আমরা আসছি
00
Days
00
Hours
00
Mins
00
Secs
এই মুহূর্তে

অবস্থান বিক্ষোভে বসতে পারেন প্রাক্তন সেনা আধিকারিকরা, শর্তসাপেক্ষে রায় দান কলকাতা হাইকোর্টের

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: প্রাক্তন সেনা আধিকারিকদের অবস্থান বিক্ষোভের ইচ্ছা প্রকাশ নিয়ে নিয়ে রায় দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বুধবার আদালতের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সেনা আধিকারিকরা অবস্থান বিক্ষোভে বসতে পারবেন। তবে সেই অবস্থানে কোনও বিজেপি নেতা থাকতে পারবেন না। মেয়ো রোডেই হবে অবস্থান বিক্ষোভ। বিতর্কের সূত্রপাত মেয়ো রোডে তৃণমূলের প্রতিবাদ মঞ্চ খোলা নিয়ে। দিন কয়েক আগে ভারতীয় সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে তৃণমূলের ভাষা আন্দোলনের প্রতিবাদ মঞ্চ খুলে ফেলা হয়। তা নিয়েই শুরু হয় বিতর্ক।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “২০০ সেনা আমাকে দেখে  ছুটে পালাচ্ছিল। আমি বললাম আপনারা পালিয়ে যাচ্ছেন কেন? আপনারা আমার বন্ধু। বিজেপির কথায় সেনা কাজ করছে। মঞ্চ ভেঙে দেওয়া হয়েছে, আমাদের মাইকের কানেকশন কেটে দিয়েছে। স্টেজ ভেঙে দিয়েছে, আপনারা দেখতে পাচ্ছেন। প্যান্ডেল আর্মিকে দিয়ে খুলিয়েছে। আমার আর্মির বিরুদ্ধে কোনও ক্ষোভ নেই। কারণ, আমরা সেনাকে নিয়ে গর্বিত। কিন্তু সেনাকে যখন বিজেপির কথায় চলতে হয়, তখন দেশটা কোথায় যায়, তা নিয়ে সন্দেহ জাগে! দরকার হলে পুলিশের সঙ্গে কথা বলত। পুলিশ আমাদের পার্টির সঙ্গে কথা বলে আমাদের প্যান্ডেল খুলে দিতে পারত। আমরাই খুলে দিতাম, আমরা অন্য জায়গায় শিফ্‌ট করতে পারতাম।”

তারপর থেকেই শুরু হয়েছে বিরোধ। বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে দেখে সেনাবাহিনী পালিয়ে গিয়েছে, এই কথাকে ‘হাস্যাষ্পদ’ আখ্যা দেন বহু মানুষ। সর্বোপরি আত্মসম্মানে প্রবল ঘা লাগে সেনাবাহিনীর। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যের বিরোধিতা করে অবস্থান বিক্ষোভে বসতে চান সেনাবাহিনীর প্রাক্তন আধিকারিকরা। এই মর্মে আদালতের কাছে আবেদন জানিয়েছেন তাঁরা। আদালতে প্রাক্তন সেনা আধিকারিকরা জানান ধর্নার জন্য স্থান নির্বাচন করে রেখেছেন। মেয়ো রোডে অবস্থান বিক্ষোভে বসতে চেয়েছিলেন তাঁরা। সোমবার ৮ সেপ্টেম্বর ধরনা কর্মসূচির জন্য মামলা দায়ের করার আবেদন মঞ্জুর করেছিলেন বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ। ৮ সেপ্টেম্বর শুনানি হওয়ার কথা থাকলেও  তা শেষ পর্যন্ত হল ১০ তারিখ ।

বিভিন্ন রাজ্যে কর্মসূত্রে গিয়ে বাংলা ভাষায় কথা বললেই বাংলাদেশি তকমা দিয়ে হেনস্তার অভিযোগ উঠছে বিজেপি শাসিত রাজ্যে। তাই বাঙালিদের ওপরে অত্যাচারের প্রতিবাদে পথে নেমে ভাষা আন্দোলন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মেয়ো রোডেও চলছিল তৃণমূলের প্রতিবাদ। তার জন্যই তৈরি হয়েছিল মঞ্চ। সেই মঞ্চই খুলে ফেলে সেনা কয়েকদিন আগে। সেনাবাহিনীর যুক্তি, এই কর্মসূচির জন্য ২ দিনের সময়সীমা চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল। কিন্তু দুই দিন পেরিয়ে আরও অনেকদিন কেটে গিয়েছে, মেয়ো রোড থেকে মঞ্চ খোলেনি তৃণমূল। তাই তাদেরই বাধ্য হয়ে মাঠে নামতে হয়েছিল।

Published by:

Share Link:

More Releted News:

হুমায়ুনের দলে ফের ভাঙন, শওকতের হাত ধরে শক্তিবৃদ্ধি তৃণমূলের

‘লাফাচ্ছে সব চুনোপুটি, একাই একশো হাওয়াই চটি,’ স্লোগানে ঝড় তুলেছে তৃণমূল

‘পবন ও রাজেশ কুমারকে খুনের পরিকল্পনা ছিল,’ জগদ্দল কাণ্ডে বিস্ফোরক দাবি অর্জুনের

দ্বিতীয় দফার শেষদিনের প্রচারে ঝড় তুলবেন মমতা-অভিষেক, মোদি-শাহ

কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকা সত্ত্বেও ভাটপাড়ায় চলল গুলি, রিপোর্ট তলব ক্ষুব্ধ কমিশনের

‘মানবিক অভিষেক’, কনভয় থামিয়ে দুর্ঘটনায় জখমদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করলেন তৃণমূল সাংসদ

Advertisement
এক ঝলকে
Advertisement

জেলা ভিত্তিক সংবাদ