লকডাউনে মোচ্ছব: গদি টলমল বরিস জনসনের

Published by:
https://www.eimuhurte.com/wp-content/uploads/2021/09/em-logo-globe.png

Rupendu Das

13th January 2022 11:53 am

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: লকডাউনে ফুর্তি করে এখন গদি যায় যায় প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের।দলের তরফ থেকেই প্রধানমন্ত্রীকে ইস্তফার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর দফতর সূত্রে পাওয়া খবর উদ্ধৃত করে বিবিসি জানিয়েছে, দলের চার শীর্ষস্থানীয় নেতা বরিস জনসনকে পদত্যাগের পরামর্শ দিয়েছেন। যে চার নেতা প্রধানমন্ত্রীক ইস্তফার পরামর্শ দিয়েছেন তাঁরা ডগলাস রোজ, উইলিয়াম ব়্যাগ ক্যারোলিন নোকস, রজার গেলে। বিবিসির সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে রোজ জানান, উনি প্রধানমন্ত্রী এবং ওনার সরকার করোনার শৃঙ্খল ভাঙতে কড়া বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। সুতরাং, নৈতিক দায়িত্ব নিয়ে প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে ওনার ইস্তফা দেওয়া উচিত। বিবিসির প্রতিবেদন অনুসারে, ৫৪জন সাংসদ ১৯২২ কমিটিকে চিঠি পাঠালে প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে বরিসের ইস্তফা দেওয়া ছাড়া দ্বিতীয় কোনও রাস্তা থাকবে না। ক্যারোলিন নোকস সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, লকডাউনে ফূর্তি করে কনজারভেটিভ পার্টির ভাবমূর্তি নষ্ট করেছেন বরিস জনসন। প্রধানমন্ত্রী পদে থাকার নৈতিক অধিকার তাঁর আর নেই।

যদিও লকডাউনে বরিস জনসনের ফূর্তি নিয়ে দল দু ভাগ। শিক্ষামন্ত্রী ন্যাহডিম জাওয়াহাই, মাইকেল গোভের মত শীর্ষস্থানীয় মন্ত্রীর মতে, কমিটির রিপোর্টের অপেক্ষা করা উচিত।

বিবিসির প্রতিবেদন বলছে, বরিস জনসন এর আগেও এই ধরনের পার্টি আয়োজন করেছিলেন। পাশাপাশি করোনার শৃঙ্খল ভাঙতে যে সব পদক্ষেপের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তার অধিকাংশই তিনি কার্যকর করেননি। ফলে, দেশবাসীর একাংশের এই নিয়ে ক্ষোভ রয়েছে। সেই ক্ষোভের আগুনে ঘি ঢালল সর্বশেষ মোচ্ছব। এখন দেখার, প্রধানমন্ত্রী ইস্তফা দেন কি না।  

More News:

indian-oil

Leave a Comment

Don’t worry ! Your email & Phone No. will not be published. Required fields are marked (*).

এক ঝলকে

জেলা ভিত্তিক সংবাদ

Alipurduar Bankura PurbaBardhaman PaschimBardhaman Birbhum Dakshin Dinajpur Darjiling Howrah Hooghly Jalpaiguri Kalimpong Cooch Behar Kolkata Maldah Murshidabad Nadia North 24 PGS Jhargram PaschimMednipur Purba Mednipur Purulia South 24 PGS Uttar Dinajpur

Subscribe to our Newsletter

241
মিশন দিল্লি, পিকের চাণক্যনীতি কতটা কাজ দিল মমতার?

You Might Also Like