গুজরাতে এমন পাহাড়ি শহরও আছে জানতেন? প্রকৃতি, ঝর্না আর মেঘের দেশে ঘুরে আসুন

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধি: গুজরাত মানেই অনেকের চোখে ভেসে ওঠে কচ্ছের রান, গিরের জঙ্গল কিংবা সমুদ্রতট। কিন্তু সেই গুজরাতেই যে মেঘঢাকা পাহাড়ি শহর রয়েছে, তা অনেকেই জানেন না। সহ্যাদ্রি পর্বতমালার কোলে অবস্থিত সাপুতারা যেন প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য এক লুকোনো স্বর্গ। সবুজ পাহাড়, কুয়াশা, ঝর্না, হ্রদ আর অরণ্যের মিশেলে গড়ে ওঠা এই শৈলশহর বর্ষায় আরও বেশি মোহময় হয়ে ওঠে। গরম থেকে মুক্তি পেতে কিংবা নিরিবিলি পাহাড়ি ছুটি কাটাতে সাপুতারা হতে পারে আদর্শ ঠিকানা। 

ডাঙ্গ জেলার আনাচ-কানাচে ছড়িয়ে রয়েছে পর্যটকদের নজর কাড়ার মতো ঝর্না, নদী। বর্ষায় তা হয়ে ওঠে আরও সুন্দর। এখানে একাধিক মন্দির দর্শনে বা কচ্ছে রন দেখতে দূর-দূরান্ত থেকে পর্যটকেরা আসলেও, অনেকেই এখানকার এই শৈলশহরের নাম জানেন না। সাপুতারা জায়গাটি গুজরাত এবং মহারাষ্ট্রের সীমানায় অবস্থিত। ফলে সাপুতারা ঘোরার পাশাপাশি হাতগড় দুর্গও ঘুরে নিতে পারেন। যদিও এটি মহারাষ্ট্রে পড়ে। তথ্য বলছে, ‘সাপুতারা’ শব্দের অর্থ সর্পের আবাস। যদিও এই শৈলশহর ক্যানভাসে আঁকা ছবির মতোই। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতা ১০০০ মিটার। গুজরাতের অন্যত্র বেশ গরম থাকলে কিছুটা উঁচু এবং পাহাড়ি এলাকা বলে আবহাওয়া এখানে মনোরম। 

সাপুতারার প্রধান আকর্ষণ

সাপুতারায় পাহাড়ের মাথায় রয়েছে ভিউ পয়েন্ট। সেখান থেকে ৩৬০ ডিগ্রি ভিউ পাওয়া যায়। দেখা যায় শৈলশহরের অনেকখানি। উপর থেকেই চোখে পড়বে একাধিক ছোট-বড় জলাশয়।

ডোন জলপ্রপাত: সাপুতারা থেকে মোটমুটি ৫২ কিলোমিটার দূরে অরণ্যঘেরা স্থানে রয়েছে ডোন জলপ্রপাত। বর্ষাকালে এই জলপ্রপাতের সৌন্দর্য চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন। পাহাড়ের ধাপে ধাপে নেমে আসা জলের ধারা মন কেড়ে নেয় পর্যটকদের।

গিরমল জলপ্রপাত: গুজরাতের অন্যতম উঁচু জলপ্রপাত হল গিরমল। কার্যত লোকচক্ষুর অন্তরালেই রয়ে গিয়েছে এই সমস্ত স্থান। অতি উৎসাহী পর্যটক ছাড়া এই জায়গাগুলির খোঁজ তেমন কেউ রাখেনও না। প্রায় ১০০ ফুট উপর থেকে অরণ্যের মধ্যে আছড়ে পড়া জলপ্রপাতের দৃশ্য রোমাঞ্চ জাগায়। 

সাপুতারা হ্রদ: শৈলশহরের মাঝখানে বিস্তৃত এই হ্রদ পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণ। পাহাড়ের মাথা থেকে এই হ্রদ খুব সুন্দর দেখা যায়। এইখানে নৌবিহারের সুবিধাও রয়েছে। 

সানরাইজ ও সানসেট পয়েন্ট: ভোরের সূর্যোদয় কিংবা সন্ধ্যার সূর্যাস্ত এই দুই সময়েই পাহাড়ি উপত্যকার রূপ যেন আরও বেশি মায়াবী হয়ে ওঠে। এই পাহাড়ি উপত্যকাতেও এমন দুটি পয়েন্ট রয়েছে।

বাঁসদা জাতীয় উদ্যান: সাপুতারা থেকে প্রায় ৫৮ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত বাঁসদা জাতীয় উদ্যান। এই অরণ্যে দেখা মিলতে পারে হায়না, লেপার্ড, চিতল সহ নানা বন্যপ্রাণীর ও বহু পাখিদের বাসস্থান আছে।

কী ভাবে যাবেন?

হাওড়া বা শালিমার থেকে ট্রেনে সুরত কিংবা বিলিমোরা জংশনে পৌঁছে সড়কপথে সাপুতারা যাওয়া যায়। সুরত থেকে দূরত্ব প্রায় ১৬০ কিলোমিটার। বিমানে গেলে নাসিক বা সুরত পৌঁছে গাড়ি ভাড়া করেও পৌঁছে যেতে পারেন।

কোথায় থাকবেন?

সাপুতারায় সরকারি অতিথি আবাসের পাশাপাশি একাধিক বেসরকারি হোটেল ও লজ রয়েছে। বাজেট থেকে প্রিমিয়াম, সব ধরনের থাকার ব্যবস্থাই পাওয়া যায় এখানে।

দিল্লির করোল বাগের বাজারে ভয়াবহ আগুন, ঘটনাস্থলে দমকলের ২২টি ইঞ্জিন

আজকের রাশিফল: ধনতেরাসে কাদের ঘরে আসবে ধন-সম্পদ! কার ভাগ্যে অশনি সংকেত?

সাবধান! ভুল টুথপেস্ট আর এই খাবারগুলির জন্যই হতে পারে দাঁতের ক্ষতি

ধনতেরাসে তৈরি হচ্ছে মালব্য রাজযোগ, ৪ রাশির বদলাতে পারে ভাগ্য!

বাজার থেকে শীতের সবজি কিনছেন? রান্নার আগে মানুন এই নিয়ম!

কলকাতা-সহ ৭ পুরসভার ভোটার তালিকা প্রকাশিত হচ্ছে না, জানাল নির্বাচন কমিশন

দীপাবলির আগে করুন এই ২টি কাজ! সংসারে বাড়বে সুখ-সমৃদ্ধি

দূষণের জেরে দিল্লি থেকে সরল ভারত বনাম শ্রীলঙ্কার ওয়ান-ডে ম্যাচ

‘তোলাবাজির অভিযোগ জানালেই ১৫ মিনিটে গ্রেফতার,’ শিল্পপতিদের আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ফুটবলকে চিরতরে বিদায় জানালেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো

SRFTI-তে ঝুলল তালা, অশান্তির অভিযোগে আপাতত বন্ধ পঠন-পাঠন

SBI-তে ৭৭টি শূন্যপদে নিয়োগ, ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে আবেদন

TATA-র বদলে সিঙ্গুরে অশোক লেল্যান্ডের গাড়ি শিল্প! ইঙ্গিত শুভেন্দুর