ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল মায়ানমার হওয়ায় বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী এলাকা কক্সবাজারের উখিয়া, টেকনাফ, বান্দরবানের মানুষ অনেক বেশি কম্পন অনুভব করেছেন। তবে রাজধানী ঢাকা-সহ একাধিক জেলাতেও কম্পন অনুভব করেছেন সাধারণ মানুষ। পায়ের নিচের মাটি দুলে উঠতেই অনেকে ভয়ে বাড়ি-ঘর ছেড়ে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন। আতঙ্কিত হয়ে হুড়োহুড়ি শুরু করে দেন। প্রসঙ্গত, এদিন ভোরেই ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছিল বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী একাধিক  এলাকা। ভোর ৪টে ৩৬ মিনিটে ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়। এর কেন্দ্রস্থল ছিল কেন্দ্রস্থল ছিল রাজধানী ঢাকা থেকে ১৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে সাতক্ষীরার কলারোয়ায়। ভৌগোলিক অবস্থান ছিল ২২.৮৪ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯.০১ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৪.১। উ‍ৎপত্তিস্থল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৫০ কিমি গভীরে।

চলতি বছরের শুরু থেকেই বাংলাদেশে একাধিকবার স্বল্পমাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। গত ২৫ জানুয়ারি ৩ দশমিক ৪ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প দেশের বিভিন্ন এলাকায় অনুভূত হয়।  তার ছয়দিন বাদে গত  ১ ফেব্রুয়ারি ৩ মাত্রার একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়।