এই মুহূর্তে

বিধানসভা নির্বাচনের আগেই পরাজয় বিরোধীদের, কোন অঙ্কে কীসে হার?‌

নিজস্ব প্রতিনিধি:‌ আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগেই একের পর এক স্ট্র‌্যাটেজি নিয়ে বিরোধীদের শত যোজন দূরে ঠেলে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুঝিয়ে দিলেন এখনও তিনি সব বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির থেকে এগিয়ে আছেন। আজ, রবিবার বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সেটা আরও একবার বেশি করে সামনে চলে এল। সেটা রাজনৈতিক পদক্ষেপ করার ক্ষেত্রেও এবং রাজ্য সরকার–প্রশাসন চালানোর ক্ষেত্রেও। আর প্রত্যেকবারই বিরোধীরা বুঝতেই পারল না কোন পথে হাঁটবেন!‌ দিশেহারা এবং ছন্নছাড়া বিরোধীদের সামনে এখন শুধুই হতাশা।

এদিকে এসআইআর নিয়ে বিরোধীরা মাঠে নেমে পড়ে চিৎকার করেছিলেন, এবার তৃণমূল কংগ্রেস সরকার পড়ে যাবে। কোটি কোটি নাম বাদ পড়বে। সেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বলতে শোনা গেল, বৈধ ভোটারদের নাম বাদ গেলে তিনি ছাড়বেন না। আর কোন যাদুকাঠিতে দু’‌বছরের কাজ দু’‌মাসে করতে সক্ষম নির্বাচন কমিশন?‌ দিন যত এগোতে থাকে তত পারদ চড়তে থাকে আন্দোলনের। ৬টি চিঠি লিখলেন জ্ঞানেশ কুমারকে। রাস্তায় সংবিধান নিয়ে নামলেন। আর রাজধানীতে পা রেখে মামলা করলেন সুপ্রিম কোর্টে। নিজে সেখানে সওয়াল করলেন মানুষের হয়ে। গোটা দেশ দেখল একজন মুখ্যমন্ত্রীর আন্দোলন। তারপর এসে ধর্মতলায় ধর্নায় বসলেন। বিরোধীদের মাঠ থেকে ফাঁকা করে দিলেন।

 

অন্যদিকে রাজ্য বাজেটে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা বাড়িয়ে দিলেন। একলপ্তে ১৫০০ টাকা মাসে পেতে শুরু করেছেন রাজ্যের মহিলারা। আর তফসিলি জাতি, উপজাতি সম্প্রদায়ের মহিলারা মাসিক ১৭০০ টাকা করে পেতে শুরু করে দিয়েছেন। এটাও ধরতে পারলেন না বিরোধীরা। একইসঙ্গে চালু করলেন নয়া প্রকল্প ‘‌যুবসাথী’‌। তাতে বেকার ছেলে মেয়েরা ১৫০০ টাকা করে পেতে শুরু করেছেন। এই প্রকল্পের সমালোচনা করতে গিয়ে বেকারদের থেকে দূরে সরে গেলেন বিরোধীরা। দুর্নীতির কোনও অভিযোগ এখনও প্রমাণ করতে পারেনি বিরোধীরা। আবার কর্মসংস্থানও শুরু হয়ে গিয়েছে। একইসঙ্গে বেঁচে গিয়েছে ৩৩ হাজার শিক্ষক–শিক্ষিকাদের চাকরি। সুতরাং কোনও অস্ত্রই কাজে এল না বিরোধীদের।

এছাড়া আইসিডিএস, অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী, সিভিক ভলান্টিয়ারদের বেতন বাড়িয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তার জেরে তাঁদের উসকে আন্দোলনে নামাতে পারল না বিরোধীরা। এমনকী টলিউডের কলাকুশলী এবং খাবার ডেলিভারি যাঁরা করেন তাঁদের সকলকেই স্বাস্থ্যসাথীর আওতায় নিয়ে এলেন। আর বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার ঠিক আগে বড় ধাক্কা দিলেন বিরোধীদের। বকেয়া ডিএ বা মহার্ঘভাতা দেওয়ার কথা জানিয়ে দিলেন রবিবাসরীয় বিকেলে। এমনকী পুরোহিত ও মোয়াজ্জিনদের ভাতা বাড়িয়ে দিলেন। ইস্তেহারে উল্লেখ করেছেন, চতুর্থবার ক্ষমতায় এসেই সপ্তম বেতন কমিশন গঠন করবেন। এগুলির একটাও বিরোধীরা টের পর্যন্ত পেল না। আর নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশ হতে তৃণমূল কংগ্রেস করল এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট—‘‌বাংলা–বিরোধী বিজেপিকে চিরতরে প্রত্যাখ্যান করতে বাংলার জনগণকে কত ধাপে যেতে হবে? যতই করো হামলা আবার জিতবে বাংলা।’‌

Published by:

Share Link:

More Releted News:

প্রথম দফার ভোটের স্লিপ কারা দেবেন?‌ ‘ডেডলাইন’ বেঁধে নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের

মহিলা ব্রিগেডে জোর, নবীনদের বাহিনী তৈরির প্রতিশ্রুতি, নববর্ষে ইস্তেহার প্রকাশ মীনাক্ষীর

‘‌জয় বাংলা’‌ স্লোগান শুনে মেজাজ হারালেন শুভেন্দু, তেড়ে যাওয়ার চেষ্টা, হাতাহাতি বালিতে

বৃহস্পতি থেকেই দক্ষিণবঙ্গে কালবৈশাখীর তাণ্ডব, ৬ জেলায় সতর্কতা জারি

রাস্তায় ছড়িয়ে পোড়া বিজেপির দলীয় পতাকা, ভোটের মুখে চাঞ্চল্য শান্তিপুরে

বজবজে বিরাট রোড–শো অভিষেকের, প্রার্থীকে নিয়ে ভাসলেন মানুষের ঢলে

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ