এই মুহূর্তে




জেনেশুনেই সুকেশের সমস্ত টাকা উপভোগ করেছে জ্যাকলিন: প্রমাণ দিল ইডি

নিজস্ব প্রতিনিধি: অবশেষে আইনী নজরে দোষী হলেন অভিনেত্রী জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজ। কনম্যান সুকেশ চন্দ্রশেখরের ২০০ কোটি টাকার মানি লন্ডারিং মামলায় প্রায় ৩ বছর ধরে ফেঁসে রয়েছেন অভিনেত্রী জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজ। তাঁর দোষ, সুকেশ চন্দ্রশেখরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের সময় তিনি তাঁর থেকে একাধিক নামি-দামি উপহার নিয়েছেন। সেই সবটাই জালিয়াতির টাকায় কেনা। যদিও সুকেশ চন্দ্রশেখরের বিষয়ে তেমন কিছু জানতেন না বলে দাবি জ্যাকলিনের। কিন্তু আদালত তা শুনতে নারাজ। বছর কয়েক ধরেই এই মামলায় অভিযুক্ত হয়ে রয়েছেন অভিনেত্রী। সম্প্রতি তিনি এই মামলায় নিষ্পত্তি টানার জন্যে দিল্লি হাইকোর্টে আবেদন জানিয়েছিলেন। সেই নিয়ে দিল্লি হাইকোর্টের বিতর্ক চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছিল। বিষয়টি বিচারপতি মনোজ কুমার ওহরির সামনে তালিকাভুক্ত করা হয়েছিল এবং ফার্নান্ডেজের আইনজীবী ED-এর হলফনামার জবাবের উত্তর দেওয়ার জন্যে সময় চেয়েছিল।

হাইকোর্ট বিষয়টি ১৫ এপ্রিল পরবর্তী শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করেছে। এদিকে ইডি জ্যাকলিনের অভিযোগ মানতে নারাজ। ইডি দাবি করেছে যে, ফার্নান্ডেজ চন্দ্রশেখরের সঙ্গে আর্থিক লেনদেনের বিষয়ে সত্য প্রকাশ করেননি এবং প্রমাণের মুখোমুখি না হওয়া পর্যন্ত সর্বদা তথ্য গোপন করেছেন। ইডি বলেছে, “তিনি এখনও সত্যকে ধরে রেখেছেন। চন্দ্রশেখর গ্রেপ্তার হওয়ার পরে জ্যাকলিন তাঁর মোবাইল ফোন থেকে সম্পূর্ণ ডেটা মুছে ফেলেছিল, প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা করেছিল। তিনি সুকেশের অপরাধের আয় উপভোগ করত, ব্যবহার করত। এটা প্রমাণিত যে ফার্নান্দেজ জেনেশুনে অভিযুক্ত চন্দ্রশেখরের অপরাধের অর্থ দখল ও ব্যবহারে জড়িত ছিল।” অন্যদিকে অভিনেত্রীর দাবি ছিল যে, সুকেশের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের কথা মিথ্যে, তাঁর খ্যাতি নষ্ট করার জন্যে তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে। কিন্তু তদন্তে প্রমাণ যে, চন্দ্রশেখরের অপরাধমূলক কুকাণ্ডের কথা প্রথম থেকেই জানতেন অভিনেত্রী। তিনি জেনেশুনেই চন্দ্রশেখরের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করেছিলেন।”

ইডির কথায়, ফার্নান্ডেজ প্রাথমিক ভাবে ভারত এবং বিদেশে তাঁর পরিবারের জন্য সুকেশ চন্দ্রশেখরের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ এবং মূল্যবান উপহার পাঠিয়েছেন। তদন্ত সংস্থা বলছে যে, ফার্নান্দেজ চন্দ্রশেখরের অপরাধমূলক পূর্বগত সকল সম্পর্কে ভালভাবে অবগত ছিলেন এবং এও সত্য যে লীনা মারিয়া পল তার স্ত্রী কিন্তু তা সত্ত্বেও, তিনি সুকেশের সঙ্গে সম্পর্ক চালিয়ে গেছেন টাকার লোভে। তাই ইডি রক্ষণাবেক্ষণের ভিত্তিতে অভিনেত্রীর পিটিশনের বিরোধিতা করে বলেছে যে, একটি বিশেষ আদালত প্রসিকিউশনের অভিযোগ (চার্জশিট) বিবেচনা করেছে এবং প্রাথমিক মামলাটি এগিয়ে নেওয়ার জন্য একটি দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করা হয়েছে এবং এতে কোনও চ্যালেঞ্জ নেই। ফার্নান্ডেজ তাঁর মামলার নিষ্পত্তি টানার জন্যে আবেদনে বলেছিলেন, চন্দ্রশেখরের বিদ্বেষপূর্ণভাবে লক্ষ্যবস্তু আক্রমণের তিনি একজন নির্দোষ শিকার। সেখানে তার কোনও জড়িত থাকার কোনও ইঙ্গিত নেই। উল্লেখ্য, দিল্লি পুলিশ চন্দ্রশেখরের বিরুদ্ধে প্রাক্তন প্রোমোটারদের স্বামী-স্ত্রী শিবিন্দর সিং এবং মালবিন্দর সিং-এর ২০০ কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগ এনে তাঁকে গ্রেফতার করেছে।

Published by:

Ei Muhurte

Share Link:

More Releted News:

অসম্পূর্ণ রেখেই শেষ হয়েছে শ্রীকান্তের কাহিনী, কবে আসছে ‘দ্য ফ্যামিলি ম্যান’ সিজন 4?

‘মিকা আগে ভাল গাইত না, আমার এক চুমুতেই তাঁর কন্ঠ সুরেলা হয়েছে’, বিস্ফোরক রাখি সাওয়ান্ত

কাজের খাতিরে পাকিস্তান যাবেন? আলিয়ার জবাবে তোলপাড় নেটপাড়া

শনিতে যুবভারতীতে মেসির সঙ্গে থাকবেন সৌরভ, থাকছেন আরও ১ তারকা

সমাজমাধ্যমে গা গরম করা ছবি জয়ার, দেখলে চোখ আটকে যাবে

অনুমতি ছাড়া সলমান খানের নাম-ছবি ব্যবহারে কড়া নিষেধাজ্ঞা জারি করল দিল্লি হাইকোর্ট

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ