হাইকোর্টের কেড়ে নেওয়া চাকরি চেয়ে সুপ্রিম শুনানি ২ সপ্তাহ বাদে

শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় যে ২৬৯ জন শিক্ষককে চাকরিচ্যুত করার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট সেই মামলার শুনানি চলতি মাসেই।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: বাংলায়(Bengal) স্কুল শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির(School Teachers Recruiting Scam) মামলায় একদিকে যেমন আদালতের নির্দেশে দুই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ED ও CBI তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে তেমনই কলকাতা হাইকোর্টের(Calcutta High Court) নির্দেশে যাদের চাকরি গিয়েছে, তাঁরাও চাকরি ফেরত পেতে সুপ্রিম কোর্টে(Supreme Court) লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। সেই সূত্রেই সামনে এল রাজ্যের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় যে ২৬৯ জন শিক্ষককে চাকরিচ্যুত করার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট, সেই নির্দেশকেই চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হওয়া মামলা চলতি মাসের শেষ দিকে নতুন করে শুনানির জন্য উঠতে চলেছে সুপ্রিম কোর্টে। এদিন অর্থাৎ শুক্রবার এমনই নির্দেশ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি অনিরুদ্ধ বসু।

উল্লেখ্য, বাংলার নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ ছিল রাজ্যের TET 2015 দিয়ে চাকরি পাওয়া ২৬৯ জনকে অতিরিক্ত ১ নম্বর করে দেওয়া হয়েছিল। কেন এই অতিরিক্ত এক নম্বর দেওয়া হল তার কারণ স্পষ্ট করতে পারেনি পর্ষদ। এই বিষয়ে স্পষ্ট কোনও নথিও সেভাবে জমা দেওয়া হয়নি। তার জেরেই ২৬৯ জন শিক্ষকের চাকরি বাতিল করার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। যদিও পর্ষদের তরফে দাবি করা হয়েছিল, প্রশ্নে ভুল থাকার পরেও যারা সেই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছিলেন, কেবলমাত্র তাঁদেরকেই বাড়তি ১ নম্বর করে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই দাবির সপক্ষে পর্ষদ কোনও নথি বা পুরাতন কোনও নিয়ম আদালতে দেখাতে পারেনি। তার জেরেই কলকাতা হাইকোর্ট ২৬৯ জন শিক্ষক-শিক্ষিকার চাকরি কেড়ে নেওয়ার রায় দিয়েছিল। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়েই চাকরিহারারা সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল গত বছরই। সেই সময় সুপ্রিম কোর্ট কলকাতা হাইকোর্টের রায়ের ওপর স্থগিতাদেশ দিয়ে দেয়। সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল মামলাকারীদের পার্টি হিসেবে যুক্ত করতে হবে যাতে সর্বোচ্চ আদালতের বক্তব্য তাঁরাও জানতে পারে।

কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ অবশ্য দু’বার তাঁদের চাকরি খারিজ করার নির্দেশ দিয়েছিল। কিন্তু, তাঁদের মধ্যে ১৯৯জন প্রাথমিক শিক্ষক এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সর্বোচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল। মামলাকারীদের আইনজীবীর দাবি ছিল, ২০১৫ সালে যে TET হয় সেখানে পর্ষদের একটি প্রশ্নের উত্তরে ভুল ছিল। আর যাঁরা ওই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছিলেন তাঁদের প্রত্যেককে ১ নম্বর করে দেওয়া হয়। এই নম্বর পাওয়ার জন্য আবেদন করেছিলেন ২৭৮৭ জন। তাঁদের মধ্যে ২৭৩ জনের শিক্ষকতার প্রশিক্ষণের ডিগ্রি ছিল। বাকিদের প্রশিক্ষণের কোনও ডিগ্রি ছিল না। এবার সেই মামলারই পরবর্তী শুনানি হতে চলেছে চলতি মাসের শেষ দিকে।

মধ্য জাপানে ফের ভূমিকম্প, আহত একাধিক

কালীপুজোর পরেই আবহাওয়ার ভোলবদল! কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাস

আজকের রাশিফল: আজ ধৈর্যের পরীক্ষা দিতে হতে পারে! কর্মক্ষেত্রে উন্নতির সম্ভাবনা

কালীপুজোর আগের দিনেই আগুনে ভস্মীভূত গোটা মণ্ডপ, চোখে জল উদ্যোক্তাদের

ভারতের গ্র্যান্ড ক্যানিয়নের পাশাপাশি ঘুরে আসুন ‘বেলুম গুহা’ও, রইল খুঁটিনাটি তথ্য

ভরা বাজারে বন্দুকবাজের গুলিতে মৃত্যু হল তিনজনের, আহত ১২

সুজি কিংবা গাজর নয়, আপেল দিয়েই বানান সুস্বাদু স্বাদের হালুয়া! রইল সহজ রেসিপি

গোবর্ধন পুজো উপলক্ষ্যে সোমবারে কমবে মেট্রো পরিষেবা

কালীপুজোর আগে স্কুলে মিড ডে মিল নিয়ে বড় ঘোষণা রাজ্যের

বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে DLS নিয়মে জয়ী গিলরা, সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে ভারত

শর্তের বিনিময়ে দক্ষিণেশ্বরেও রিল শ্যুটের অনুমতি পেলেন ব্লগাররা

‘জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে লড়াই চলবে,’ বললেন অভিজিৎ দীপক

আতশবাজির ধোঁয়া থেকে চোখ বাঁচাবেন কীভাবে? সুরক্ষিত থাকতে মানুন এই ৫ নিয়ম

এগরোল-চাউমিনের দাম ১০ টাকা! সস্তায় মুখরোচক ফাস্টফুড খাওয়াচ্ছেন ছায়াদেবী