বিয়েতে অরুচি চিনের ছেলেমেয়েদের, এক বছরে রেজিস্ট্রেশন কমল ১৫ লক্ষের বেশি

গতবছর মাত্র ৬.১ মিলিয়ন সংখ্যক দম্পতি বিবাহবন্ধনে বাঁধা পড়েছেন। যা ২০২৩ সালের তুলনায় অনেকটাই কম। কারণ ২০২৩ সালে ৭.৬৮ মিলিয়ন সংখ্যক দম্পতি বিবাহবন্ধনে বাঁধা পড়েছিলেন।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: বিয়েতে অরুচি চিনের ছেলে মেয়েদের, তাই চিনে বিয়ের সংখ্যা উল্ল্যেখযোগ্যভাবে কমছে। ধ্বংসের পথে চিনের রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক অবস্থা। হ্যাঁ, সম্প্রতি এমনই একটি চমকপ্রদ খবর প্রকাশ্যে এসেছে। সম্প্রতি চিনের বেসামরিক বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছেন, গত বছর চিনের বিবাহের হার অনেকটাই কমেছে। বিবাহ নিবন্ধনের ক্ষেত্রে ২০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। গতবছর মাত্র ৬১ লাখ (৬.১ মিলিয়ন) দম্পতি বিবাহবন্ধনে বাঁধা পড়েছেন। যা ২০২৩ সালের তুলনায় অনেকটাই কম। কারণ ২০২৩ সালে ৭৮ লক্ষ (৭.৬৮ মিলিয়ন) সংখ্যক দম্পতি বিবাহবন্ধনে বাঁধা পড়েছিলেন। সুতরাং এক বছরে বিয়ের রেজিস্ট্রেশন কমেছে ১৫ লক্ষের বেশি। যাতে রীতিমতো উদ্বিগ্ন চিনের প্রশাসন। বর্তমানে চিন সরকার জনসংখ্যা বৃদ্ধির মোকাবিলায় তৎপর। সুতরাং বিয়ের সংখ্যা বৃদ্ধি ও সন্তানধারণের জন্যে জনগণদের উৎসাহিত করতেও তৎপর চিন সরকার। তার মধ্যেই চিনে উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাচ্ছে বিয়ের সংখ্যা। 

এ প্রসঙ্গে উইসকনসিন-ম্যাডিসন বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংখ্যাবিদ ই ফুক্সিয়ান জানিয়েছেন, ২০২০ সালে করোনার সময়েও চিনে বিবাহের সংখ্যা ১২.২% হ্রাস পেয়েছিল। কিন্তু গতবছর বিবাহের সংখ্যা সেই রেকর্ডকেও ভেঙে দিয়েছে। ২০১৩ সালে চিনে বিবাহের সংখ্যা ছিল ১৩.৪৭ মিলিয়ন। কিন্তু গতবছর সেই সংখ্যা অর্ধেকে দাঁড়িয়েছে। যদি এমন প্রবনতা অব্যাহত থাকে, তাহলে খুব শীঘ্রই চিনের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অবস্থা তলানিতে ঠেকবে। কয়েক দশক ধরেই চিনে জন্মহার হ্রাস পাচ্ছে। যার প্রধান কারণ ছিল দেশটির ‘এক সন্তান নীতি’। যা ১৯৮০ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত কার্যকর ছিল।

আসলে চিন ছিল বিশ্বের দ্বিতীয় জনবহুল দেশ। তাই জনসংখ্যা হ্রাসের জন্যেই ‘এক সন্তান নীতি’ কার্যকর করা হয়েছিল। কিন্তু এখন সেই নীতি নেই, তা সত্ত্বেও বিয়ের সংখ্যা কমছে, সুতরাং জনসংখ্যাও হ্রাস পাচ্ছে। তাই চিন সরকার বিবাহ ও সন্তান ধারণকে উৎসাহিত করার জন্যে বিভিন্ন নীতি বাস্তবায়ন করছে। গতবছর চিন প্রশাসন চিনের সকল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে ‘ভালবাসার শিক্ষা’ প্রদানের আহ্বান জানিয়েছিলেন। যাতে মানুষের মধ্যে ভালবাসা বৃদ্ধি পায় এবং পরস্পর পরস্পরের লিঙ্গে আকৃষ্ট হন এবং বিয়ের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। এমনকী জনসংকট সমাধানের জন্যে জনগনকে ‘সঠিক বয়সে’ সন্তান ধারনের নির্দেশও দিয়েছিল চিনা সরকার।

কিন্তু তাতেও কাজ হচ্ছেনা। এমনকী ২০২৪ সালে জন্ম নেওয়া শিশুদের উচ্চাকাঙ্ক্ষী এবং প্রচুর ভাগ্যবান বলে মনে করা হয়েছিল। কিন্তু তাও লাগাতার কমছে চিনের জনসংখ্যা। তথ্য থেকে আরও জানা যায় যে, গত বছর ২৬ লক্ষেরও বেশি দম্পতি বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন করেছিলেন, যা ২০২৩ সালের তুলনায় ১.১% বেশি। সুতরাং চিন যখন তার জনসংখ্যাগত চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করছে, তখন কর্তৃপক্ষ তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বিবাহ, সন্তান ধারণ এবং পারিবারিক মূল্যবোধ প্রচারের ক্ষেত্রে কঠিন লড়াইয়ের মুখোমুখি হচ্ছে।

জমির জন্য ২৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ পেয়েই স্ত্রীকে ছেড়ে প্রেমিকার সঙ্গে পালালেন যুবক

‘টাকা দেব না’, বন্দুক উঁচিয়ে পেট্রোল পাম্পে ২ যুবকের তাণ্ডব, তারপর…

মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথম নয়াদিল্লি সফর, শুভেন্দুর কী কর্মসূচি রয়েছে?‌

ইরানের তেলবাহী জাহাজে আমেরিকার আচমকা অভিযান

একা লখনউ ভ্রমণের পরিকল্পনা? এই ৫টি অভিজ্ঞতা মিস করলে পস্তাবেন

মেঘ, চা-বাগান আর নির্জন পাহাড়ি পথ, দক্ষিণ ভারতের অফবিট স্বর্গ কোটাগিরি

মাত্র ৪,৯৯৯ টাকায় পুরনো টিভি হবে স্মার্ট! Amazon নিয়ে এল Fire TV Stick HD

ডিসকাউন্ট ধামাকা, ১০ হাজার টাকা ছাড়ে মিলছে Redmi Note14 pro

ফলতায় পুনর্নির্বাচনে উৎসবের আবহ, বুথের বাইরে লম্বা লাইন ভোটারদের

‘এমন তরকারি আপনার স্ত্রী রান্না করলে খেতেন?’, হাসপাতালের নিম্নমানের সবজি নিয়ে ক্ষুব্ধ স্বাস্থ্যমন্ত্রী

মুম্বইকে হারিয়ে প্লে-অফে জায়গা করার আশা টিকিয়ে রাখল রাহানেরা

গায়ের রঙ কালো বলে নির্যাতন! ছাদ থেকে পড়ে গৃহবধূর রহস্যমৃত্যু

নতুন স্মার্টফোন আনল OPPO, ক্যামেরা ও ব্যাটারিতে থাকছে দুর্দান্ত চমক

খাওয়ার পরই বুক জ্বালা? কোন খাবার এড়ালে মিলবে স্বস্তি? কি বলছেন গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজিস্ট