এই মুহূর্তে

শুনানি কেন্দ্র তাণ্ডবের ঘটনায় ইআরওকে চিঠি দিলেন ফরাক্কার তৃণমূল বিধায়ক, কী লিখলেন?

নিজস্ব প্রতিনিধি,ফারাক্কা: নির্বাচন কমিশনের প্রতি তিনি শ্রদ্ধাশীল ।সংবিধান মেনে চলতে তিনি বিশ্বাস করেন ।এস আই আর শুনানি কেন্দ্র ভন্ডুলের তার কোন উদ্দেশ্য ছিল না। ১৪ই জানুয়ারি মুর্শিদাবাদের ফারাক্কায় ভিডিও অফিসের যা ঘটেছে সেই প্রসঙ্গে এটাই তাঁর বক্তব্য। তৃণমূল বিধায়ক মনিরুল ইসলাম(TMC MLA Monirul Islam) লিখিতভাবে এই কথা জানিয়েছেন এইআরওকে। তার বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশন এফআইআর করার নির্দেশ দেওয়ার পর জঙ্গিপুর মহকুমা প্রশাসনকে চিঠি পাঠান ফারাক্কার বিধায়ক। শুক্রবার এস আই আর কাজের দায়িত্বে থাকা এইআরও’কে পাঠানো চিঠিতে মন্ডল নির্বাচন কমিশন তাদের আধিকারিক ভারতীয় নির্বাচন অত্যন্ত শ্রদ্ধাশীল।

সর্বদা সংবিধান মেনে চলেন এবং আইনের শাসনে বিশ্বাস করেন তবে কোথাও হয়তো শব্দ উচ্চারণে ভুল হয়েছিল। ১৪ জানুয়ারি ফারাক্কার বিডিও অফিসের যা তিনি বলেছিলেন তার নির্বাচন কমিশনের মর্যাদা নষ্টের উদ্দেশ্যে বলেননি। তাঁর দাবি, ভোট প্রক্রিয়াকে প্রবাহিত করার উদ্দেশ্য ছিল না এস আই আর নিয়ে সাধারণ মানুষ যেভাবে হেনস্থা হচ্ছে তাঁর জন্যই তিনি প্রতিবাদ করেছিলেন। চিঠিতে ফারাক্কার বিধায়ক লিখেছেন, তার বক্তব্যে কোথাও কোন খারাপ উদ্দেশ্য উস্কানি ভাঙার চেষ্টা ছিল না। যদি কেউ ভিন্ন অর্থ করে থাকেন তবে তা অনিচ্ছাকৃত। সব সময় প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত এবং তাদের দেওয়া সমস্ত আইনসম্মত নির্দেশ তিনি মেনে চলবেন।

২৩ জানুয়ারি নেতাজী সুভাষচন্দ্র বোসের ১৩৯তম জন্মদিবস উপলক্ষে ফারাক্কা তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে এক জনসভায় তীব্র প্রতিবাদী ভাষণ দিলেন ফারাক্কার বিধায়ক মনিরুল ইসলাম। সভামঞ্চে সংবিধান হাতে নিয়ে তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, কোনওভাবেই তাঁর কণ্ঠরোধ করা যাবে না। গত ১৪ জানুয়ারি ফারাক্কার বিডিও অফিসে ব্যাপক গোলমাল হয়। দলবল নিয়ে মনিরুল সেখানে প্রবেশ করেন এসআইআর প্রক্রিয়া বন্ধ করতে হবে এই দাবি তোলেন তারপর ভিডিও অফিসের প্লাস্টিকের চেয়ার এবং আসবাবপত্র ভাঙচুর করেন। বিডিও(BDO) অফিসে দাঁড়িয়ে বিধায়ক মনিরুল বলেন এসআইআরের(SIR) নামে রাম ও রহিমের মধ্যে বিবাদ বাঁধানো হচ্ছে। কারণ রাম নাম শুনলে কোন নথি লাগছে না।

রহিমের নাম শুনলে চোদ্দগুষ্টির খতিয়ান দেখতে চাইছে। নির্বাচন কমিশনের এই দ্বিচারিতা তিনি মানবেন না। ফারাক্কার মানুষকে বাঁচাতে যদি তাকে গুলি খেতে হয় তিনি প্রয়োজনে গুলি খাবেন। ঘটনাক্রমে রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমারকে নির্বাচন কমিশন আধিকারিক ফোন করে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলা হয় ।ওই দিনই ভাঙচুরের অভিযোগে পুলিশ দুজনকে গ্রেফতার করে। বৃহস্পতিবার বিকেল পাঁচটার মধ্যে আইন ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল কমিশন। সেই সময় পেরিয়ে একদিন অতিক্রান্ত হয়ে গিয়েছে। তারপরে বিধায়ক মনিরুল চিঠি দেন প্রশাসনকে। এসআইআরের কাজের দায়িত্বে থাকা এইআরও’ কে চিঠি দিয়ে মনিরুল বলেন নির্বাচন কমিশন এবং তাদের আধিকারিক ও ভারতের নির্বাচনী ব্যবস্থার প্রতি তিনি অত্যন্ত শ্রদ্ধাশীল। সংবিধান মেনে তিনি চলেন। আইনের শাসনে বিশ্বাস করেন।

Published by:

Ei Muhurte

Share Link:

More Releted News:

লাল পলাশে ঢাকা রাঙামাটির পথ, বসন্তের ছুটিতে গন্তব্য হোক বাঁকুড়ার এই লুকোনো স্বর্গ

৩৩ হাজার গরিব মহিলার মাথার উপর পাকা ছাদের বন্দোবস্ত করছে নবান্ন

ভয়ঙ্কর কাণ্ড! রিল বানাতে বানাতে শিব ঠাকুরের মাথায় উঠে পড়লেন যুবতী, তারপর..

অভিষেকের প্রস্তাবে মান্যতা দিল কলকাতা হাইকোর্ট, কীসে পড়ল সম্মতি?‌

‘‌বনধ নাগরিক স্বাধীনতার পরিপন্থী’‌, মমতার নীতির সঙ্গে সহমত শশী থারুর

বেলডাঙায় অশান্তির ঘটনায় ধৃতদের জেল হেফাজতের মেয়াদ বাড়ল

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ