এক ছোবলেই মৃত্যু, জেনে নিন পৃথিবীর সবচেয়ে বিষধর ১০ সাপ সম্পর্কে

পৃথিবীতে হাজার হাজার প্রজাতির সাপ রয়েছে। তবে তাদের মধ্যে কিছু সাপ রয়েছে যাদের বিষ এতটাই মারাত্মক যে চিকিৎসা না পেলে কয়েক মিনিট থেকে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মানুষের মৃত্যু ঘটতে পারে। শক্তিশালী নিউরোটক্সিন, হেমোটক্সিন কিংবা পেশি ধ্বংসকারী বিষের কারণে এই সাপগুলোকে বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ংকর সরীসৃপ হিসেবে গণ্য করা হয়। চলুন জেনে নেওয়া যাক বিশ্বের সবচেয়ে বিষধর ১০টি সাপ সম্পর্কে। 

Share:

  ইনল্যান্ড টাইপান

অস্ট্রেলিয়ার মরুভূমি অঞ্চলে বসবাসকারী ইনল্যান্ড টাইপানকে বিশ্বের সবচেয়ে বিষধর সাপ বলা হয়। এর বিষে অত্যন্ত শক্তিশালী নিউরোটক্সিন থাকে, যা স্নায়ুতন্ত্রকে দ্রুত বিকল করে দিতে পারে। একবারের কামড়ে নির্গত বিষ বহু মানুষের প্রাণ কেড়ে নেওয়ার ক্ষমতা রাখে।

 কোস্টাল টাইপান

অস্ট্রেলিয়া ও নিউ গিনিতে পাওয়া যায় এই সাপ। অত্যন্ত দ্রুতগতির এবং আক্রমণাত্মক স্বভাবের কোস্টাল টাইপানের বিষ রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করে এবং শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলোর মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে।

ইস্টার্ন ব্রাউন স্নেক

অস্ট্রেলিয়ায় সাপের কামড়ে মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ এই ইস্টার্ন ব্রাউন স্নেক। এর বিষ রক্ত জমাট বাঁধার স্বাভাবিক প্রক্রিয়াকে নষ্ট করে এবং অল্প সময়ের মধ্যেই শারীরিক জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে।

Snake

আফ্রিকার সবচেয়ে ভয়ঙ্কর সাপগুলির মধ্যে অন্যতম ব্ল্যাক মাম্বা। এটি অত্যন্ত দ্রুতগতির এবং একাধিকবার ছোবল মারতে সক্ষম। এর বিষে থাকা নিউরোটক্সিন শ্বাসপ্রশ্বাসের পেশিকে অবশ করে দিতে পারে, ফলে দ্রুত চিকিৎসা না পেলে মৃত্যু অনিবার্য হয়ে ওঠে।

কিং কোবরা

বিশ্বের দীর্ঘতম বিষধর সাপ হলো কিং কোবরা। দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার জঙ্গলে এদের দেখা মেলে। একবার কামড়ে প্রচুর পরিমাণে বিষ প্রবেশ করাতে পারে এই সাপ, যা মানুষের স্নায়ুতন্ত্রকে গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে।

ব্যান্ডেড ক্রেইট

ভারত, বাংলাদেশ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে পাওয়া যায় ব্যান্ডেড ক্রেইট। সাধারণত রাতের বেলায় সক্রিয় থাকে। এর বিষ অত্যন্ত শক্তিশালী নিউরোটক্সিন সমৃদ্ধ, যা শরীরে পক্ষাঘাত সৃষ্টি করতে পারে।

মালয়ান ব্লু ক্রেইট

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই বিরল সাপের বিষও অত্যন্ত মারাত্মক। কামড়ের ফলে আক্রান্ত ব্যক্তির শ্বাসপ্রশ্বাসের পেশি ধীরে ধীরে বিকল হয়ে যেতে পারে, যা জীবনসংকট তৈরি করে।

রাসেলস ভাইপার

ভারতীয় উপমহাদেশে সবচেয়ে বেশি আতঙ্কের নাম রাসেলস ভাইপার। মানুষের মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে এই সাপকে দায়ী করা হয়। এর বিষ কিডনির ক্ষতি, অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ এবং রক্ত জমাট বাঁধার সমস্যার সৃষ্টি করে।

স-স্কেলড ভাইপার

আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ায় পাওয়া যায় এই ছোট আকৃতির কিন্তু অত্যন্ত বিষাক্ত সাপ। এর বিষ মারাত্মক রক্তক্ষরণ ঘটাতে পারে এবং দ্রুত চিকিৎসা না করলে প্রাণহানির আশঙ্কা থাকে।

বেলচার্স সি স্নেক

সমুদ্রের গভীরে বসবাসকারী বেলচার্স সি স্নেককে বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী বিষধর সামুদ্রিক সাপ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এর বিষ অত্যন্ত বিষাক্ত হলেও সাধারণত মানুষের সংস্পর্শে খুব কম আসে।

‘সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ সবাইকে মানতে হবে’, জ্ঞানেশের পাশে দাঁড়িয়ে বার্তা দিলীপ ঘোষের

‘অপসারণ নয় জ্ঞানেশ কুমারকে গ্রেফতার করতে হবে,’ হুঙ্কার অভিষেকের

ভাঙাচোরা কুড়িয়ে দিন কাটানো বৃদ্ধের ব্যাঙ্কে মিলল ৫০ লক্ষ টাকা, কীভাবে সম্ভব?

অধিনায়কত্ব ছাড়লেন ভারতের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক হরমনপ্রীত কৌর

এসআইআর ইস্যুতে নির্বাচন কমিশনের দফতরে অভিযান ইন্ডিয়া জোটের, কড়া নিরাপত্তা

‘এজেন্টদের বুথে বসতে দেওয়া হচ্ছে না’, নন্দীগ্রামে ভোটের শুরুতেই দাবি মিলন প্রধানের