🎉 Happy Birthday Ei Muhurte 🎉
এই মুহূর্তে

ওম বিড়লার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনল বিরোধীরা, সই করেননি রাহুল

নিজস্ব প্রতিনিধি:‌ আজ, মঙ্গলবার লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক অবস্থান নিয়েছে তামাম বিরোধীরা। এখন বিরোধীরা লোকসভার মহাসচিবের কাছে ওম বিড়লার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব জমা দিয়েছে। এতে কংগ্রেস, ডিএমকে, সমাজবাদী পার্টির মতো দলের প্রায় ১২০ জন সাংসদ লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে পদ থেকে অপসারণের প্রস্তাব আনার নোটিসে স্বাক্ষর করেছেন। লোকসভার মহাসচিবের কাছে নোটিস জমা দেওয়ার পর, ওম বিড়লা নিজেকে সভার কার্যবিবরণী থেকে সরিয়ে নেন। তাঁকে সংসদ পরিচালনা থেকে অপসারণ করা হয়েছে এবং মঙ্গলবার তিনি সংসদের কাজ পরিচালনার জন্য সভাপতির আসনে আসেননি।

এদিকে এখানে দুটি বিষয় ঘটেছে। এক, তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদরা সই করেননি। দুই, রাহুল গান্ধী অনাস্থা প্রস্তাবে স্বাক্ষর করেননি। কিন্তু কেন রাহুল সই করলেন না?‌ উঠছে প্রশ্ন। তবে কংগ্রেস সূত্রে খবর, সংসদীয় গণতন্ত্রের মর্যাদা বিবেচনা করে স্পিকারের বিরুদ্ধে আনা অনাস্থা প্রস্তাবের নোটিসে বিরোধী দলনেতার স্বাক্ষর করা ঠিক নয়। আজ, মঙ্গলবার বিরোধীরা লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে পদ থেকে অপসারণের জন্য একটি প্রস্তাব আনার নোটিস দিয়েছে। রাষ্ট্রপতির ভাষণের উপর ধন্যবাদ প্রস্তাবে রাহুল গান্ধী এবং অন্যান্য বিরোধী নেতাদের বক্তব্য রাখতে বাধা দিয়েছিলেন ওম বিড়লা বলে অভিযোগ। বিরোধীরা নোটিসে উল্লেখ করেছে যে, সংসদে স্পিকারের মন্তব্য স্পষ্টতই কংগ্রেস সদস্যদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগের সমতুল্য।

 

অন্যদিকে কংগ্রেস নেতা মানিকম ঠাকুর বি একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে এই বিষয়ে বলেছেন, ‘‌বিরোধী দল সাংবিধানিক মর্যাদার উপর আস্থা রেখেছে। স্পিকারের প্রতি ব্যক্তিগত শ্রদ্ধা থাকা সত্ত্বেও, জনগণের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি উত্থাপনের জন্য বিরোধী সাংসদদের অব্যাহত সুযোগ থেকে বঞ্চিত করায় আমরা দুঃখিত এবং উদ্বিগ্ন। বহু বছর পর স্পিকারের বিরুদ্ধে অনাস্থার নোটিস দেওয়া হল। এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।’‌ এই ঘটনায় জাতীয় রাজনীতির অলিন্দে এখন আলোড়ন পড়ে গিয়েছে।

এছাড়া আজ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, তৃণমূল সাংসদরা চান সংসদের কাজ চলুক। কিন্তু স্পিকারকেই সংসদ পরিচালনা করতে হবে। যদি কোনও বিজেপি সাংসদকে কথা বলতে দেওয়া হয়, তাহলে বিরোধী দলের সাংসদদেরও কথা বলতে দেওয়া উচিত। সকল সাংসদদের সংসদে কথা বলতে দেওয়ার প্রয়োজন। কোনও প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে তোপ দাগা শোভনীয় নয়। তৃণমূলেরও একটা শর্ত আছে। সেটা মানলে টিএমসি সাংসদরা অনাস্থা প্রস্তাবে স্বাক্ষর করবেন। এক, স্পিকারের কাছে প্রতিবাদের আকারে একটি চিঠি লেখা উচিত এবং সমস্ত বিরোধী সাংসদের স্বাক্ষর সেখানে থাকা উচিত। স্পিকারকে ২–৩ দিন সময় দেওয়া উচিত। যদি স্পিকার কোনও পদক্ষেপ না নেন, তাহলে সর্বদা অনাস্থা প্রস্তাব আনার সুযোগ থাকে। সেখানে কোনও সমস্যা নেই।

Published by:

Ei Muhurte

Share Link:

More Releted News:

‘‌জন্ম থেকে শেষকৃত্য সবেতেই কর’‌, সংসদে বাজেট নিয়ে কেন্দ্রকে তুলোধনা অভিষেকের

গোয়ালিয়রে মন্দিরের পুজোর অনুষ্ঠানে ভক্তদের ধাক্কাধাক্কি, পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যু ১ পুণ্যার্থীর, আহত বহু

সরকার চায় না সংসদ চলুক, বিরোধীদের কণ্ঠরোধ নিয়ে তোপ অভিষেকের

ভিডিও কলের কনফারেন্সে কানাডার দম্পতির বিবাহবিচ্ছেদ হল মহারাষ্ট্রের থানেতে

‘‌প্রাক্তন সেনাপ্রধান মিথ্যা বলছেন না’‌, নারাভানের বই নিয়ে কেন্দ্রকে কাঠগড়ায় তুললেন রাহুল

মথুরায় একই পরিবারের পাঁচ সদস্যের বিষ খেয়ে আত্মহত্যা, বাদ গেল না নিষ্পাপ শিশুরাও

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ