আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

‘ভারতীয়রা খুব প্রেমময়, আমি খুব আনন্দিত, আমাকে সবাই চিনতে পেরেছে’: তাজিক গায়ক আব্দু

নিজস্ব প্রতিনিধি: বিশ্বের সবথেকে কনিষ্ঠতম এবং ছোট মাপের গায়ক হিসেবে পরিচিত, আব্দু রোজিক সম্প্রতি চেন্নাইয়ে, এ আর রহমানের কন্যা তথা সঙ্গীতশিল্পী খাতিজার রিসেপশনে উপস্থিত হয়েছিলেন। তাজিকিস্তানে জন্মগ্রহণকারী এই তরুণ গায়ক এখন রীতিমত একজন সোশ্যাল মিডিয়া সেনসেশন। তাজকি গান থেকে শুরু করে জনপ্রিয় হিন্দি গানের কভার ভার্সন করা, দুবাই এক্সপোতে এ. আর. রহমানের সঙ্গে পারফর্ম করা, সবটার মাধ্যমেই আব্দু রোজিকের এখন অনলাইনে বেশ ফ্যান ফলোয়িং। আর রহমানের মেয়ের রিসেপশন উপলক্ষ্যেই এই প্রথম ভারত সফর ১৮ বছর বয়সী এই গায়কের। ভারতে এসে তিনি খুবই আনন্দিত। তিনি বলেছেন, “ভারতের লোকেরা খুব উষ্ণ এবং প্রেমময়। আর এটা শুনে আমি আনন্দিত যে তাঁরা আমাকে চিনতে পেরেছে, কেউ কেউ আমার সঙ্গে ছবিও তুলেছে। এখানে এসে আমি সমুদ্র সৈকতে গিয়েছি, সাগরে সাঁতার কেটেছি এবং মশলা দোসাও খেয়েছি।”

আব্দু রোজাকের কথায়, মিউজক রহমান এবং পরিবারের সঙ্গে তাঁর একটি বিশেষ বন্ধন রয়েছে। একটি সাক্ষাৎকারে তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হলে যে, তিনি কী ভাবে রহমানের সঙ্গে পরিচিত হলেন, সেই প্রশ্নের উত্তরে আব্দু বলেন, “রহমানের ছেলে এবং সঙ্গীতশিল্পী আমিনের সঙ্গে আমার যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে, এরপর আমরা দুবাইতে প্রথম দেখা করি। তখন থেকেই আমরা ভালো বন্ধু এবং পরে, আমি রহমানের সঙ্গে দেখা করি। এরপর আমার কিছু পারফরম্যান্স দেখে তাঁদের ভাল লেগেছিল। এরপরই আমাকে তাঁরা এক্সপোতে পারফর্ম করার জন্য ডেকে ছিলেন। যেখানে আমি মঞ্চে মোস্তফা মোস্তফার সঙ্গে গান গেয়েছিলাম। আর একটি অস্কার বিজয়ী সুরকারের সঙ্গে পারফর্ম করা সত্যই একটি সম্মানের বিষয়। যিনি তাঁর সঙ্গীতের জন্য বিশ্বব্যাপী পরিচিত। আমার প্রিয় সংগীতশিল্পীদের মধ্যে একজনের সঙ্গে মঞ্চ ভাগ করে নেওয়া আমার জন্য একটি স্বপ্ন-সত্য মুহূর্ত ছিল।”

চেন্নাই সফরের সময় গায়ক তামিল অভিনেতা শিবকার্থিকায়নের সঙ্গে দেখা করেছিলেন আব্দু। এছাড়াও, আব্দু সম্প্রতি আবুধাবিতে আইফা অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে সালমান খানের সঙ্গেও দেখা করেছিলেন। যদিও তিনি সেই শোয়ের দ্বিতীয় সারি দেখে অনুষ্ঠানটি উপভোগ করেছিলেন। সালমান খানের একজন বিশাল ভক্ত আব্দু। সালমান অভিনীত ছবির একাধিক ছবির গান তিনি গেয়েছিলেন, এবং তাঁর কন্ঠে সালমানের ছবির গান শুনে সলমনও খুব খুশি হয়েছিলেন। তিনি আরও জানান, মুম্বাইতে এলো অবশ্যই সলমনের সঙ্গে আরও একবার দেখা করবেন তিনি।

আবদু মাত্র ছয় বছর বয়স থেকেই গান গাইতে শুরু করেন, এবং তাও কোনো আনুষ্ঠানিক সঙ্গীত প্রশিক্ষণ ছাড়াই। এই প্রসঙ্গে, আব্দু বলেছেন, ক্যাসেটে গান শুনে শুনে তিনি গান শিখেছেন। অবশেষে, গানকেই আবেগ কেরিয়ার হিসেবে বেছে নিলেন। তিনি নিজের গ্রামে, বাজারে গান গাইতে গাইতেই সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে জনপ্রিয় হয়েছেন। তাঁর গানগুলো এখনও আব্দুর সোশ্যাল মিডিয়া পৃষ্ঠায় রয়েছে।

গ্রোথ হরমোনের ঘাটতি সহ রিকেটস – কখনও তাঁর আত্মবিশ্বাসকে নাড়া দেয়নি। তিনি এই প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমি এমন অনেক লোককে চিনি যাদের চাকরি নেই, ভালো পরিবার নেই এবং টাকাও নেই। সেদিক বিচার করে আমিও আমার সংগ্রামের ন্যায্য অংশ পেয়েছি, তাই আমি এখন যেখানে পৌঁছেছি তাতে আমি ভীষণ খুশি। আমি বিশ্বের সবচেয়ে বড় সুরকারের সাথে মঞ্চ ভাগ করেছি, এর থেকে বেশি আমার কর্মজীবনে আর কি চাই?”

যদিও তাঁর মতে, এত সাফল্যের জন্যে সোশ্যাল মিডিয়া একটি বিশাল ভূমিকা পালন করেছে। তবে সোশ্যাল মিডিয়ার ট্রোলিংয়ের হাত থেকে তিনিও রেহাই পায়নি। কিন্তু এমন নেতিবাচক মন্তব্য তাঁকে কোনোদিনও প্রভাবিত করতে পারেনি। খুব শীঘ্রই আব্দুর প্রথম হিন্দি গান প্রকাশ করবে৷ এছাড়াও আব্দু একজন বক্সার, তিনি বক্সিং রিংয়েও নিজের নাম করতে চান।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

দিনের শেষে মায়ের সঙ্গে কসবা কেন্দ্রে ভোট দিলেন মিমি চক্রবর্তী

কেউ টালিগঞ্জে, কেউ বেহালায়, ভোট উৎসবে সামিল প্রসেনজিৎ থেকে জিৎ, কোয়েল, শ্রাবন্তী

জুন নয়, ফের পিছল ‘টক্সিক’-এর মুক্তি, ভক্তদের কী জানালেন যশ?

আরবানায় প্রথম ভোটার রচনা, সবুজ পোশাকে ভোট দিয়ে কী বললেন তারকা সাংসদ?

ভোট না দিয়েই ফিরলেন চিরঞ্জিত! ইভিএম বিকল হওয়ায় বারাসতে চরম ভোগান্তির মুখে অভিনেতা

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লড়াইকে কুর্নিশ জানিয়ে ‘বাঘিনী’ সম্বোধন মিমির

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ