’, দাগিদের প্রার্থী করায় তৃণমূলকে টেক্কা বিজেপির

বাংলায় প্রথম দফার ১৯ প্রার্থীর বিরুদ্ধে খুনের মামলা, কতজন ধর্ষণের আসামি?

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ