মায়ের বাহন শ্বেত সিংহ, ঘটকবাড়ির দুর্গা প্রতিমায় রয়েছে অভিনবত্ব

Share:

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ দুর্গাপুরের মলানদিঘির ঘটকবাড়ির দুর্গাপুজোয় দেবীর বাহনেই লুকিয়ে রয়েছে এক অভিনবত্ব! এখানে মা দুর্গার বাহন শ্বেত সিংহ। শরীর সিংহের হলেও মুখের আদল অনেকটাই ঘোড়ার মতো। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে এই বিশেষ রূপেই পুজিত হয়ে আসছেন দেবী। তবে শুধু বাহনেই নয়, ঘটকবাড়ির পুজোর রীতিতেও রয়েছে ব্যতিক্রমী বৈশিষ্ট্য। কোনও ছাপা বই নয়, তালপাতার পুঁথিতে পূর্বপুরুষদের হাতে লেখা মন্ত্র উচ্চারণ করেই আজও হয় দেবীর আরাধনা। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে পুরোহিতের কণ্ঠে উচ্চারিত হয়ে আসছে সেই প্রাচীন মন্ত্র। ফলে পুজোর প্রতিটি মন্ত্রোচ্চারণের সঙ্গে যেন জড়িয়ে রয়েছে কয়েকশো বছরের পারিবারিক ইতিহাস।

সময়ের সঙ্গে বদলেছে চারপাশ। বদলেছে জীবনযাত্রা, পুজোর আয়োজন। কিন্তু বদলায়নি ঘটকবাড়ির দুর্গার রূপ। পুরনো রীতি মেনেই আজও তৈরি হয় প্রতিমা। আধুনিকতার ভিড়ে যেখানে দুর্গাপুজোর প্রতিমায় নতুনত্ব খোঁজেন শিল্পীরা, সেখানে ঘটকবাড়ির অভিনবত্ব ঠিক উল্টো পথে। এখানে নতুন কিছু যোগ করার চেষ্টা নেই। বরং কয়েকশো বছরের পুরনো সেই অচেনা রূপটাকেই আঁকড়ে ধরে রেখেছেন পরিবারের সদস্যরা। তাই ঘটকবাড়ির দুর্গাপুজোয় গেলে চোখ আটকে যেতে বাধ্য সেই শ্বেত সিংহের দিকে। এক ঝলকে মনে হবে সিংহ, একটু খুঁটিয়ে দেখলে চোখে পড়বে ঘোড়ার মুখের আদল। পরিবারের সদস্যদের দাবি, দুর্গম হিমালয়ে একসময় এই ধরনের মুখমণ্ডলযুক্ত সিংহ বিরাজ করত। সেই প্রাচীন বিশ্বাসেরই ছাপ দেখা যায় আজকের প্রতিমায়। সময়ের সঙ্গে সেই প্রথার অনেকটাই পরিবর্তন হয়েছে। প্রায় ২০০ বছর আগে পুজোর অষ্টমী তিথিতে বন্ধ হয়ে যায় ছাগ বলি। তার পরিবর্তে চালকুমড়ো বলির রীতি চালু হয়।

অবিভক্ত বর্ধমান জেলার কাঁকসা এলাকায় একসময় বহু পণ্ডিত পরিবারের বসবাস ছিল। তাঁদের মধ্যে অন্যতম ছিল তর্কতীর্থ বংশ। সেই তর্কতীর্থ বংশের অন্যতম পণ্ডিত ছিলেন বিশ্বনাথ তর্কতীর্থ। পরবর্তীকালে তিনি এই এলাকায় ‘ঘটক’ উপাধি লাভ করেন। পরবর্তী সময়ে তর্কতীর্থ বংশ ভট্টাচার্য বংশে পরিণত হলেও দুর্গাপুজোর প্রাচীন রীতিতে কোনও ছেদ পড়েনি। পুরনো এই পুজোয় দুর্গাপ্রতিমার পাশে নেই লক্ষ্মী, সরস্বতী, কার্তিক কিংবা গণেশ। মহিষাসুর বধের সময় দেবীকে অমৃত পান করানো দুই সখীই এখানে মায়ের নিত্যসঙ্গী। গ্রামের পুকুরেই সম্পন্ন হয় প্রতিমা নিরঞ্জন। 

সূর্যের রাহুর স্বাতী নক্ষত্রে গোচর! ৬ নভেম্বর পর্যন্ত সুসময় ৪ রাশির জাতকদের

পুজোর মুখে যাত্রীদের জোর ধাক্কা এয়ার ইন্ডিয়ার, টিকিটের দাম বাড়ছে ৮৫০-২১,০০০ টাকা

আলমারি ছাড়াই জামা-কাপড় রাখুন পরিপাটি, ৫ কৌশলে বদলে ফেলুন ঘরের ভোল

‘প্রয়োজন ছাড়া রাস্তায় নয়’, সৌদিতে বসবাসকারী ভারতীয়দের জন্য সতর্কবার্তা দিল্লির

অল্প বয়সে দ্রুত মোটা হয়ে যাচ্ছে আপনার শিশু? জানুন এর পিছনের কারণগুলি…

স্তনে ফোলাভাব মানেই ক্যানসার নয়, তবুও সাবধানতা অবলম্বনে ভুল করলে চরম ক্ষতি

মা দুর্গার রোষ থেকে বাঁচতে চান? নবরাত্রির আগেই ঘর থেকে সরান এই ৫ জিনিস

ইস্টবেঙ্গলকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার শিল্ড ঘরে তুলল মোহনবাগান

সাড়ে তিন বছর বাদে দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে টেস্ট খেলতে নামছেন নোখিয়ে

কর আধিকারিকদের গ্রেফতারের ক্ষমতা বাতিল, যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত জিএসটি কাউন্সিলের

সোনারপুর ও বালিগঞ্জ স্টেশনের মাঝে ট্রাফিক ব্লক, শনি-রবি বাতিল একগুচ্ছ ট্রেন

জেলা পরিষদ সদস্যের বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে টাকা তোলার অভিযোগ, উত্তপ্ত বসিরহাট

বস হো তো অ্যায়সা! অফিসে আসতে কর্মীদের কষ্ট দেখে BMW উপহার দিলেন মালকিন

নদী বাঁচাতে দেড় হাজার কিমি সাইকেল চালিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দরবারে দুই অশীতিপর