রান্নার পর দ্বিতীয়বার ভুলেও গরম করবেন না এই খাবারগুলো, ঘোর বিপদে পড়বেন..

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি : সংসার ও চাকরি সমান তালে চালাতে গিয়ে নাজেহাল অবস্থা হয় অনেকেরই। তাই তাঁরা পরিস্থিতি নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখতে, সময় ও কষ্ট বাঁচাতে ২-৩ দিনের রান্না করে ফ্রিজে রাখেন। ব্যস্ততার জন্য প্রতিদিন নিয়ম মেনে রান্না করা সম্ভব নয়। খাওয়ার সময় ফ্রিজ থেকে খাওয়ার বের করে গরম করে নিলেই কেল্লা ফতে। আবার এখন প্রায় সব ঘরেই রয়েছে মাইক্রওভেন। প্রতিদিনের কাটাকুটি-বাটাবাটি-রান্নাবান্নার ঝামেলা হঠিয়ে ফ্রিজ থেকে খাবার বের করে ওভেনে গরম করে সময় বাঁচান অনেকেই। কিন্তু এই খাবার গরম করার ফলে শরীরে বাসা বাঁধে রোগ।

একবার রান্নার পরে দ্বিতীয়বার সেই খাবার গরম করা অত্যন্ত ক্ষতিকারক। অনেকসময় দ্বিতীয়বারের থেকেও বেশি খাবার গরম করা হয়ে থাকে। কিন্তু জানেন কি? বেশ কিছু খাবার আছে, যা দ্বিতীয় বা তৃতীয়বার গরম করা হলে খাদ্যে পুষ্টিগত গুণমান নষ্ট হয়। এছাড়াও পেটে বদহজম ও বিভিন্ন স্বাস্থ্যজনিত সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। আসুন জেনে নেওয়া যাক সেই সকল খাবারের নাম-

ভাত : কথায় আছে মাছে-ভাতে বাঙালি। সারাদিনে বাঙালির একবেলা ভাত না হলে চলে না। ভাত বাঙালির সবচেয়ে প্রিয়। প্রবাদ বাক্যই তার প্রমাণ। সময় এবং গ্যাস বাঁচাতে অনেকেই দু’বেলার ভাত একসঙ্গে করে রাখেন।আবার ভাত একটু বেশি থাকলে পরেরদিন একবেলাও চলে যায়। গ্যাস থেকে নামানোর পরে ভাত যদি ঘরের তাপমাত্রাতেই রেখে দেওয়া হয়, তা হলে ভাত ঠান্ডা হয়ে গেলে নানা ব্যাক্টেরিয়া জন্মাতে শুরু করে। সেই ঠান্ডা হওয়া ভাত যদি আবার গরম করা হয়, তবে ব্যাক্টেরিয়াগুলির ক্ষতিকারক প্রভাব ভাতের মধ্যে বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এই ভাত খেলে অনেকসময় হজমের সমস্যা হয়। যার জেরে বমি বা ডাইরিয়া হতে পারে।

মাংস : প্রোটিনের মধ্যে একটা বড় অংশ এই খাবারটি। মাংস একবার রান্নার পরে যে স্বাদ থাকে, সেই খাবার একাধিকবার গরম করলে খাবার স্বাদ নষ্ট হয়ে যায়। শুধু তাই নয়, মাংসের গন্ধ ও খাদ্যগুণও নষ্ট হয়ে যায়। এরফলে পেটের সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।

ডিম : ডিম খুব সহজে খুব তাড়াতাড়ি রান্না করা যায়। এটিও প্রোটিনের আরও একটি অংশ। যেহেতু খুব তাড়াতাড়ি ডিম রান্না করা যায়, তাই অনেকেই ডিমের ঝোল, ডিম ভাজা, ডিমের কোনও রান্না করে রাখেন।  ডিমের ঝোল, ডিম কষা, ডিম সেদ্ধ বা অমলেট, কিছুই একের বেশিবার গরম করা উচিৎ নয়। ডিম দ্বিতীয়বার গরম করলে খাদ্যগুণ নষ্ট হয়ে যায়। পাশাপাশি ডিমের মধ্যেই নানা ক্ষতিকারক ব্যাক্টেরিয়া জন্মায়। সেগুলো শরীর খারাপ করে।

আলু : শর্করা জাতীয় খাবারের মধ্যে আলু সব থেকে পরিচিত। আলু দিয়ে যেকোনও খাবার তৈরি করা হয়। বেঁচে যাওয়া আলুর তরকারি দেখে মন খুশি হলেও শরীর সাথ দেয় না। বার বার গরম করার জন্য এটি খেলে শরীরের ক্ষতি হয়। আলু রান্নার পর ঠান্ডা হলে তাতে বটুলিজম নামক ব্যাকটেরিয়া তৈরি হয়। ফলে সেই আলু গরম করলে ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি পেয়ে ফুড পয়জনিং হতে পারে।

চা : একবার চা তৈরি হয়ে গেলে, সেটি খাওয়া উচিৎ। দ্বিতীয়বার চা গরম করে খাওয়া উচিৎ নয়। চা দ্বিতীয়বার গরম করে খেলে লিভারের ক্ষতির সম্ভাবনা বাড়ে। পাশাপাশি পুষ্টিবিদেরা বলছেন, চা বা কফি বানানোর পর দ্বিতীয় বার গরম করলে অ্যাসিডের মাত্রা বেড়ে যায়। সেটা খেলে অম্বলের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

তেল : অনেক সময় কিছু ভাজা করলে তেল বেঁচে যায়। সেই তেল কাঁচিয়ে বাটিতে করে রেখে দেন অনেকেই। পরের দিন রান্নায় সেই তেল ব্যবহারও করেন। তেলটি পোড়া না হলেও সাদা চোখে বিষয়টি খারাপ লাগে না। কিন্তু শরীরের পক্ষে এই তেল অত্যন্ত ক্ষতিকারক। কারণ এতে তৈরি হয় টক্সিন। যা শরীরের অনেক ক্ষতি করে।

 

ধনতেরাসে লক্ষ্মী নারায়ণ রাজযোগ, দীপাবলিতে ৩ রাশির ভাগ্যবদল! উপচে পড়বে টাকা

বৃহস্পতিতেও সঙ্গে রাখুন ছাতা, শহরে বৃষ্টির পূর্বাভাস দিল হাওয়া অফিস

৯ নভেম্বরের মধ্যে রিচার্জ না করলে বন্ধ হচ্ছে BSNL-এর ১ টাকার প্ল্যান!

ভারতীয় জাহাজের জন্য খুলল হরমুজ প্রণালির ‘দরজা’, তেলের আমদানিতে মিলল স্বস্তি

স্কুল সিলেবাস থেকে OUT সিঙ্গুর, IN শ্যামাপ্রসাদ, ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রীর

চুল পড়ছে? ত্বক খসখসে? এক চিমটে কালো তিলেই হবে সমস্যার সমাধান

শুক্রবারের আগে পুরভোটের নির্ঘন্ট নয়, কড়া নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

তুলির টানে স্বাবলম্বী কৃষ্ণনগরের প্রজোতি, বড়মা থেকে শুরু করে শ্যামাসুন্দরী, সবেতেই নিখুঁত কাজ

জ্ঞানেশ কুমারদের রক্ষাকবচ সংক্রান্ত মামলায় নোটিস জারি সুপ্রিম কোর্টের

অগ্নিবীরদের জন্য বড় ঘোষণা মোদি সরকারের, চাকরির মেয়াদ বাড়ল দু’বছর

চলছিল ক্লাস, আচমকাই মেঝেতে লুটিয়ে পড়ে মৃত্যু তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীর

জাল নথি দেখিয়ে খানাকুলে ভাড়া বাড়িতে বসবাস, গ্রেফতার বাংলাদেশি নাগরিক

গ্রেফতার হতেই লুকিয়ে রাখা টাকার সন্ধান দিলেন অভিষেকের PA, উদ্ধার প্রায় ১ কোটি নগদ

আয়ুষ্মান-তুষারকে হুমকি ফোন, বেঙ্গালুরু থেকে গ্রেফতার তথ্যপ্রযুক্তি কর্মী