জেলা কমিটিতে নেই আস্থা-ভরসা-বিশ্বাস, নামছে তাই ‘হোলটাইমার’

রাজ্যের প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রে আবারও ফেরানো হচ্ছে ‘হোলটাইমার’দের। আদতে যারা সংঘের চোখ, নাক, কান হিসাবে কাজ করে যাবেন।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: দলে আর কেউ কাউকে সামান্যতম বিশ্বাসও করেন না। নেই কোনও আস্থা ও ভরসাও। নিত্যদিন দল ছাড়ছেন বিক্ষুব্ধ নেতা থেকে কর্মীরা। দলের আদি নেতা ও কর্মীরা বসে গিয়েছেন। এদিকে ক্রমশই এগিয়ে আসছে পঞ্চায়েত নির্বাচন। দুই বছরের মাথায় লোকসভার নির্বাচন। এই অবস্থায় দলের নেতা থেকে কর্মীদের মনোবল বাড়াতে রাজ্যে আসছেন দলের কেন্দ্রীয় নেতা থেকে মন্ত্রীরা। কিন্তু তারপরেও সর্বক্ষণের নজরদারির নিদারুণ অভাব রয়ে গিয়েছে। কেননা দলের নীচুতলার সঙ্গে রাজ্য বা কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কোনও যোগাযোগই নেই। অগ্যতা সেই সংঘেরই দ্বারস্থ হচ্ছে বঙ্গ বিজেপি(Bengal BJP)। রাজ্যের প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রে(Assembly Area) আবারও ফেরানো হচ্ছে ‘হোলটাইমার’(Whole Timer)দের। আদতে যারা সংঘের(RSS) চোখ, নাক, কান হিসাবে কাজ করে যাবেন। আর এদের কথাতেই উঠতে বসতে চলতে হবে বঙ্গ বিজেপির জেলা কমিটির(District Comeety) নেতাদের।

গত বিধানসভা ভোটের কয়েক মাস আগে থেকে জেলায় জেলায় সর্বক্ষণের কর্মী পাঠিয়েছিল বিজেপি। ভোটে হারের পরে তাঁদের তুলে নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু গত ১৪ মাসে এটা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে যে, দেশজুড়ে বিজেপির দাপট এক থাকলেও বাংলায় তাঁদের পায়ের নীচের মাটি ক্রমশ সরে যাচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে ২০২৪-এ যে বাংলা থেকে ১জন সাংসদকেও বিজেপির তরফে দিল্লিতে পাঠানো যাবে না সেটা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে সংঘ সহ বিজেপির নানা সমীক্ষায়। আর তাই এখন থেকেই বাংলায় দলের হাল নিজের হাতে তুলে নিতে চাইছে সংঘ ও বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতারা। বাংলার জেলায় জেলায় থাকা বিজেপি নেতাদের ওপর তাঁদের আর কোনও আস্থা, ভরসা, বিশ্বাস বলে কিছু আর অবশিষ্ট নেই। তাই এবার রাজ্যের প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রে ২জন করে ‘হোলটাইমার’ ফেরানো হচ্ছে বঙ্গ বিজেপিতে। অগস্ট মাস থেকেই এই ‘হোলটাইমার’-রা তাঁদের কাজ শুরু করে দেবেন। এরা সবাই হবেন সংঘের কর্মী। কিন্তু এদের জন্য বাইক, স্মার্টফোন, থাকার ব্যবস্থা করতে হবে জেলা বিজেপি নেতৃত্বকে। তাঁদের যাবতীয় খরচ বহণ করতে হবে জেলা বিজেপি কমিটিকেই।

তবে একুশের বিধানসভা নির্বাচনের তুলনায় এবারে এই ‘হোলটাইমার’ নিয়োগের ক্ষেত্রে কিছু বদল আনা হচ্ছে। যেমন একুশের বিধানসভা নির্বাচনের সময়ে প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রে ‘হোলটাইমার’ হিসাবে যাদের নামানো হয়েছিল তাঁদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল দলের অন্দরেই। কেননা দেখা গিয়েছিল তাঁদের কেউ মাধ্যমিক পাশ, কেউ বা সেটাও নয়। একই সঙ্গে তাঁরা ছিল ভিন রাজ্যের বাসিন্দা। স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলতে, তাঁদের পছন্দ-অপছন্দ বুঝতে, সমস্যা বুঝতে গিয়ে কার্যত পায়ের ঘাম মাথায় ফেলতে হয়েছিল তাঁদের। তাতেও আসেনি কাঙ্ক্ষিত সাফল্য। এবার তাই ভিন রাজ্য থেকে কাউকে আনা হচ্ছে না। এ রাজ্যের বাসিন্দা ও সঙ্ঘের কর্মী সেই সঙ্গে নূন্যতম স্নাতক তাঁদেরই এবার ‘হোলটাইমার’ হিসাবে নিয়োগ করা হচ্ছে। এদের কাজ হবে এলাকায় দলের কর্মসূচি দেখা এবং স্থানীয় নেতাদের কাজকর্ম নিয়ে রাজ্যস্তরে রিপোর্ট পাঠানো। বিভিন্ন বিষয়ে এলাকার বাসিন্দাদের মত কী, তাও জানতে হবে এই কর্মীদের। তবে সূত্রে খবর এভাবে মাথার ওপর ‘হোলটাইমার’দের নজরদারি চাপিয়ে দেওয়ায় ক্ষেপে লাল হয়ে গিয়েছেন বিজেপির জেলা স্তরের নেতারা। অনেকেই এই সিদ্ধান্তের জেরে দল ছাড়ার কথা ভাবছেন বা বসে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সব মিলিয়ে সঙ্কট কাটা তো দূর, তা ক্রমেই বেড়ে চলেছে বঙ্গ বিজেপিতে।

আজকের রাশিফল: আজ ধৈর্যের পরীক্ষা দিতে হতে পারে! কর্মক্ষেত্রে উন্নতির সম্ভাবনা

কালীপুজোর আগের দিনেই আগুনে ভস্মীভূত গোটা মণ্ডপ, চোখে জল উদ্যোক্তাদের

ভারতের গ্র্যান্ড ক্যানিয়নের পাশাপাশি ঘুরে আসুন ‘বেলুম গুহা’ও, রইল খুঁটিনাটি তথ্য

ভরা বাজারে বন্দুকবাজের গুলিতে মৃত্যু হল তিনজনের, আহত ১২

সুজি কিংবা গাজর নয়, আপেল দিয়েই বানান সুস্বাদু স্বাদের হালুয়া! রইল সহজ রেসিপি

গোবর্ধন পুজো উপলক্ষ্যে সোমবারে কমবে মেট্রো পরিষেবা

‘জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে লড়াই চলবে,’ বললেন অভিজিৎ দীপক

আতশবাজির ধোঁয়া থেকে চোখ বাঁচাবেন কীভাবে? সুরক্ষিত থাকতে মানুন এই ৫ নিয়ম

কালীপুজোর আগে স্কুলে মিড ডে মিল নিয়ে বড় ঘোষণা রাজ্যের

বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে DLS নিয়মে জয়ী গিলরা, সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে ভারত

শর্তের বিনিময়ে দক্ষিণেশ্বরেও রিল শ্যুটের অনুমতি পেলেন ব্লগাররা

এগরোল-চাউমিনের দাম ১০ টাকা! সস্তায় মুখরোচক ফাস্টফুড খাওয়াচ্ছেন ছায়াদেবী

মাত্র ৫ টাকাতেই চিকেন-ভাত! পেট ভরে খেল শান্তিপুরবাসী

‘কাজের সূত্রে ভিন রাজ্যে গেলেও জব কার্ড বাতিল নয়,’ ঘোষণা দিলীপের