চাকরি বাতিলের মামলায় স্থগিতাদেশ বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট

আপাতত ৩ সপ্তাহের স্বস্তিতে থাকবেন প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীরা। কেননা এখনই তাঁদের চাকরি যাচ্ছে না, আবার বেতনও বন্ধ হচ্ছে না।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: চলতি বছরের এপ্রিল মাসে স্কুল সার্ভিস কমিশনের(School Service Commission) মাধ্যমে ২০১৬ সালের স্কুল শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়ার(School Teacher Recruitment Scam Case) সম্পূর্ণ প্যানেল বাতিল করে দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি দেবাংশু বসাক এবং বিচারপতি মহম্মদ শব্বর রশিদির ডিভিশন বেঞ্চের ওই রায়ের ফলে ২৫,৭৫৩ জন শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মীর চাকরি চলে যায়। ওই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সুপ্রিম কোর্টে(Supreme Court) যায় রাজ্য(West Bengal State Government)। সেখানে রাজ্য ও মধ্যশিক্ষা পর্ষদও মামলা দায়ের করে। শীর্ষ আদালতে যান চাকরিহারাদের একাংশও। সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতি(Chief Justice of India) ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের(D Y Chandrachud) নেতৃত্বাধীন ৩ বিচারপতির বেঞ্চই শুরু হয় চাকরি বাতিল মামলার শুনানি। গত ৭ মে এই মামলার শুনানিতে স্কুল সার্ভিস কমিশনের নিয়োগ প্রক্রিয়ার ২৫৭৫৩ জনের চাকরি বাতিলের যে নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট, তার ওপর অন্তর্বর্তিকালীন স্থগিতাদেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। এদিনও সেই স্থগিতাদেশ বহাল রেখেছে সুপ্রিম কোর্ট। এই মামলার পরবর্তী শুনানি শার্য হয়েছে ৩ সপ্তাহ পরে।

এই মামলা যখন প্রথমবার শুনানির জন্য সুপ্রিম কোর্টে উঠেছিল তখন দেশের প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় বলেছিলেন, ‘এখনই চাকরি বাতিল করা হচ্ছে না। যদি যোগ্য এবং অযোগ্য আলাদা করা সম্ভব হয়, তা হলে গোটা প্যানেল বাতিল করা ন্যায্য হবে না।’ একই সঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট আরও জানায়, আপাতত কাউকে বেতন ফেরত দিতে হবে না। স্কুল সার্ভিস কমিশনের ২০১৬ সালের প্যানেলে যারা চাকরি পেয়েছিলেন তাঁদের মুচলেকা দিতে হবে। পরে তাঁদের নিয়োগ ‘অবৈধ’ বলে প্রমাণিত হলে অযোগ্যদের টাকা ফেরত দিতে হবে। সেই সময় শীর্ষ আদালত স্পষ্ট করে দিয়েছিল যে, সুপারনিউমেরারি পদ তৈরি নিয়ে রাজ্য মন্ত্রিসভার বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্তে স্থগিতাদেশ বহাল থাকবে। কিন্তু ওই নির্দেশ চূড়ান্ত নয়। তারপরেই ১৬ জুলাই পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছিলেন প্রধান বিচারপতি। সেই মতো এদিন সুপ্রিম কোর্টে মামলাটি শুনানির জন্য উঠলে রাজ্যের তরফে হাজির থাকা আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, এই মামলায় সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা দিতে চায় রাজ্য সরকার। তা শুনে সুপ্রিম কোর্ট জানায়, আগামী ২ সপ্তাহের মধ্যে রাজ্য এবং স্কুল সার্ভিস কমিশন-সহ সমস্ত পক্ষকে হলফনামা দিতে হবে। তার পরে কারও হলফনামা গ্রহণ করা হবে না।

সুপ্রিম কোর্ট এদিন জানিয়েছেন, এই মামলায় মূল ৫টি পক্ষের বক্তব্য শোনা হবে। এই পাঁচ পক্ষ হল— রাজ্য সরকার, স্কুল আর্ভিস কমিশন, মামলার মূল মামলাকারী, চাকরিহারা এবং সিবিআই। এ ছাড়া অন্য কোনও পক্ষ তাদের বক্তব্য জানাতে চাইলে লিখিত ভাবে সুপ্রিম কোর্টে জানাতে পারবে। তবে এই বক্তব্য সীমাবদ্ধ রাখতে হবে পাঁচ পাতার মধ্যেই। তার বেশি নয়। একই সঙ্গে এদিন রাজ্যের নোডাল কাউন্সিল হিসাবে আইনজীবী আস্থা শর্মাকে নিয়োগ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। অন্য পক্ষেরও নোডাল কাউন্সিলও নিয়োগ করা হবে। ওই নোডাল কাউন্সিলের কাছে এ বিষয়ে একটি নির্দিষ্ট বক্তব্য জানাতে হবে। তবে এদিনের সুপ্রিম সিদ্ধান্তের জেরে আপাতত ৩ সপ্তাহের স্বস্তিতে থাকবেন প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীরা। কেননা এখনই তাঁদের চাকরি যাচ্ছে না, আবার বেতনও বন্ধ হচ্ছে না। অগস্টের প্রথম সপ্তাহে এই মামলাটির পরবর্তী শুনানি হবে।  

পঞ্জাবকে হারিয়ে প্লে অফের লড়াই জমিয়ে দিল মুম্বই

শার্দূলের আগুনে বোলিং, মুম্বইকে ২০১ রানের লক্ষ্য দিল পঞ্জাব

আবগারি মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি স্বর্ণকান্তা শর্মা

রবিবার শহিদ ক্ষুদিরাম থেকে মহানায়ক উত্তম কুমার পর্যন্ত বন্ধ থাকবে মেট্রো পরিষেবা

লোকসভায় তৃণমূলের মুখ্যসচেতক পদ হারালেন কাকলি, দায়িত্ব পেলেন কল্যাণ

বিয়ের চার বছরের মাথায় ভাঙল ঘর, সুরজের সঙ্গে ডিভোর্সের ঘোষণা মৌনির

১.৩২ লাখের পোশাকে কানের মঞ্চে তারা সুতারিয়া, ফ্যাশনে ঝড় তুললেন নায়িকা

অযোধ্যায় জমি কিনলেন বড় পর্দার ‘রাম’ রণবীর, কত দাম পড়ল?

হিমাচল বাদে ১৬ রাজ্য ও তিন কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে SIR, ঘোষণা নির্বাচন কমিশনের

উত্তরবঙ্গকে গুরুত্ব দিয়ে স্পিকার পদে রথীন্দ্রনাথ বসু, শুভেচ্ছা মুখ্যমন্ত্রীর

উচ্চমাধ্যমিকের ফল ঘোষণা! পাশের হার ৯১.২৩ শতাংশ, প্রথম দশে ৬৪ জন

ভিডিও কলে বলেছিলেন ‘শেষবারের মতো তাকাও’, তারপর যা ঘটল তা কল্পনারও বাইরে

ডায়ালিসিস ও ইনসুলিন থেকে মিলতে পারে মুক্তি, নতুন দিশা দেখাল দিল্লির AIIMS

টানা ৭-৮ ঘন্টা পড়াশোনা, কোন মন্ত্রে উচ্চ মাধ্যমিকের মেধাতালিকায় পুরুলিয়ার সৌমিক?