কেরলমের হবু মুখ্যমন্ত্রী ভি ডি সতীশনের সম্পত্তির পরিমাণ কত জানেন?

‘ঈশ্বরের আপন দেশ’ কেরলমে ক্ষমতার পালাবদল ঘটেছে। এলডিএফ-কে সরিয়ে ক্ষমতায় এসেছে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ । এই জয়ের পেছনে বিশেষ ভূমিকা রেখেছিলেন কেরলমের বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ভি ডি সতীশন। আর এই পরিশ্রমের পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। আগামী ১৮ মে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন। কে এই সতীশন? কত টাকার মালিক কেরলমের হবু মুখ্যমন্ত্রী?  

Share:

কেরলমের রাজনীতিতে কীভাবে ভি ডি সতীশনের উত্থান?

১৯৬৪ সালে নেতুরে জন্ম নেওয়া ভি ডি সতীশন ছাত্র সংগঠন কেরলম স্টুডেন্টস ইউনিয়নের হাত ধরে রাজনীতিতে আসেন। আইনজীবী সতীশন ২০০১ সাল থেকে পারাভুরের বিধায়ক। তীক্ষ্ণ বক্তৃতা ও লড়াকু মনোভাব তাঁকে কংগ্রেসের অন্যতম প্রভাবশালী নেতায় পরিণত করেছে। 

২০২১-এর পরই কেন ভি ডি সতীশন কংগ্রেসের মুখ হয়ে উঠলেন?

২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ইউডিএফের পরাজয়ের পর কেরলম কংগ্রেস বড় ধরনের নেতৃত্ব সংকটে পড়ে। সেই সময় ভি ডি সতীশনকে বিরোধী দলনেতা করা হয়। প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা না থাকলেও তিনি দুর্নীতি, আর্থিক অব্যবস্থা ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ে পিনারাই বিজয়ন সরকারের বিরুদ্ধে সরব হন। মাত্র কয়েক বছরের মধ্যেই তিনি কেরলমে কংগ্রেসের সবচেয়ে শক্তিশালী এবং জনমুখী মুখ হিসেবে উঠে আসেন।

কেন ভি ডি সতীশনই ছিলেন কংগ্রেসের প্রথম পছন্দ?

২০২৬ সালের নির্বাচনে ইউডিএফের প্রচারের মুখ ছিলেন ভি ডি সতীশন। গোটা কেরলমে চষে তিনি পিনারাই বিজয়নের বিরুদ্ধে সরাসরি লড়াইয়ের নেতৃত্ব দেন। ইউডিএফের ঐতিহাসিক জয়ের পর দলীয় কর্মীদের বিশ্বাস ছিল, যিনি জয় এনে দিয়েছেন তিনিই মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার যোগ্য। আইইউএমএল-এর সমর্থনও তাঁর অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করে তোলে। 

কেন মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচন নিয়ে কংগ্রেসে মতভেদ তৈরি হয়েছিল?

কেরালমের মুখ্যমন্ত্রী পদ নিয়ে প্রধান জল্পনা ছিল কেসি ভেনুগোপালকে ঘিরে। তিনি কংগ্রেস হাইকমান্ডের ঘনিষ্ঠ এবং সংগঠনে অত্যন্ত প্রভাবশালী নেতা। ফলে প্রশ্ন উঠেছিল-দল কি নির্বাচনে জয় এনে দেওয়া ভি ডি সতীশনকে বেছে নেবে, নাকি দিল্লির আস্থাভাজন নেতাকে? শেষ পর্যন্ত সতীশনের পক্ষেই সিদ্ধান্ত যায়, যা তাঁর রাজনৈতিক গুরুত্বকে আরও স্পষ্ট করে দেয়।

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ভি ডি সতীশনের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ কী?

জনসমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় এলেও ভি ডি সতীশনের সামনে কঠিন পরীক্ষা অপেক্ষা করছে। তিনি আগে কখনও মন্ত্রী ছিলেন না, তাই প্রশাসন পরিচালনা, জোটের ভারসাম্য রক্ষা এবং অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা তাঁর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। পাশাপাশি তাঁকে বারবার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন-এর প্রশাসনিক শৈলীর সঙ্গে তুলনা করা হবে। এখন দেখার, বিরোধী রাজনীতির সাফল্যকে তিনি কতটা কার্যকর শাসনে রূপ দিতে পারেন।

ভি ডি সতীশনের মোট সম্পদের পরিমাণ কত?

নির্বাচনী হলফনামা অনুযায়ী, ভি ডি সতীশন এবং তাঁর স্ত্রী লক্ষ্মীপ্রিয়ার মোট ঘোষিত সম্পদের পরিমাণ ৬.৬৯ কোটিরও বেশি। এর মধ্যে রয়েছে নগদ অর্থ, ব্যাঙ্ক আমানত, সোনা, শেয়ার, জমি ও বাড়ি। সতীশনের নামে পারাভুর ও নেতুরে প্রায় ২.৪২ কোটি টাকার স্থাবর সম্পত্তি রয়েছে। পরিবারের মোট ঋণের পরিমাণও ৪০ লক্ষ টাকার বেশি বলে হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে। 

কালবৈশাখীর ঝড়ে বিপর্যস্ত বনগাঁ – শিয়ালদহ শাখায় ট্রেন চলাচল, দুর্ভোগে যাত্রীরা

বিধানসভার ফল প্রকাশের ১০ দিন পর প্রকাশ্যে এলেন জাহাঙ্গির

‘চাবাহার বন্দরে বিনিয়োগ বজায় রাখুন’, দিল্লিকে আর্জি ইরানের বিদেশ মন্ত্রীর

শুক্রের রাতে কালবৈশাখীর দাপট কলকাতা সহ দুই চব্বিশ পরগনায়, সঙ্গে একনাগাড়ে বৃষ্টি

‘কুম্ভ’ হয়ে লড়লেন কার্তিক, লখনউকে ১৮৮ রানের লক্ষ্য দিল চেন্নাই

অস্ত্র দেখিয়ে তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার ২ , চাঞ্চল্য জামুরিয়ায়