‘নির্যাতিতার পরিবারকে আইনজীবী দেবে রাজ্য সরকার’, কামদুনি মামলা নিয়ে বড় বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজ্যে নারী নির্যাতনের পুরনো এক বহুল আলোচিত মামলাকে ঘিরে ফের রাজনৈতিক ও আইনি বিতর্ক তীব্র হয়েছে। বারুইপুরের সূর্যপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার পর ঘটনাস্থলে গিয়ে কড়া বার্তা দেওয়ার পাশাপাশি ২০১৩ সালের কামদুনি কাণ্ড নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন ওই মামলায় রাজ্য সরকারের অবস্থান নিয়ে তাঁর মন্তব্য নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে।

বারুইপুরের সূর্যপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের পর শনিবার ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে নবনির্মিত পুলিশ ফাঁড়ির উদ্বোধন করার পাশাপাশি নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। গণপিটুনিতে নিহত ইন্দ্রজিতের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী এবং তাঁর দাদাকে সিভিক ভলান্টিয়ারের চাকরি দেওয়ার কথাও জানান। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট ভাষায় বলেন, নারী নির্যাতনের ঘটনায় রাজ্য সরকারের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’। একইসঙ্গে ২০১৩ সালের বহুচর্চিত কামদুনি গনধর্ষণ কাণ্ড প্রসঙ্গেও গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেন তিনি। তাঁর দাবি, ‘সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন এই মামলায় নির্যাতিতার পরিবারের পাশে দাঁড়াবে রাজ্য সরকার। প্রয়োজনে তাদের জন্য আইনজীবীর ব্যবস্থাও করা হবে। পাশাপাশি তিনি জানান, রাজ্যের পক্ষ থেকে মামলায় কোনও বিরোধিতা করা হবে না।’ মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, পূর্ববর্তী সরকার এই মামলায় আদালতে নির্যাতিতার পরিবারের অবস্থানকে সমর্থন করেনি। তার কথায়, আগের আমলে যে ধরনের আইনি অবস্থান নেওয়া হয়েছিল, বর্তমান সরকার সেই পথ অনুসরণ করবে না। নির্যাতিতার পরিবার যাতে ন্যায়বিচার পায়, সেই লক্ষ্যেই সরকার সহযোগিতা করবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।  

আরও পড়ুন: মাছ চাষের মাধ্য়মে আয়ের রাস্তা, নতুন দিশা দেখালেন মৎস্য মন্ত্রী রাজেশ মাহাতো

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে উত্তর ২৪ পরগনার কামদুনিতে এক কলেজছাত্রীকে অপহরণের পর গণধর্ষণ করে নৃশংসভাবে খুন করা হয়। ঘটনাটি সারা রাজ্যকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এলাকায় গেলে বিক্ষোভের মুখেও পড়তে হয় তাঁকে। অভিযোগ, বিক্ষোভকারীদের মধ্যে মাওবাদীরা আছে, এমনই মন্তব্য করেছিলেন তিনি! টুম্পা ও মৌসুমিকেও পরবর্তীকালে তৃণমূলের রোষানলে একাধিকবার পড়তে হয়েছিল। ২০১৬ সালে বারাসত আদালত তিন অভিযুক্তকে মৃত্যুদণ্ড এবং আরও তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয়। পরে কলকাতা হাইকোর্ট সেই রায়ে পরিবর্তন এনে মৃত্যুদণ্ড বাতিল করে দুই অভিযুক্তের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রাখে এবং তিনজনকে খালাস দেয়। আরেক অভিযুক্ত বিচার চলাকালীন মারা যান। হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে মৃত ছাত্রীর পরিবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়ায় একাধিক ত্রুটি ছিল এবং প্রকৃত অর্থে ন্যায়বিচার মেলেনি। বর্তমানে দেশের শীর্ষ আদালতে মামলাটি বিচারাধীন। এই পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রীর সাম্প্রতিক মন্তব্য এবং রাজ্য সরকারের নতুন অবস্থান কামদুনি মামলাকে আবারও রাজ্যের রাজনৈতিক ও আইনি আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে।

ভেনেজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা ছাড়ল ৪,০০০

গ্রাহকদের পচা খাবার দেওয়ায় Swiggy Instamart-র বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ

অভিন্ন দেওয়ানি বিধির খসড়া বিল পর্যালোচনার জন্য কমিটি গড়ল রাজ্য

স্বেচ্ছায় আদালতে হাজিরা, একাধিক ভোটার কার্ড মামলায় জামিন পেলেন প্রকাশ রাজ

মাছ চাষের মাধ্য়মে আয়ের রাস্তা, নতুন দিশা দেখালেন মৎস্য মন্ত্রী রাজেশ মাহাতো

নেপাল সফরে যাচ্ছে টিম ইন্ডিয়া, দলে ঠাঁই হতে পারে বৈভব-রিঙ্কুর

আগস্টেই কলকাতা-ঢাকা মৈত্রী এক্সপ্রেস চালুর সম্ভাবনা

মাদকচক্রের বিরুদ্ধে রাজ্যজুড়ে ‘অপারেশন ক্লিন’, প্রশাসনকে কড়া নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

‘ইন্দ্রজিতের খুনের পিছনে যুক্ত থাকতে পারে মৌলবাদীরা’, আশঙ্কা মুখ্যমন্ত্রীর

ভারতীয় নৌবাহিনীতে যুক্ত হল আইএনএস মহেন্দ্রগিরি, উদ্বোধন করলেন রাজনাথ সিং

বারুইপুরে গণপিটুনি কাণ্ডে আরও তিনজন গ্রেফতার, ইন্দ্রজিতের বাড়ি যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী

‘নির্যাতিতার পরিবারকে আইনজীবী দেবে রাজ্য সরকার’, কামদুনি মামলা নিয়ে বড় বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

বর্ষায় স্বাদ বদল করতে চান? রান্না করুন কাসনপোড়া ইলিশের ঝোল

‘ভারত-আফগানিস্তানের DNA এক’, পাকিস্তানের রক্তচাপ বাড়িয়ে মন্তব্য আফগান মন্ত্রীর