নিজের বাড়িতে নিজের চেয়ারে বসতেই স্বমূর্তিতে কেষ্ট, হাসলেন, কাঁদলেনও

বিপদের দিনে যারা পাশে থেকেছেন তাঁদের এদিন কাছে টেনেছেন কেষ্ট। কিন্তু যারা বিপদের দিনে পাশে থাকেননি তাঁদের এদিন বাড়িতে ঢুকতেও দেননি।

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: সময় বড় কঠিন জিনিস। সে কাউকে ছেড়েই কথা বলে না। সময়ের খেলায় রাজা হন ফকির, আবার ফকির হন রাজা। কেষ্টও তার ব্যতিক্রম হতে পারেননি। যে দাপট তিনি দেখিয়েছেন রাজ্য রাজনীতিতে, তার তুলনা মেলা ভার। তবুও তাঁকেও ঘুরে আসতে হয়েছে তিহার জেল থেকে। এদিন অর্থাৎ মঙ্গলবার নিজ বাড়িতে ফিরে আবারও তিনি আসীন হয়েছেন নিজের চেয়ারে, যে চেয়ারে বসেই তিনি দেড় দশক ধরে বীরভূম(Birbhum) জেলা তৃণমূলকে(TMC) সামলেছেন। দশকের বেশি সময় ধরে সামলেছেন জেলাকেও। এদিন সেই চেয়ারে বসে যেমন তাঁকে হাসতে দেখা গেল, তেমনি দেখা গেল চোখের জল ফেলতেও। একই সঙ্গে দেখা গেল, তাঁর বিপদের দিনে যারা পাশে থেকেছেন তাঁদের তিনি এদিনও কাছে ঘেঁষতে দিয়েছেন। কিন্তু যারা বিপদের দিনে পাশে থাকেননি তাঁদের এদিন বাড়িতে ঢুকতেও দেননি।

আরও পড়ুন, পুজোর আগে আনাজপাতির দাম নিয়ন্ত্রণে বাজারে বাজারে টাস্ক ফোর্সের হানাদারি

কেন কেষ্ট’র এহেন আচরণ? শোনা যাচ্ছে, কেষ্ট’র বিপদের দিনে দলের অনেকেই, চেনাপরিচিতদের মধ্যে অনেকেই একলহমায় সম্পর্ক ছিন্ন করেছিলেন। বিন্দুমাত্র যোগাযোগ রাখেননি। কেউ কেউ তাঁর অনুপস্থিতির সুযোগে নিজেদের ঘর গোছাতে শুরু করেছিলেন। কেউ বা নিজেকেই ‘রাজা’ ভাবতে শুরু করে দিয়েছিলেন। সেই সবই কানে গিয়েছে কেষ্ট’র। বিপদের দিনে যারা দূরত্ব বাড়িয়েছিলেন, তাঁদের অনেকেই এদিন তাঁর কাছের বৃত্তে ঢুকতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সেটাই আর এদিন হতে দেননি অনুব্রত মণ্ডল(Anubrata Mondol)। দেখা গেল, তাঁরা এলেন, কেষ্টর ঘরে ঢুকলেন ঠিকি, কিন্তু তাঁদের দিকেও ফিরেও তাকালেন না বীরভূমের এই দাপুটে নেতা। আর তাঁর সঙ্গে কথা বলতে না পেরে এই সুযোগসন্ধানীদের বেরিয়ে চলে যেতে হল। এদিন অবশ্য আগের মতোই চেনাছন্দে জনসংযোগ করতে দেখা গিয়েছে কেষ্টকে। তবে সেই জনসংযোগে বাড়তি গুরুত্ব পেয়েছে গত ২ বছরে ঘটে যাওয়া নানান ঘটনার অভিজ্ঞতা। কেষ্ট যখন জেলে ছিলেন তখন, দলের অনেক নেতা-অনুগামী তাঁর সঙ্গে দিল্লি গিয়ে দেখা করে এসেছেন। তাঁদের কাছ থেকে নিয়মিত দলের খবরাখবর নিয়েছেন কেষ্ট। কিন্তু এমনও অনেকে রয়েছেন, যারা সমস্ত যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছেন। সেসব মানুষজনকে ঠিক মনে রেখেছেন অনুব্রত মণ্ডল। আর তাই এদিন দেখাসাক্ষাতের ক্ষেত্রেও ঝাড়াই-বাছাই করলেন তিনি। 

আরও পড়ুন, মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠকে থাকছেন না অনুব্রত, তবে হবে একান্তে আলোচনা

এদিন রীতিমতো উৎসবের মেজাজে বোলপুরের(Bolpur) নিচুপট্টির বাড়িতে ফিরেছেন অনুব্রত মণ্ডল। বাড়ির নিচেই বসেছেন দীর্ঘক্ষণ। তাঁকে ঘিরে ছিলেন অনুগামীরা। আর দিল্লি থেকে সবসময়ের জন্য কাছে রয়েছেন মেয়ে সুকন্যা। সব থেকে বড় কথা, এই বাড়িতে অনুব্রতর সঙ্গে দেখা করতে সকলের প্রবেশ অবাধ হল না মঙ্গলবার। বিপদে যারা দূরত্ব বাড়িয়েছেন, তাঁদের কেউই ঘেঁষতেই পারলেন না কেষ্ট’র কাছে। সেই সব মানুষদের মধ্যে অন্যতম রাজ্যের মন্ত্রী তথা খাস বোলপুরের বিধায়ক চন্দ্রনাথ সিনহা, সিউড়ির বিধায়ক বিকাশ রায়চৌধুরী। বাড়ির বাইরে পাহারায় থাকা নিরাপত্তারক্ষীরাই ঘরে ঢুকতে দিলেন না তাঁদের। যদিও অনেকের সঙ্গে হেসে দীর্ঘক্ষণ গল্প করেছেন কেষ্ট। নলহাটির বিধায়ক রাজেন্দ্র সিং, নানুরের প্রাক্তন বিধায়ক গদাধর হাজরা-সহ অনুগামীরা কথা বলেছেন দীর্ঘক্ষণ। আবার এদিন দেখা গিয়েছে মেয়ে সুকন্যার কোনও একটি কথায় চোখের জল মুছছেন দাপুটে এই নেতা।

আজকের রাশিফল: আজ ধৈর্যের পরীক্ষা দিতে হতে পারে! কর্মক্ষেত্রে উন্নতির সম্ভাবনা

কালীপুজোর আগের দিনেই আগুনে ভস্মীভূত গোটা মণ্ডপ, চোখে জল উদ্যোক্তাদের

ভারতের গ্র্যান্ড ক্যানিয়নের পাশাপাশি ঘুরে আসুন ‘বেলুম গুহা’ও, রইল খুঁটিনাটি তথ্য

ভরা বাজারে বন্দুকবাজের গুলিতে মৃত্যু হল তিনজনের, আহত ১২

সুজি কিংবা গাজর নয়, আপেল দিয়েই বানান সুস্বাদু স্বাদের হালুয়া! রইল সহজ রেসিপি

গোবর্ধন পুজো উপলক্ষ্যে সোমবারে কমবে মেট্রো পরিষেবা

‘জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে লড়াই চলবে,’ বললেন অভিজিৎ দীপক

আতশবাজির ধোঁয়া থেকে চোখ বাঁচাবেন কীভাবে? সুরক্ষিত থাকতে মানুন এই ৫ নিয়ম

কালীপুজোর আগে স্কুলে মিড ডে মিল নিয়ে বড় ঘোষণা রাজ্যের

বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে DLS নিয়মে জয়ী গিলরা, সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে ভারত

শর্তের বিনিময়ে দক্ষিণেশ্বরেও রিল শ্যুটের অনুমতি পেলেন ব্লগাররা

এগরোল-চাউমিনের দাম ১০ টাকা! সস্তায় মুখরোচক ফাস্টফুড খাওয়াচ্ছেন ছায়াদেবী

মাত্র ৫ টাকাতেই চিকেন-ভাত! পেট ভরে খেল শান্তিপুরবাসী

‘কাজের সূত্রে ভিন রাজ্যে গেলেও জব কার্ড বাতিল নয়,’ ঘোষণা দিলীপের