এই মুহূর্তে

শুভেন্দু ঘনিষ্ঠদের সংগঠন থেকে ছেঁটে ফেলায় খুশি আদি নেতারা, নির্বাচনের আগে আদি–নব্য কোন্দল চরমে

নিজস্ব প্রতিনিধি: শিয়রে বিধানসভা নির্বাচন। তাই বিজেপি জোরদার প্রচারে নেমেছে। কিন্তু এঁটে উঠতে পারছে না তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে। এই আবহে দিলীপ ঘোষকে সামনে আনা হয়েছে। আর তারপরই দেখা গেল শুভেন্দু ঘনিষ্ঠদের ছেঁটে ফেলা হচ্ছে। তাতে শুভেন্দু অধিকারী ব্যাপক ক্ষুব্ধ হলেও প্রকাশ্যে কিছু বলতে চাইছেন না। আর বিরোধী দলনেতার ঘনিষ্ঠরা বারবার তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করে কথা বললেও কোনও আশার আলো দেখতে পাননি। সুতরাং বিধানসভা নির্বাচনে তাঁরা খাটবেন না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে শুভেন্দু তাঁদের আশা দিয়েছেন, টিকিট পেতে পারেন তাঁরা। এখন চুপ করে থাকতে বলে সূত্রের খবর।

এদিকে শুরুতেই দেখা গিয়েছে রাজ্য কমিটি থেকে ছেঁটে ফেলা হয়েছে শুভেন্দু অধিকারী ঘনিষ্ঠদের। এবার বঙ্গ– বিজেপির ৪৩টি সাংগঠনিক জেলার ইনচার্জদের নাম ঘোষণা করা হলেও সেই তালিকাতে স্থান পেলেন না দলে শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠরা। এই ঘনিষ্ঠ কারা?‌ বিজেপি সূত্রে খবর, কৌস্তভ বাগচী, সজল ঘোষ, শঙ্কুদেব পণ্ডা এবং তরুণজ্যোতি তিওয়ারিরা। এই শুভেন্দু ঘনিষ্ঠরা বাদ পড়তেই বেজায় খুশি হয়েছেন আদি নেতারা। তাঁদের মত, শুভেন্দুকেই বাংলার মানুষ এখনও বিশ্বাস করে উঠতে পারেননি। সেখানে তাঁদের ঘনিষ্ঠদের কেমন করে বিশ্বাস করবেন?‌ বুধবার সাংগঠনিক জেলার ইনচার্জদের ঘোষিত তালিকায় দেখা যাচ্ছে সেখানে প্রাধান্য পেয়েছে দলের পুরনো মুখরা।

অন্যদিকে কৌস্তভ বাগচীকে ব্যারাকপুর থেকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে বঙ্গ–বিজেপির কিছু নেতা বলতে শুরু করেছেন। যদিও তাতে এখনও সিলমোহর পড়েনি। অথচ রাজ্য বিজেপির সহ–সভাপতি প্রবাল রাহা বারাকপুরের ইনচার্জ হিসাবে উঠে এসেছেন। একইসঙ্গে নয়া তালিকায় দেখা যাচ্ছে, আলিপুরদুয়ারের সাংসদ মনোজ টিগ্গা এবং কোচবিহারের প্রাত্তন সাংসদ নিশীথ প্রামাণিককে যথাক্রমে কোচবিহার ও শিলিগুড়ির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আর বর্ষীয়ান নেতা তাপস রায়কে দক্ষিণ কলকাতার ইনচার্জ করা হয়েছে। রাজ্য বিজেপির সহ–সভানেত্রী দেবশ্রী চৌধুরী বসিরহাট সাংগঠনিক জেলার ইনচার্জের দায়িত্ব পেয়েছেন। এঁরা সবাই আদি নেতা–নেত্রী।

এছাড়া এইসব হওয়ায় শুভেন্দু অধিকারী নিজেই চাপে পড়ে গিয়েছেন। আদি নেতারা খুশি হয়ে এখন মাঠে নেমে পড়েছেন। আর যাঁরা দায়িত্ব পেয়েছেন তাঁদের অধিকাংশই রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের ঘনিষ্ঠ বলে দাবি আদি বিজেপি নেতাদের। রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়কে মেদিনীপুর সাংগঠনিক জেলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। উত্তর কলকাতার দায়িত্ব পেয়েছেন তাপস মিত্র। কলকাতা উত্তর শহরতলি জেলার ইনচার্জ হয়েছেন সঞ্জয় সিং। তমলুক জেলার ইনচার্জ করা হয়েছে অনুপম মল্লিককে। কাঁথির দায়িত্ব পেলেন গৌরিশংকর অধিকারী। নিজের গড়ে নিজের ঘনিষ্ঠরা জায়গা না পাওয়ায় বেজায় ক্ষুব্ধ শুভেন্দু অধিকারী বলে সূত্রের খবর।

Published by:

Ei Muhurte

Share Link:

More Releted News:

কসবায় চলন্ত গাড়িতে যুবতীকে শ্লীলতাহানির ঘটনায় গ্রেফতার ৩, পলাতক ২

বঙ্গে শীতের বিদায় পর্ব শুরু, সপ্তাহের শেষে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৯ ডিগ্রির ঘরে পৌঁছবে

নিউটাউনের অভিজাত আবাসনে ডায়রিয়ায় অসুস্থ শতাধিক

SIR শুনানির ধাক্কা সামলাতে যুব মোর্চার রাজ্য কমিটিতে মতুয়া, রাজবংশীদের গুরুত্ব

মায়াপুর ইসকন মন্দির দর্শনে যাচ্ছেন অমিত শাহ, তুঙ্গে নিরাপত্তা-প্রস্তুতি

নির্বাচন কমিশনের দাদাগিরি! ৭ বাঙালি AERO-কে সরাসরি সাসপেন্ড

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ